স্বচ্ছতাই মূল লক্ষ্য। তাই অন্নপূর্ণা যোজনায় (Annapurna Yojana) নতুন করে ফর্ম ফিল আপ করতে হবে প্রত্যেক মহিলাকে। যাঁরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পান, তাঁদেরও ফর্মপূরণ করতে হবে। বুধবার নবান্ন থেকে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্মপ্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সঙ্গে ছিলেন নারী ও শিশুকল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পল। মুখ্যমন্ত্রী জানান, মুখ্যসচিব, অর্থসচিবের নেতৃত্বে জেলাশাসক, বিডিও, পুর কমিশনাররাও যুক্ত থাকবেন এই কাজে। যাঁরা আধারের কাজ করেন, তাঁরাও যুক্ত থাকবেন অন্নপূর্ণা যোজনার কাজে।
এই বিষয়ে আরও খবর
শুভেন্দু জানান, আগামী ৯০ দিন ধরে অফলাইন ও অনলাইনে করা যাবে ফর্ম ফিলআপের কাজ। যাঁরা আগামী ২ জুনের মধ্যে ফর্ম ফিলআপ করতে পারবেন, তাঁরা ৩ তারিখ থেকেই অ্য়াকাউন্টে ৩ হাজার টাকা পাবেন। যাঁরা এই সময়ের মধ্যে ফর্ম ফিলআপ করতে পারবেন না, তাঁরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ১ হাজার ৫০০ টাকা করে পাবেন।
শুভেন্দু জানান, আগামী ৯০ দিন ধরে অফলাইন ও অনলাইনে করা যাবে ফর্ম ফিলআপের কাজ। যাঁরা আগামী ২ জুনের মধ্যে ফর্ম ফিলআপ করতে পারবেন, তাঁরা ৩ তারিখ থেকেই অ্য়াকাউন্টে ৩ হাজার টাকা পাবেন। যাঁরা এই সময়ের মধ্যে ফর্ম ফিলআপ করতে পারবেন না, তাঁরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ১ হাজার ৫০০ টাকা করে পাবেন। অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা ঢুকলেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাবে। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “একদিনে সকলে ফর্ম ফিলআপ করতে পারবেন না। তাড়াহুড়ো করবেন না। সকলেই পাবেন। আমাদের সরকার অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা দিতে চায়। আবার নানাবিধ স্কিমে যুক্ত করতে চায়। তাই ফর্মটিতে নানাবিধ তথ্য দিতে হবে।” মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, বর্তমানে ২ কোটি ২০ লক্ষ মহিলা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের আওতাভুক্ত। বেআইনিভাবে ৩০ লক্ষ মানুষ লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পান। বেআইনিভাবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার যাঁরা পান, তাঁদের ঝাড়াই বাছাই করা হবে বলেই জানান শুভেন্দু।
শহরাঞ্চলে পুরসভা, ওয়ার্ডভিত্তিক, বরো অফিসে ফর্ম ফিলআপের ব্যবস্থা থাকবে। গ্রামাঞ্চলে পঞ্চায়েত থেকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফর্ম ফিলআপ করা হবে। বিডিও অফিসে বিধায়কেরাও ফর্ম পূরণ করাবেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “অভারতীয়, আয়কর দেন, সরকারি বা সরকার পোষিত কোনও চাকরি করলে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাবেন না।” সম্প্রতি কেন্দ্রের আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে বাংলা। এদিন এই প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, “আয়ুষ্মান ভারতের ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন, পোর্টালে নাম নথিভুক্তকরণের কাজ শুরু করেছি। জুলাইতে সম্ভবত কার্ড দিতে পারব। যতক্ষণ না আয়ুষ্মান ভারতের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে, ততক্ষণ স্বাস্থ্য়সাথী থেকে কেউ বঞ্চিত হবেন না।”
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
মিরিকে ধস, জলমগ্ন আলিপুরদুয়ার, তোর্সায় বেড়েছে জল, বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গে দুর্ভোগে পর্যটকরা!
-
শিল্পের খরা কাটছে জঙ্গলমহলে! ইকো টুরিজমে ভরসা করে কর্মসংস্থানের ডাক ঝাড়গ্রামে
-
বাংলায় লিচু-বিপ্লব! অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সুবাদে আকাশপথে ভিনরাজ্যে মরশুমি ফল
-
বয়সকে তুড়িতে উড়িয়ে দুর্গম ‘মুকার বে’ শৃঙ্গ জয় ষাটোর্ধ্ব বসন্তর
-
গাড়িতে বোমা, প্রাক্তন প্রেমিকাকে অপহরণ করে ‘সহমরণে’র ফাঁদ, তারপর…



