DA

ডিএ দেওয়ার সময়সীমা বৃদ্ধির আবেদন, সুপ্রিম কোর্টে রিপোর্ট জমা রাজ্যের

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী যত তাড়াতাড়ি সম্ভব প্রথম কিস্তিতে বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ টাকা দিতে হবে সরকারি কর্মীদের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৭, ২০২৬, ১২:২৯

options
link
ডিএ দেওয়ার সময়সীমা বৃদ্ধির আবেদন, সুপ্রিম কোর্টে রিপোর্ট জমা রাজ্যের
বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ টাকা দেওয়ার সময়সীমা বাড়ানোর আর্জি রাজ্যের

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী যত তাড়াতাড়ি সম্ভব প্রথম কিস্তিতে বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ টাকা দিতে হবে সরকারি কর্মীদের। এই সময়সীমা বৃদ্ধির আর্জি জানিয়ে শীর্ষ আদালতে রিপোর্ট জমা দিল রাজ্য সরকার। কারণ হিসাবে, প্রযুক্তিগত, প্রশাসনিক জটিবকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আর একথা জানার পর আগামী ১৩ মার্চ রাজ্য জুড়ে সরকারি অফিসগুলিতে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারী সংগঠনের নেতানেত্রীরা।

Advertisement

দীর্ঘদিন আগেই রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্ট। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য। সেখানে বকেয়া ২৫ শতাংশ মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তার জন্য বেঁধে দেওয়া হয়েছিল ৬ সপ্তাহ সময়। কিন্তু সেই সময়ের মধ্যে বকেয়া ডিএ দেয়নি রাজ্য। বরং সুপ্রিম কোর্টের কাছে অতিরিক্ত ৬ মাস সময় চাওয়া হয়েছিল। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে শেষ হয়েছিল শুনানি। গত ৫ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি সঞ্জয় করোল ও বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চ সাফ জানান, ডিএ আইনি অধিকার, বকেয়া ডিএ দিতেই হবে। আদালত স্পষ্ট জানায়, বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ দু’দফায় মিটিয়ে দিতে হবে মে মাসের মধ্যে। তবে প্রথম কিস্তি দিতে হবে মার্চের ৩১ তারিখের মধ্যে। তারপর যা বাকি থাকবে তার কতটা অংশ দেওয়া হবে, কতদিনের মধ্যে দিতে হবে, সেই সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেবে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বাধীন কমিটি। তবে সুপ্রিম রায় সত্ত্বেও এখনও ডিএ পাননি রাজ্য সরকারি কর্মীরা।

Advertisement

রাজ্য সরকারের তরফে সুপ্রিম কোর্টে জানানো হয়, ডিএ দেওয়ার জন্য ৩ লক্ষ ১৭ হাজারে বেশি কর্মীর নথি খতিয়ে দেখতে হবে। ২০১৬ সালের আগে পর্যন্ত তাঁদের তথ্য ডিজিটাল নয়। বরং সার্ভিস বুক আকারে হাতে লেখা নথি রয়েছে। ফলে সেগুলি ডিজিটাইজ করতে সময় লাগছে। আবার তার উপর এসআইআরের ফলে রাজ্য সরকারের হাতে প্রশাসনিক আধিকারিকের সংখ্যাও অনেক কম। তাই প্রশাসনিক এবং প্রযুক্তিগত ত্রুটির কথা উল্লেখ করে ডিএ বকেয়া পরিশোধের সময়সীমা বৃদ্ধির আর্জি জানানো হয়েছে। স্বাভাবিকভাবে রাজ্যের জানানো আর্জিতে হতাশ সরকারি কর্মীরা। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.