DA

সুপ্রিম নির্দেশ মেনে বকেয়া ডিএ দেবে রাজ্য, মিলবে মার্চেই, বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

ভোট ঘোষণার ঘণ্টাখানেক আগে X হ্যান্ডেলে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তাতে স্বাভাবিকভাবেই স্বস্তিতে সরকারি কর্মচারীরা। 

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৫, ২০২৬, ১৮:৪৯

options
link
সুপ্রিম নির্দেশ মেনে বকেয়া ডিএ দেবে রাজ্য, মিলবে মার্চেই, বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
মার্চেই বকেয়া ডিএ দেবে রাজ্য,জারি বিজ্ঞপ্তি।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী বকেয়া ডিএ দেবে রাজ্য সরকার। চলতি মাসেই অ্যাকাউন্টে মিলবে টাকা। ভোট ঘোষণার ঘণ্টাখানেক আগে X হ্যান্ডেলে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তাতে স্বাভাবিকভাবেই স্বস্তিতে সরকারি কর্মচারীরা। 

Advertisement

X হ্যান্ডেলে মমতা লেখেন, “সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রাখল মা-মাটি-মানুষের সরকার। রাজ্যের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের লক্ষ লক্ষ শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মী, পঞ্চায়েত, পুরসভা এবং অন্যান্য স্থানীয় কমিটির সদস্যদের এরিয়ার দেওয়া হবে। রাজ্যের অর্থদপ্তরের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ROPA ২০০৯ হিসাবে বকেয়া ডিএ পাবেন তাঁরা। মার্চ মাস থেকেই অ্য়াকাউন্টে ঢুকবে টাকা।”

Advertisement

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন আগেই রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্ট। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য। সেখানে বকেয়া ২৫ শতাংশ মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তার জন্য বেঁধে দেওয়া হয়েছিল ৬ সপ্তাহ সময়। কিন্তু সেই সময়ের মধ্যে বকেয়া ডিএ দেয়নি রাজ্য। বরং সুপ্রিম কোর্টের কাছে অতিরিক্ত ৬ মাস সময় চাওয়া হয়েছিল। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে শেষ হয়েছিল শুনানি। গত ৫ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি সঞ্জয় করোল ও বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চ সাফ জানান, ডিএ আইনি অধিকার, বকেয়া ডিএ দিতেই হবে। আদালত স্পষ্ট জানায়, বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ দু’দফায় মিটিয়ে দিতে হবে মে মাসের মধ্যে। তবে প্রথম কিস্তি দিতে হবে মার্চের ৩১ তারিখের মধ্যে।

তারপর যা বাকি থাকবে তার কতটা অংশ দেওয়া হবে, কতদিনের মধ্যে দিতে হবে, সেই সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেবে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বাধীন কমিটি। তবে সুপ্রিম রায় সত্ত্বেও এখনও ডিএ পাননি রাজ্য সরকারি কর্মীরা। রাজ্য সরকারের তরফে সুপ্রিম কোর্টে জানানো হয়, ডিএ দেওয়ার জন্য ৩ লক্ষ ১৭ হাজারে বেশি কর্মীর নথি খতিয়ে দেখতে হবে। ২০১৬ সালের আগে পর্যন্ত তাঁদের তথ্য ডিজিটাল নয়। বরং সার্ভিস বুক আকারে হাতে লেখা নথি রয়েছে। ফলে সেগুলি ডিজিটাইজ করতে সময় লাগছে। আবার তার উপর এসআইআরের ফলে রাজ্য সরকারের হাতে প্রশাসনিক আধিকারিকের সংখ্যাও অনেক কম। তাই প্রশাসনিক এবং প্রযুক্তিগত ত্রুটির কথা উল্লেখ করে ডিএ বকেয়া পরিশোধের সময়সীমা বৃদ্ধির আর্জি জানানো হয়েছে। রাজ্যের জানানো আর্জিতে হতাশ হয়ে শুক্রবার ধর্মঘটের ডাক দেয় সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। যদিও ধর্মঘট তেমন সফল হয়নি। রবিবার দাবিপূরণ হল সরকারি কর্মীদের। ২৫ শতাংশ বকেয়া ডিএ চলতি মাসেই দিয়ে দেওয়া হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.