অভিরূপ দাস: খাস কলকাতায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব! এলাকার যুবনেতাকে সপাটে চড় কষালেন মহিলা কাউন্সিলর। মঙ্গলবারের এই ঘটনায় তীব্র বিতর্ক দানা বেঁধেছে। যুবনেতার অভিযোগ, এলাকায় অসামাজিক কার্যকলাপের প্রতিবাদ করায় তাঁকে মারধর করেছেন কাউন্সিলর। এ প্রসঙ্গে দলের নেতা কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, ভিডিওর সত্যতা যাচাই করিনি। দলীয় নেতৃত্ব দেখবেন। এদের আচরণ সংযত হওয়া উচিত।
এদিন কলকাতা পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ড শোভাবাজার এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। জানা গিয়েছে, এলাকার কাউন্সিলর সুনন্দা দাস এলাকারই যুব নেতা কেদার দাসকে দেওয়ালে ঠেসে ধরে সপাটে চড় কষান। উপস্থিত অনেকে তাঁকে ছাড়াতে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। কিন্তু কী কারণে অশান্তি?
[আরও পড়ুন: প্রাথমিকে ৪২ হাজার নিয়োগ কীভাবে? মেয়াদ উত্তীর্ণ প্যানেল প্রকাশের নির্দেশ হাই কোর্টের]
কেদার দাসের অভিযোগ, এলাকায় গাঁজা, জুয়া, সাট্টার ঠেক চলছিল। তিনি এর প্রতিবাদ করেন। তখনই কাউন্সিলর সুনন্দা দাস তাঁকে মারধর করে বলে দাবি প্রহৃত যুবকের। তবে দুজনের দ্বন্দ্ব নতুন নয়। এর আগেও এলাকার কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ এনেছিলেন কেদার। সেই সময় কাউন্সিলর পালটা দাবি করেন, তাঁকে বদনাম করতেই এসমস্ত প্রচার করা হচ্ছে। এদিনর ঘটনা পুরনো সেই সমস্ত কাদা ছোড়াছুড়িকে ছাপিয়ে গেল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
এ প্রসঙ্গ তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ জানান, “এটা ঠিক নয়। কাউন্সিলর অভিভাবকের মতো শাসন করলেও এটা যথাযথ নয়। প্রকাশ্যে তাঁকে মারা হবে এই ধরণের দৃশ্য যথাযথ নয়। শুধু ভিডিও নয় আরও কিছু খবর আসছে। সেই সব ইস্যুর সমাধান হওয়া উচিত। জনপ্রতিনিধিদের সংযত হওয়া উচিত।”
[আরও পড়ুন: আর অনুরোধ নয়, রাজ্যপালের জবাব না পেলে নতুন বিধায়কদের শপথ পড়াবেন স্পিকারই]
সর্বশেষ খবর
-
আন্দোলনে উপচে পড়ছে নতুন প্রজন্মের ভিড়, তবু সিপিএমে বাড়ছে না সদস্য!
-
সিপিএম-আরএসপি দ্বন্দ্ব চরমে! চূড়ান্ত হলো না দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচনের প্রার্থী
-
‘নিখোঁজ’ বিডিও কীভাবে পাচ্ছেন বেতন? প্রশান্ত বর্মনের মামলায় সিআইডিকে ‘ভর্ৎসনা’ হাই কোর্টের
-
তসলিমার বক্তৃতা নিয়ে প্রশ্ন স্কুলের পরীক্ষায়! ‘লেখাকে অত সহজে নির্বাসিত করা যায় না’, খোঁচা লেখিকার
-
মণ্ডপের বদলে এবার গঙ্গাতেই প্রতিমা নিরঞ্জন, বিতর্ক কাটিয়ে এবার থিমে কোন চমক দেবে টালা প্রত্যয়?