Taslima Nasrin

রাতের কলকাতায় জ্বলজ্বল করছে তসলিমার হোর্ডিং, দেখে লেখিকা বললেন, ‘বাক স্বাধীনতার জয়’

২০০৭ সালে তসলিমার ‘দ্বিখণ্ডিত’ উপন্যাসের প্রকাশ ঘিরে উত্তাল হয়ে ওঠে কলকাতা। কট্টরপন্থার বিরুদ্ধে তাঁর আগুনঝরা কলমের ‘খোঁচা’য় সংখ্যালঘু এলাকাগুলিতে অশান্তি ছড়ায়। এতটাই অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে পরিস্থিতি যে তা সামলাতে সেনা নামাতে হয়েছিল। সে সময় রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান ছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৭, ২০২৬, ২৩:৫১

options
link
রাতের কলকাতায় জ্বলজ্বল করছে তসলিমার হোর্ডিং, দেখে লেখিকা বললেন, ‘বাক স্বাধীনতার জয়’
তসলিমা নাসরিন। ফাইল ছবি।

২০ বছর পর ‘মুক্ত’ বাংলায় পা রাখছেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক তসলিমা নাসরিন! আগামী ১ আগস্ট রবীন্দ্রসদনে মৌলবাদ বিরোধী কবি-সাহিত্যিকদের এক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন ‘নির্বাসিত’ লেখিকা। তার আগে শহরজুড়ে ছেয়ে গিয়েছে হোর্ডিং।

Advertisement

সোমবার রাতে সমাজমাধ্যমে কিছু ছবি শেয়ার করেছেন তসলিমা। সেখানে দেখা যাচ্ছে, গড়িয়াহাট, সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউতে টাঙানো হয়েছে লেখিকার সুবিশাল হোর্ডিং, যা দেখে আপ্লুত তসলিমা। তিনি লিখেছেন, ‘রাতের কলকাতা! আজ থেকে ১২ বছর আগে মেগাসিরিয়াল দুঃসহবাসের গল্প লিখেছিলাম বলে দুঃসহবাসের সব হোর্ডিং খুলে দেওয়া হয়েছিল। আকাশ ৮ থেকে দুঃসহবাসের সম্প্রচার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। আজকের এই নতুন হোর্ডিং খুলে নেওয়া হচ্ছে না। বাক স্বাধীনতার জয় এখানেই।’

Advertisement

Advertisement

২০০৭ সালে তসলিমার ‘দ্বিখণ্ডিত’ উপন্যাসের প্রকাশ ঘিরে উত্তাল হয়ে ওঠে কলকাতা। কট্টরপন্থার বিরুদ্ধে তাঁর আগুনঝরা কলমের ‘খোঁচা’য় সংখ্যালঘু এলাকাগুলিতে অশান্তি ছড়ায়। এতটাই অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে পরিস্থিতি যে তা সামলাতে সেনা নামাতে হয়েছিল। সে সময় রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান ছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। তিনি তাঁর নিজস্ব বৃত্তের অর্থাৎ বামমনস্ক সাহিত্যিকদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে তসলিমার বইটিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। কলকাতা ছাড়তে বলা হয় তাঁকে। যে বামপন্থীরা ধর্মনিরপেক্ষ বলে গর্ববোধ করে, সেই সরকারের আমলে এমন এক নিদর্শন নিঃসন্দেহে বাংলার সাহিত্য জগতে অন্ধকারময় অধ্যায়। তবে এবার রাজ্যে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার এক আলোকময় ঘটনার সূচনা করতে চলেছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.