Taratala Disaster

নকশায় ঠিক কী গলদ? পুলিশের অনুরোধে তারাতলার দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাদবপুরের বিশেষজ্ঞ দল

উদ্ধারকাজ শেষের পর ৫ বিশেষজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার সব খতিয়ে দেখে রিপোর্ট দেবেন, কী জানালেন তাঁরা?

Advertisement
সোমনাথ রায়
সোমনাথ রায়

শেষ আপডেট: জুন ২৭, ২০২৬, ১৬:০৩

options
link
নকশায় ঠিক কী গলদ? পুলিশের অনুরোধে তারাতলার দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাদবপুরের বিশেষজ্ঞ দল
তারাতলায় নির্মাণ নকশার গলদ দেখতে গেলেন যাদবপুরের ৫ বিশেষজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ারের দল

নকশা থেকে নির্মাণকাজ – সর্বস্তরে একের পর এক গলদের চরম পরিণতির সাক্ষী থেকেছে তারাতলা। বুধবার দুপুরে তাসের ঘরে মতো হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১৭ জন। দুর্ঘটনার পর উদ্ধারাজে নেমে তদন্তকারীরা বেআইনি নির্মাণ দেখে রীতিমতো থ! এত ত্রুটি থাকা সত্ত্বেও কীভাবে নির্মাণকাজ চলছিল, সেই প্রশ্নে তোলপাড় কলকাতা। এই পরিস্থিতিতে পুলিশের অনুরোধে শনিবার দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ জনের বিশেষজ্ঞ দল। কনস্ট্রাকশন ইঞ্জিনিয়ার পার্থপ্রতিম বিশ্বাসের নেতৃত্বে বিশেষজ্ঞরা আজ তারাতলায় গেলেও কাজ সেভাবে শুরু করতে পারেননি। উদ্ধারকাজ সম্পূর্ণরূপে শেষ না হওয়া পর্যন্ত তা করা সম্ভব নয় বলে জানালেন পার্থপ্রতিম বিশ্বাস। কীভাবে তাঁরা কাজ করবেন, তাও জানিয়েছেন।

Advertisement

ঠিক কী কী গলদ ছিল তারাতলার ভেঙে পড়া বিল্ডিংয়ে, তা বিশদে জানতে কলকাতা পুলিশ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সাহায্য চেয়েছে। সূত্রের খবর, এই মর্মে উপাচার্যের কাছে এনিয়ে অনুরোধ জানানো হয়। সেই অনুরোধ মেনে কনস্ট্রাকশন বিভাগের বর্ষীয়ান ইঞ্জিনিয়ার পার্থপ্রতিম বিশ্বাসের নেতৃত্বে ৫ জনের একটি টিম তৈরি করে তারাতলায় পাঠানো হয়। পার্থপ্রতিম বিশ্বাসের নেতৃত্বাধীন এই টিমে রয়েছেন আর্কিটেকচার মৈনাক ঘোষ, মেটালার্জি ও মেটিরিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অধ্যাপক মহম্মদ বশিরউদ্দিন শেখ, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দীপঙ্কর চক্রবর্তী ও সম্রাট সেনগুপ্ত।

তারাতলায় ভেঙে পড়া বাণিজ্যিক ভবনটি আসলে তৈরি হচ্ছিল গুদাম ও হিমঘর। কিন্তু তার পরতে পরতে নকশায় ত্রুটি। ঠিক কী কী গলদ ছিল, তা বিশদে জানতে কলকাতা পুলিশ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সাহায্য চেয়েছে। সূত্রের খবর, এই মর্মে উপাচার্যের কাছে এনিয়ে অনুরোধ জানানো হয়। সেই অনুরোধ মেনে কনস্ট্রাকশন বিভাগের বর্ষীয়ান ইঞ্জিনিয়ার পার্থপ্রতিম বিশ্বাসের নেতৃত্বে ৫ জনের একটি টিম তৈরি করে তারাতলায় পাঠানো হয়। পার্থপ্রতিম বিশ্বাসের নেতৃত্বাধীন এই টিমে রয়েছেন আর্কিটেকচার মৈনাক ঘোষ, মেটালার্জি ও মেটিরিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অধ্যাপক মহম্মদ বশিরউদ্দিন শেখ, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দীপঙ্কর চক্রবর্তী ও সম্রাট সেনগুপ্ত।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
তারাতলায় এখন শুধুই ভাঙাচোরা কংক্রিট, শনিবার দুপুরে। নিজস্ব ছবি

শনিবার দুপুরে দুর্ঘটনাস্থল ঘুরে দেখে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বিশেষজ্ঞ ইঞ্জিনিয়াররা। পার্থপ্রতিম বিশ্বাস জানান, ‘‘আমরা এখানে এসে দেখলাম ঠিকই, কিন্তু উদ্ধারকাজ যতক্ষণ না পুরোপুরি শেষ হচ্ছে, ততক্ষণ কিছু করা যাচ্ছে না। এখনও এখান থেকে পচা গন্ধ বেরচ্ছে, সম্ভবত কিছু দেহাংশ আটকে আছে। পুলিশ আমাদের সাহায্য চেয়েছে। সেইমতো উপচার্যের অনুমতি নিয়ে আমরা ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৫জন এসেছি। দুটি পর্যায়ে কাজ হবে। উদ্ধারকাজ শেষের পর আমরা আবার এখানে এসে সব দেখব। তারপর এখান থেকে কিছু নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করব। মাটি পরীক্ষাও হবে। সেসব দেখে তারপর রিপোর্ট দিতে পারব।” যদিও শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত শনিবার দুপুর ২টো নাগাদ উদ্ধারকাজে আপাতত ইতি টেনেছে পুলিশ, দমকল, এনডিআরএফ, সেনা। পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, ধ্বংসস্তূপে আর কেউ আটকে নেই। এবার হয়তো কাজ শুরু করবেন বিশেষজ্ঞ ইঞ্জিনিয়াররা।

Advertisement
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন