অর্ণব আইচ: পুলিশের ভয়ে বাড়ির ছাদ থেকে লাফ নারী পাচারকারীর। যদিও তাতেও পালাতে পারেনি সে। ওয়াহিদ গাজি নামে ওই অভিযুক্তকে ধরে ফেলে পুলিশ। তাকে আর জি কর হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে।
[ বার্ধক্যের নিঃসঙ্গতা কাটাতে শহরে স্বয়ম্বর সভা, বিয়ের বাঁধনে প্রবীণরা ]
আশ্চর্য পরিবারই বলতে হয়। বাবা, মেয়ে, মেয়ের সঙ্গী তিনজনই নাবালিকা পাচারের অভিযুক্ত। বাংলাদেশ থেকে কিশোরীদের কাজ দেওয়ার টোপ দিয়ে নিয়ে আসা হত. তারপর কলকাতার যৌনপল্লিতে বিক্রি করে দিত তারা। নিশা নামে মহিলা অভিযুক্ত ও তার সঙ্গী ওয়াহিদ গাজিকে গ্রেপ্তার করেছেন লালবাজারের গোয়েন্দারা। পুলিশ জানিয়েছে, গত ৮ মার্চ গোয়েন্দা পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে উত্তর কলকাতার সোনাগাছির যৌনপল্লিতে তল্লাশি চালিয়ে তিন বাংলাদেশি নাবালিকাকে উদ্ধার করে। তাদের কাছ থেকে জানা যায়, পাচারের মূলে রয়েছে নিশা নামে এক মহিলা ও তার সঙ্গী ওয়াহিদ। যদিও তখন তাদের সন্ধান মেলেনি। ওই নাবালিকাদের পাচারের অভিযোগে তখন মুর্শিদা ওরফে নিশার বাবা শওকত পৈলানকে গ্রেপ্তার করা হয়। সম্প্রতি গোয়েন্দাদের কাছে খবর আসে যে, দমদমের একটি বাড়িতে স্বামী-স্ত্রী সেজে রয়েছে নিশা ও ওয়াহিদ। গোয়েন্দারা ছদ্মবেশে গিয়ে তাদের বিষয়ে খোঁজখবর নেন।
[ পদ্ম বিরোধী বুদ্ধিজীবীদেরও পথে নামার ডাক বিজেপির ]
বুধবার গভীর রাতে শুরু হয় অপারেশন. গোয়েন্দারা গিয়ে ঘিরে ফেলেন দমদমের বাড়িটি। ঘরের ভিতর থেকে নিশাকে গোয়েন্দারা ধরে ফেলেন। পুলিশ দেখে ছাদের উপর চলে যায় সঙ্গী ওয়াহিদ। পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে ছাদ থেকে লাফ দেয় সে। কিন্তু পালানোর বদলে পায়ে আঘাত লেগে রাস্তায় পড়ে যায় ওই যুবক। আর উঠতে পারেনি। পুলিশ তাকে পাকড়াও করে হাসপাতালে ভরতি করে। তার উপর সারাক্ষণ নজর রাখা হচ্ছে। সে সুস্থ হলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে। ধৃত নিশাকে জেরা করে নারী পাচারকারী চক্রের অন্য মাথাদের সন্ধান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সর্বশেষ খবর
-
ব্যাটিং তাণ্ডবে দলীপে ৫৭ বছর পুরনো রেকর্ড ভাঙল বৈভব, অল্পের জন্য বাঁচল শচীনের নজির
-
কয়লা নিঃশেষের পথে! বিদ্যুৎ উৎপাদনে শক্তির উৎস হোক পারমাণবিক শক্তি
-
ভাতের পাতে বসতেই খুন! সম্পত্তির লালসায় দিদি-ভাই মিলে কুপিয়ে মারল জামাইবাবুকে
-
দ্রুত শুনানি চেয়েও সুরাহা হল না, হাই কোর্টে ধাক্কা ধর্ষণে অভিযুক্ত অভিষেক পোড়েলের
-
গৃহস্থের কোন ভুলে ঘন হয় না বাড়িতে পাতা দই? ৬টি বিষয়ে মাথায় রাখলেই কাজ হাসিল!