মনোনয়নের অশান্তিতে আক্রান্ত সংবাদমাধ্যম, সাংবাদিকরা নিখোঁজ হওয়ায় চাঞ্চল্য

বহুক্ষণ নিখোঁজ ছিলেন প্রজ্ঞা সাহা ও আর্যভট্ট খান।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩১, ২০১৮, ১৩:৪৩

options
link
মনোনয়নের অশান্তিতে আক্রান্ত সংবাদমাধ্যম, সাংবাদিকরা নিখোঁজ হওয়ায় চাঞ্চল্য

দীপঙ্কর মণ্ডল: হাই কোর্টের নির্দেশে মনোনয়নের দিন বেড়েছে। তবে বাড়তি দিনেও অশান্তির আঁচ কমল না বাংলায়। সোমবার সকাল থেকেই রাজ্যের জেলায় জেলায় অশান্তির ছবি। আর সেই খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত সংবাদমাধ্যমও। একের পর এক সাংবাদিকের নিখোঁজ হওয়াকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ায়। তবে এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে সাংবাদিকরা পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেননি

Advertisement

 পঞ্চায়েত ভোটের মনোনয়ন LIVE: রক্তাক্ত সিউড়ি, রাজনৈতিক কর্মীর মৃত্যু ঘিরে তরজা ]

Advertisement

সোমবার বেলায় আচমকাই নিখোঁজ হয়ে যান আকাশ আট-এর সাংবাদিক প্রজ্ঞা সাহা। আলিপুর জেলাশাসকের অফিসের সামনে খবর সংগ্রহ করতে গিয়েছিলেন তিনি। হঠাই তাঁর ক্যামেরাম্যান তাঁকে খুঁজে পাচ্ছিলেন না। আশেপাশে কোথাও তাঁর দেখা মেলেনি। ফোন করা হলে প্রথমে ফোন কেটে দেওয়া হচ্ছিল। পরে ফোনটি নেটওয়ার্ক সীমার বাইরে চলে যায়। অভিযোগ, বেশ কিছু দুষ্কৃতীরা প্রজ্ঞাকে তুলে নিয়ে যায়। প্রায় ঘণ্টাখানেক তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। উদ্বেগ ও আশঙ্কা ছড়িয়ে পড়ে সাংবাদিকমহলে। খবর পেয়ে সক্রিয় হয় পুলিশ। প্রজ্ঞার ফোনে কল ট্র্যাক করে তাঁর হদিশ মেলে। বহুক্ষণ পরে ওই এলাকা থেকেই বিধ্বস্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় প্রজ্ঞাকে। অভিযোগ, খবর সংগ্রহ করার কারণেই দুষ্কৃতীরা তাঁকে চূড়ান্ত নিগ্রহ করেছে, হেনস্তা করা হয়েছে শারীরিকভাবেও। এরপরই আনন্দবাজার পত্রিকার সংবাদিক আর্যভট্ট খান নিখোঁজ হয়ে যান। ফের চাঞ্চল্য ছড়ায়। বেশ কিছুক্ষণ পর তাঁরও নাগাল মেলে। তবে তাঁর মোবাইল ও ঘড়ি দুষ্কৃতীরা কেড়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ. এক্ষত্রেও গুণ্ডাবাহিনি তাঁকে ঘিরে রেখেছে বলে অভিযোগ। একই ছবি দুর্গাপুরেও। সেখানেও মনোনয়নের খবর সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিক বিশেষত চিত্র সাংবাদিকদের ব্যাপক মারধর করা হয় বলে জানা যাচ্ছে।

Advertisement

[  ‘রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির অবস্থা’, দিলীপের দাবির পালটা ফিরহাদের ]

মনোনয়নের প্রথম পর্বেও আক্রান্ত হয়েছিল সংবাদমাধ্যম। বিপ্লব মণ্ডল নামে এক সাংবাদিককে নিগ্রহ করা হয়েছিল। অন্যদিকে মানস চট্টোপাধ্যায় নামে আর এক সাংবাদিককেও মেরে হাত ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। দুই ঘটনার প্রতিবাদেই একজোট হন সাংবাদিকরা। মিছিল করে বিক্ষোভ দেখানো হয়। যদিও তারপরও পরিস্থিতি একটুও বদলায়নি। এদিন দুই সাংবাদিকের নিখোঁজ হওয়াকে কেন্দ্র করে রীতিমতো ত্রস্ত বাংলার সাংবাদিকমহল। রাজ্য বিজেপি এই ঘটনার নিন্দা করলেও শাসকদলের তরফে কোনও বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.