প্রথম পাতা খেলা দেশ বিদেশ ই-পেপার
TMC Bank Accounts

কী কারণে আচমকা বন্ধ ৩ অ্যাকাউন্ট? প্রশ্ন তুলে কলকাতা হাই কোর্টে ‘কালীঘাট তৃণমূল’

সোমবার কলকাতা হাই কোর্টে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে মামলার অনুমতি চান তৃণমূলের আইনজীবীরা।

Advertisement ad
গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০২৬, ১৫:১৩

options
link
কী কারণে আচমকা বন্ধ ৩ অ্যাকাউন্ট? প্রশ্ন তুলে কলকাতা হাই কোর্টে ‘কালীঘাট তৃণমূল’ zoom
অ্যাকাউন্ট ফ্রিজের প্রশ্ন তুলে কলকাতা হাই কোর্টে কালীঘাট তৃণমূল।

আচমকাই ফ্রিজ করা হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট (TMC Bank Account)। যার জেরে স্বাভাবিকভাবেই আর্থিক সংকটে পড়েছে ‘কালীঘাট তৃণমূল’। কার অনুমতিতে এবং কী কারণে অ্যাকাউন্টগুলি বন্ধ হল, সেই প্রশ্নেই এবার কলকাতা হাই কোর্টের হস্তক্ষেপ চেয়ে দ্বারস্থ হয়েছে তারা।

সোমবার কলকাতা হাই কোর্টে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে মামলার অনুমতি চান তৃণমূলের আইনজীবীরা। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করায় খুব শীঘ্রই এই মামলার আনুষ্ঠানিক শুনানি শুরু হতে পারে।

সোমবার কলকাতা হাই কোর্টে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে মামলার অনুমতি চান তৃণমূলের আইনজীবীরা। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করায় খুব শীঘ্রই এই মামলার আনুষ্ঠানিক শুনানি শুরু হতে পারে। তৃণমূলের তিনটি অ্যাকাউন্ট মিলিয়ে রয়েছে মোট ৪৪০ কোটি টাকা। বিধাননগর দক্ষিণ থানায় ‘ঋতপন্থী’ ১০ তৃণমূল বিধায়কের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত বলে খবর। আপাতত ওই তিন অ্যাকাউন্টে কোনও লেনদেন করা যাবে না।

দিন কয়েক আগে তৃণমূলের কোষাধ্যক্ষ হিসাবে দলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার দাবিতে চিঠি লিখেছেন অরূপ বিশ্বাস। সেই চিঠিকে সমর্থন জানিয়েছিল ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেছিলেন, “ওই অ্যাকাউন্টে কাটমানির টাকা রয়েছে কি না, কে জানে। আমি অরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে সহমত। তদন্ত হওয়া উচিত।” এই প্রেক্ষাপটে শুক্রবার বিধাননগর দক্ষিণ থানায় ‘ঋতপন্থী’ ১০ তৃণমূল বিধায়ক অবিলম্বে অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার আর্জি জানিয়েছিলেন। তারপরই তদন্তে নেমে তৃণমূলের তিনটি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়। সোমবার এই মর্মে হাই কোর্টে যায় কালীঘাট তৃণমূল। এই আবহেই অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার সিদ্ধান্ত নিয়ে অরূপ বিশ্বাসকে শোকজ নোটিস পাঠায় তৃণমূল। চিঠির উত্তরে দলের অ্যাকাউন্টের লেনদেনের ইতিহাস নিয়ে সরব হন তিনি। আর্থিক লেনদেনে অনিয়মের কথা তুলে ধরেছেন। আগাম সই করা কয়েকটি চেক কোথায় ব্যবহার হয়েছে, তা নিয়েই ধন্দ প্রকাশ করেন অরূপ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন