তারাতলা বিভীষিকা
Taratala Disaster

তারাতলার গুদাম নির্মাণে ‘কুখ্যাত’ আসগর, বিপর্যয়ের বহু আগেই বন্দর কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিল বাম কর্মী ইউনিয়ন

মহম্মদ সেলিমের দাবি, দাবি, 'কুখ্যাত' আসগরের কথা উল্লেখ করে গত ১১ জুন নাকি সিপিএমের শ্রমিক সংগঠন বন্দর কর্মী ইউনিয়নের তরফে কলকাতা বন্দর কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৪, ২০২৬, ২৩:৪৪

options
link
তারাতলার গুদাম নির্মাণে ‘কুখ্যাত’ আসগর, বিপর্যয়ের বহু আগেই বন্দর কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিল বাম কর্মী ইউনিয়ন
তারাতলায় গোডাউনে উদ্ধারকাজ। ফাইল ছবি

তারাতলার নির্মীয়মাণ গুদাম যে যেকোনওদিন কারও না কারও বিপদ ডেকে আনতে পারে, তা নাকি আগেই টের পাওয়া গিয়েছিল। বুধবার বিপর্যয়ের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এমনই বিস্ফোরক দাবি করলেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। তাঁর দাবি, ‘কুখ্যাত’ আসগরের কথা উল্লেখ করে গত ১১ জুন নাকি সিপিএমের শ্রমিক সংগঠন বন্দর কর্মী ইউনিয়নের তরফে কলকাতা বন্দর কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল।

Advertisement

সিপিএমের তরফে এই মর্মে একটি দু’পাতার চিঠি প্রকাশ্যে আনা হয়েছে। ওই চিঠিতে নাজিরাবাদের গুদামে শ্রমিকদের অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যুর কথা উল্লেখ করা হয়। এবং জানানো হয় ‘কুখ্যাত’ আসগার তারাতলায় গুদাম নির্মাণের ক্ষেত্রে শ্রমিক সুরক্ষার কথা মানছেন না। তবে সেই সময় উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেই অভিযোগ সেলিমের। এদিকে, কলকাতা বন্দর কর্তৃপক্ষের দাবি, এই ঘটনার দায় কলকাতা পুরসভার। বন্দরের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়ের দাবি, নির্মাণের জন্য জমির সত্ত্ব কেবল বন্দর কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হয়। নির্মাণের অনুমতি কলকাতা পুরসভা দিয়েছে। বলে রাখা ভালো, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন প্রাথমিকভাবে নকশায় কিছু ত্রুটি রয়েছে তাই এই বিপর্যয়। এই নকশার অনুমোদন দিয়েছিল কলকাতা পুরসভা। বৃহস্পতিবার বিধানসভায় এই মর্মে বিবৃতি জারি করবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। যে বা যাদের গাফিলতি এতগুলি মানুষের প্রাণ কাড়ল, তাদের কাউকে রেয়াত করা হবে না বলেই সাফ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার দেখাপর আগামিকাল বিধানসভায় দাঁড়িয়ে কী বলেন তিনি। আপাতত সেদিকেই নজর সকলের।

Advertisement

আর সে কারণেই তৃণমূল আমলে পাশ হওয়া বিল্ডিংয়ের নকশা খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু বলেন, “কলকাতা পুর এলাকায় বাণিজ্যিক, জলাশয় বুঝিয়ে হওয়া নির্মাণগুলি আপাতত ৩১ জুলাই পর্যন্ত কাজ বন্ধ থাকবে। পিডব্লুডি, সিভিল ডিফেন্স, পুলিশ আর পুরসভা, দমকলের নেতৃত্বে একটি অডিট টিম গড়ে দেওয়া হবে। ওই টিম বিল্ডিং প্ল্যান, এলাকা পরিদর্শন করে সিদ্ধান্ত নেবে অনুমোদন ত্রুটিযুক্ত কিনা। তারপরই ফের শুরু হবে কাজ।” তবে হাসপাতাল, দমকল, মেট্রো, সেনা যেখানে কাজ করছে সেই জায়গাগুলি নির্মাণ বন্ধের আওতাধীন নয়।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.