ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। চতুর্থবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার গঠনের হাতছানি। আগের প্রতিটি নির্বাচনের চেয়ে আরও ভালো ফলাফলের লক্ষ্যে জোরকদমে নেমে পড়েছে শাসকদল। তার আগে দলকে তৃণমূল স্তর থেকে গুছিয়ে নিচ্ছে শীর্ষ নেতৃত্ব। প্রথম ধাপ হিসেবে সংগঠনের রদবদলের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করা হয়েছে। সূত্রের খবর, পারফরম্যান্সের ভিত্তিতেই ঠিক হবে, দলে কারা দায়িত্ব পাবেন। দলের ‘নিষ্ক্রিয়’ কর্মীদের উপর নেমে আসতে পারে শাস্তির খাঁড়া। কারা পাবেন পদ, কারাই বা খোয়াবেন, উৎসব মিটলে একমাসের মধ্যেই তা স্পষ্ট হয়ে যাবে।
২০১৪ সালের ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন, পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে দলের পদাধিকারীরা থাকবেন। কাজ না করলে বাদ পড়তে হবে। খুব দ্রুত সেই স্ক্রুটিনি শুরু হবে বলে জানিয়েছিলেন। সেই অনুযায়ী, গত কয়েকমাস ধরে দলের বিভিন্ন সাংগঠনিক জেলার নেতৃত্বের সঙ্গে লাগাতার বৈঠক করেছেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে যেসব জায়গায় দলের ফলাফল কম ভালো হয়েছে, সেখানকার সংগঠনে বেশি জোর দিয়েছেন। দলের ত্রুটি-বিচ্যুতি চিহ্নিত করে নেতানেত্রীদের সতর্ক করেছেন একাধিকবার। ছাব্বিশের ভোটে যাতে সেসব ভুলের পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে বিষয়ে ক্যামাক স্ট্রিটের রুদ্ধদ্বার বৈঠকে পরামর্শ দিয়েছেন অভিষেক।
সূত্রের খবর, দলে কাদের পারফরম্যান্স কেমন, কারাই বা দলে থেকে নিষ্ক্রিয় হয়ে বসে আছেন, সেই সমস্ত খবরাখবরই নখদর্পণে দলের সাধারণ সম্পাদকের। তার ভিত্তিতে সাংগঠনিক জেলাভিত্তিক রিপোর্টও তৈরি করে ফেলেছেন। তা জমা দেওয়া হয়েছে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। তিনিও সবটা দেখে নিয়েছেন। সূত্রের আরও খবর, উৎসবের মরশুম মিটলেই তৃণমূলে সেই রদবদলের কাজ শুরু হয়ে যাবে। স্পষ্ট হয়ে যাবে কোন পদে কে বহাল থাকছেন আর কারা শাস্তির আওতায়। ছাব্বিশে টার্গেট পূরণের জন্য এবার অন্তিম পর্যায়ের প্রস্তুতি শুরু করে দেবে শাসক শিবির।
সর্বশেষ খবর
-
ডিএমকের সঙ্গ ছাড়ল আরও এক জোটসঙ্গী, ‘নিঃসঙ্গ’ স্ট্যালিন কি এবার বিজেপির সঙ্গী?
-
যুদ্ধের রক্তচক্ষু-রাজনীতিতে বারবার প্রভাবিত বিশ্বকাপ! তবু জিতে গিয়েছে ফুটবল
-
পালিয়েও বাঁচলেন না, বাড়ি ফিরতেই তৃণমূল নেতাকে জুতোপেটা মহিলাদের! ভাইরাল ভিডিও
-
এবার সিনেপর্দায় জুবিনের স্মৃতিচারণ, জীবনীচিত্রতে অভিনয়ে টলিপাড়ার কোন কোন বাঙালি?
-
অভিন্ন দেওয়ানি বিধির উদ্দেশ্য সন্তানসংখ্যা নির্ধারণ? বিভ্রান্তি দূর করলেন শমীক ভট্টাচার্য