প্রথম পাতা খেলা দেশ বিদেশ ই-পেপার
West Bengal Budget 2026

সমস্ত সামাজিক প্রকল্প অব্যাহত, দরিদ্রদের হাত শক্ত করাই লক্ষ্য, বাজেটে ঘোষণা অর্থমন্ত্রী স্বপনের

অন্নপূর্ণা যোজনায় বরাদ্দ ৩৬ হাজার কোটি। সেই প্রকল্পগুলি সমাজের গরিব শ্রেণির কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিল রাজ্য সরকার।

Advertisement ad
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০২৬, ১৩:৫৪

options
link
সমস্ত সামাজিক প্রকল্প অব্যাহত, দরিদ্রদের হাত শক্ত করাই লক্ষ্য, বাজেটে ঘোষণা অর্থমন্ত্রী স্বপনের zoom
বাজেট পেশ অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্তের

রাজ্যে চালু রয়েছে একাধিক সামাজিক প্রকল্প। নতুন সরকার আসার পর তা চলবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। বাজেটে অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন সমস্ত সামাজিক প্রকল্প অব্যাহত থাকবে। সেই প্রকল্পগুলির মূল লক্ষ্য হবে দরিদ্রদের হাত শক্ত করা। সোমবার পূর্ণাঙ্গ বাজেটে জানালেন অর্থমন্ত্রী।

বিজেপি সরকার গঠনের পর প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট (West Bengal Budget 2026) পেশ হল। সেই বাজেটে জানানো হল, আগে থেকে চালু সব প্রকল্প চালু থাকবে। আগের সরকারে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারকে বদলে অন্নপূর্ণা যোজনা করা হয়েছে। ৩ হাজার মাসিক অনুদান পাচ্ছেন মহিলারা। সেই প্রকল্পে চলতি বছরে ৩৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের বদলে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প নিয়ে আসা হয়েছে। সেই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন পরিযায়ী শ্রমিকরা। এই প্রকল্পে ৩,১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

নতুন কিছু প্রকল্পও আনা হয়েছে যেমন, উচ্চশিক্ষায় ড্রপআউট রুখতে অবিবাহিত ছাত্রীদের এককালীন ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হবে। পাশাপাশি গভবর্তীদের দেওয়া হবে এককালীন ২১ হাজার টাকা।

এছাড়াও অন্য যা প্রকল্প ছিল যেমন বয়স্ক ও বিবধা ভাতা, সেগুলিও চালু থাকছে। শুধু তাই নয়, এই ক্ষেত্রে ৫০০ টাকা করে ভাতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। মহিলাদের জন্য বিনামূল্যে বাস পরিষেবার জন্য ৫৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হল বাজেটে। নতুন কিছু প্রকল্পও আনা হয়েছে যেমন, উচ্চশিক্ষায় ড্রপআউট রুখতে অবিবাহিত ছাত্রীদের এককালীন ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হবে। পাশাপাশি গভবর্তীদের দেওয়া হবে এককালীন ২১ হাজার টাকা। আরও যা সামাজিক প্রকল্প আছে তা বহাল থাকবে। কিন্তু পাবেন কারা? অর্থমন্ত্রী সাফ জানিয়েছেন, গরিবদের মধ্যে এই প্রকল্পগুলি ছড়িয়ে দেওয়াই মূল লক্ষ্য।

বিগত সরকারের আমলে বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পের কোনও ‘ছাঁকনি’ ছিল না। অর্থাৎ রাজ্যের সকল বাসিন্দা সেই সুবিধা পেতেন। এমনকী মহিলাদের প্রকল্পের অর্থ ঢুকত পুরুষদের অ্যাকাউন্টেও। মনে করা হচ্ছে এবার সেই জায়গায় ‘ফিল্টার’ লাগানো হল। যাঁরা গরিব, যোগ্য, কেবল তাঁরাই প্রকল্প পাবেন বলে মনে করা হচ্ছে। এতে অর্থের অপচয় রোধ করা যাবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহল মহল। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন