Mamata Banerjee

আগামী ২১ এপ্রিল শালবনিতে জিন্দালদের তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের শিলান্যাস করবেন মমতা

'শিল্পের নতুন গন্তব্য বাংলা', বললেন মুখ্যমন্ত্রী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৭, ২০২৫, ১৬:২৭

options
link
আগামী ২১ এপ্রিল শালবনিতে জিন্দালদের তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের শিলান্যাস করবেন মমতা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ক্ষমতায় আসার পর থেকে বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনের আয়োজন করে রাজ্য সরকার। তার ফলে বাংলায় বিপুল বিনিয়োগও হয়েছে। যদিও তা স্বীকার করে না বিরোধীরা। তবে বিরোধীদের অভিযোগ ওড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  শুধু খাতায় কলমে নয়, রাজ্যে বিনিয়োগ যে বাস্তবেও হয়েছে, যেন তারই প্রমাণ দিলেন তিনি। আগামী ২১ এপ্রিল শালবনিতে জিন্দালদের তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের শিলান্যাস এবং তার পরদিন গোয়ালতোড়ে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী। তার ফলে বিপুল সংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান হবে বলেই আশায় বুক বাঁধছেন স্থানীয়রা।

Advertisement

বৃহস্পতিবার নবান্নে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মমতা বলেন, “শিল্পের নতুন গন্তব্য বাংলা। আগামী ২১ এপ্রিল দুপুর দুটোয় শালবনিতে জিন্দালদের তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের শিলান্যাস। যতদিন যাচ্ছে মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। তার ফলে চাহিদা বাড়ছে। আগে মানুষ এসি ব্যবহার করত না। এখন প্রায় সকলে করেন। ১১ শতাংশ বিদ্যুৎ ব্যবহার বেড়েছে। দেউচা পাচামি হয়ে গেলে আগামী ১০০ বছর সমস্যা থাকবে না। বিদ্যুতের দাম কমে যাবে। আমরা দাম বাড়াই না। সিইএসসি দাম বাড়ায়। এটা আমাদের হাতে নেই। যত পাওয়ার প্ল্যান্ট তত দামে ভারসাম্য আসবে।” বলে রাখা ভালো, শালবনিতে ৮০০ মেগাওয়াট করে ২টি প্ল্যান্ট তৈরি হচ্ছে। জিন্দালরা ১৬ হাজার কোটি টাকার উপর বিনিয়োগ করেছেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তিনি আরও বলেন, “সাগরদিঘিতে পাওয়ার প্ল্যান্টের কাজ চলছে। দুর্গাপুর, বক্রেশ্বরে পাওয়ার প্ল্যান্টের কাজ চলছে। সাঁওতালডিহিতেও চলছে। বাংলা জুড়ে অনেকগুলো পাওয়ার প্ল্যান্ট হচ্ছে। তার ফলে বাড়বে কর্মসংস্থান। আয়ও বাড়বে। এখন আর লোডশেডিং হয় না।” এরপর আগামী ২২ এপ্রিল দুপুর সাড়ে ১২টায় গোয়ালতোড়ে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জার্মানির এক সংস্থা এই প্রকল্পের জন্য ৮০ শতাংশ আর্থিক বিনিয়োগ করেছে। বাকি টাকা দিচ্ছে রাজ্য সরকার। ৭৫৭ কোটি টাকা বিনিয়োগে এই প্রকল্পটি তৈরি হয়েছে। এছাড়া ওইদিন ২৫টি দমকল কেন্দ্রের উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী। তার মধ্যে ১৫টি জগন্নাথ মন্দির উদ্বোধনের আগে সেগুলি যাবে দিঘায়। বাকি ১০টি থাকবে কলকাতায়। উল্লেখ্য,  ২০১১ সালে ক্ষমতায় এসেই মুখ‌মন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন কৃষি ও শিল্প – একসঙ্গে নিয়েই এগোবেন। সেকথাকে পাথেয় করে এগিয়ে রাজ্যে বেড়েছে কর্মসংস্থানও।  

Advertisement

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.