Ghee Recipe

গন্ধে মাতবে পাড়া, খরচও যৎসামান্য! বাজার চলতি ভেজাল ভুলে বাড়িতেই বানান খাঁটি ঘি

গরম ভাতে এক চামচ ঘি আর কাঁচা লঙ্কা। বাঙালির আহার অসম্পূর্ণ থেকে যায় এই কম্বিনেশন ছাড়া। কিন্তু বর্তমান বাজারে খাঁটি ঘি মেলা ভার। চড়া দামে কেনা ঘিয়ে অনেক সময় রাসায়নিকের গন্ধ থাকে, আবার স্বাদেও মেটে না মন। উলটে ভেজালের ভয় পিছু ছাড়ে না। অথচ একটু সময় দিলে খুব কম খরচেই বাড়িতে বানিয়ে নেওয়া যায় একদম খাঁটি সুগন্ধী ঘি। কিন্তু কীভাবে বানাবেন? জেনে রাখুন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৫, ২০২৬, ১৮:১৮

options
link
গন্ধে মাতবে পাড়া, খরচও যৎসামান্য! বাজার চলতি ভেজাল ভুলে বাড়িতেই বানান খাঁটি ঘি
এভাবে কম খরচে বাড়িতেই বানান খাঁটি ঘি। ছবি: সংগৃহীত

গরম ভাতে এক চামচ ঘি আর কাঁচা লঙ্কা। বাঙালির আহার অসম্পূর্ণ থেকে যায় এই কম্বিনেশন ছাড়া। কিন্তু বর্তমান বাজারে খাঁটি ঘি মেলা ভার। চড়া দামে কেনা ঘিয়ে অনেক সময় রাসায়নিকের গন্ধ থাকে, আবার স্বাদেও মেটে না মন। উলটে ভেজালের ভয় পিছু ছাড়ে না। অথচ একটু সময় দিলে খুব কম খরচেই বাড়িতে বানিয়ে নেওয়া যায় একদম খাঁটি সুগন্ধী ঘি। কিন্তু কীভাবে বানাবেন? জেনে রাখুন।

Advertisement
Learn an easy homemade ghee recipe with minimal cost
ফাইল ছবি

প্রথম ধাপ
ঘি কতটা ভালো হবে তা নির্ভর করে দুধের গুণমানের ওপর। ঘি তৈরির জন্য সবসময় ফুল-ফ্যাট গরুর দুধ ব্যবহার করা উচিত। সম্ভব হলে খাটালের টাটকা দুধ নিন। বাজারে চলতি টোনড বা ডাবল টোনড দুধে ফ্যাটের পরিমাণ নামমাত্র থাকে। ফলে ঘি কম হয় এবং গন্ধও তেমন খোলতাই হয় না। দেশি গরুর দুধ হলে সবথেকে ভালো। এতে প্রাকৃতিক ফ্যাটের মাত্রা বেশি থাকে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

দ্বিতীয় ধাপ
ঘি তৈরির মূল ভিত্তি হল দুধের সর বা মালাই। রোজ দুধ ফুটিয়ে নেওয়ার পর তা ঘরের তাপমাত্রায় ঠান্ডা হতে দিন। এরপর পাত্রটি ফ্রিজে ঢুকিয়ে রাখুন অন্তত ৩-৪ ঘণ্টা। এতে দুধের ওপর মোটা সরের আস্তরণ পড়বে। সেই সর সাবধানে তুলে একটি বায়ুরোধী পাত্রে জমিয়ে রাখুন। ৫-৭ দিন এভাবে সর জমালেই ঘি তৈরির মতো যথেষ্ট পরিমাণ ক্রিম জমে যাবে। মনে রাখবেন, সরের পাত্রটি সবসময় ফ্রিজার বা ফ্রিজের ঠান্ডা অংশে রাখবেন যাতে পচন না ধরে।

Advertisement
an easy homemade ghee recipe
ছবি: সংগৃহীত

তৃতীয় ধাপ
জমানো মালাই ফ্রিজ থেকে বের করে ঘরের তাপমাত্রায় আসতে দিন। এবার মিক্সার বা হ্যান্ড বিটার দিয়ে ভালো করে ফেটিয়ে নিন। কিছুক্ষণ ফেটানোর পরেই দেখবেন জল এবং মাখন আলাদা হয়ে যাচ্ছে। এই অংশটিই হল নবনীত বা মাখন। মাখন আলাদা হওয়ার পর তা পরিষ্কার ঠান্ডা জলে অন্তত দু-তিনবার ধুয়ে নিন। মাখনের গায়ে লেগে থাকা দুধের সাদাটে ভাব চলে গেলে ঘি দীর্ঘদিন ভালো থাকে, সহজে নষ্ট হয় না।

শেষ ধাপ
কড়া আঁচে নয়, ঘি তৈরি করতে হয় ধৈর্য ধরে ধীর আঁচে। পরিষ্কার মাখন একটি ভারী তলার কড়াইতে বসিয়ে দিন। মাঝারি আঁচে ক্রমাগত নাড়তে থাকুন। কিছুক্ষণ পর মাখন গলে ফেনা হতে শুরু করবে। আস্তে আস্তে ফেনা কমে ঘি স্বচ্ছ হতে শুরু করবে। যখন দেখবেন কড়াইয়ের নিচের তলানি বা ‘খোয়া’ লালচে সোনালি হয়ে আসছে এবং ঘি থেকে একটা সুন্দর গন্ধ বেরোচ্ছে, তখনই বুঝবেন ঘি প্রস্তুত।

Learn an easy homemade ghee recipe
ছবি: সংগৃহীত

বিশেষ টিপস
ঘি জ্বাল দেওয়ার শেষ পর্যায়ে একটি তেজপাতা বা সামান্য একটু এলাচ দিয়ে দিতে পারেন, এতে গন্ধ আরও বাড়ে। ঘি হয়ে গেলে নামিয়ে নিয়ে হালকা ঠান্ডা করে কাচের পাত্রে ছেঁকে রাখুন। দেখবেন দীর্ঘ কয়েক মাস আপনার ঘর খাঁটি ঘি-এর গন্ধে ভরে থাকবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.