বাঙালির পাতে শসার জুড়ি মেলা ভার। গরমে শরীর জুড়োতে হোক, কিংবা স্যালাডের প্লেটে। শসা না থাকলে সবটাই যেন ফাঁকি। বারোমাসে বাঙালির খাদ্যাভাসে শসা যেন সর্বঘটের কাঁঠালি। গুরুপাক খাবার হজম থেকে শুরু করে ত্বকের যত্ন, সবেতেই অদ্বিতীয়ম। তবে, আজকাল বাজার থেকে শসা কিনে ঠকতে হয় বেশি। খাবার সময় মুখে পড়লেই তেতো। খাওয়ার পাশাপাশি নষ্ট হল টাকাও। তাই, বাজার করার সময় মাথায় রাখতে হবে কয়েকটি কৌশল। জেনে নিন না কেটেই তেতো শসা (Bitter Cucumber) চেনার সহজ ৭ উপায়।
আরও পড়ুন:

(১) শসার তেতো ভাবের মূল খলনায়ক হল ‘কিউকারবিটাসিন’ নামের এক কেমিক্যাল। এটি বোঁটা বা ডগার দিকে বেশি জমা থাকে। তাই শসার ডগা যদি খুব কুঁচকানো বা অতিরিক্ত গাঢ় সবুজ হয়, তবে সেটি না কেনাই ভালো।
(২) টাটকা শসার গায়ের রং সব জায়গায় সমান হয়। কোথাও গাঢ় সবুজ আর কোথাও ফ্যাকাশে হলুদ হলে বুঝবেন গোলমাল আছে। এমন শসা তেতো হওয়ার ঝুঁকি বেশি। পুরো গাঢ় সবুজ শসাই কিনুন।
(৩) আঁকাবাঁকা বা খামখেয়ালি আকৃতির শসা এড়িয়ে চলুন। এক পাশ খুব মোটা আর অন্য পাশ সরু হলে বুঝবেন গাছটি ঠিকমতো পুষ্টি পায়নি। সমান ও সোজা শসাই মিষ্টি ও রসালো হয়।

(৪) কেনার সময় হাত দিয়ে শসা আলতো চেপে দেখুন। যদি কোথাও নরম বা বেশি বসা লাগে, তবে সেটি বাদের খাতায় ফেলুন। পুরো শসাটি সমান শক্ত ও টানটান হওয়া জরুরি।
(৫) বোঁটার অংশ একটু শুঁকে দেখুন। তাজা শসা থেকে হালকা মিষ্টি গন্ধ বেরোবে। গন্ধ যদি ঝাঁঝালো বা বিদঘুটে লাগে, তবে হাত না দেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

(৬) খোসা যদি চামড়ার মতো মোটা ও শক্ত হয়, তবে তা তেতো হতে পারে। কম জল পাওয়া বা রাসায়নিকের প্রভাবেই শসার চামড়া মোটা হয়। হালকা ও পাতলা খোসার শসাই সেরা।
(৭) অনাবৃষ্টি বা জলের অভাব হলে শসার গায়ে ধারালো কাঁটা জন্মায়। কাঁটা বেশি বড় ও তীক্ষ্ণ হলে সেই শসা মিষ্টি হয় না। যে শসার ত্বক মসৃণ বা কাঁটা ভোঁতা, সেটাই কিনুন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
পুকুরে ভেসেই কাটছিল জীবন! অনন্ত আম্বানির হস্তক্ষেপে মুম্বইয়ে চিকিৎসা পাচ্ছে মুর্শিদাবাদের সেই ইকবাল
-
এবার রাজ্য ও জাতীয় টেবিল টেনিস দলকে স্পনসর করবে রাজ্যের পর্যটন দপ্তর! বড়সড় ইঙ্গিত মন্ত্রীর
-
জলে ভেসেই ইউএসজি, রক্ত পরীক্ষা! দুর্গম দ্বীপ থেকে হাসপাতালে নিয়ে আসবে ফ্লোটিং অ্যাম্বুল্যান্স
-
শুধু ব্রাজিল নয়, বিশ্বকাপ মাতানো কেপ ভার্দের বিরুদ্ধেও খেলবে ভারত! মেগা পরিকল্পনা ফেডারেশনের
-
বাতিল নিয়োগ! ‘চাইলে বিয়ে ভাঙতে পারো’, চাকরি হারানোর আশঙ্কায় স্ত্রীকে বললেন ঝাড়খণ্ডের যুবক