Healthy Gajar Halwa Recipe

ডায়েট ফ্রেন্ডলি গাজরের হালুয়া! ‘সোনার পাথরবাটি’ নয়, ৩টি বিষয় মাথায় রাখলে বানানো যায় সহজেই

স্বাস্থ্যকরভাবে বানালেও গাজরের হালুয়া আদতে ডেজার্ট। তাই ততটুকুই খাওয়া ভালো যতটুকুতে সুগার ক্রেভিং মেটে। পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে স্বাস্থ্য রক্ষা করা যাবে না কোনওভাবেই।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩০, ২০২৬, ১৪:২৪

options
link
ডায়েট ফ্রেন্ডলি গাজরের হালুয়া! ‘সোনার পাথরবাটি’ নয়, ৩টি বিষয় মাথায় রাখলে বানানো যায় সহজেই
স্বাদে তেমন তফাৎ নেই, তবে পুষ্টিগুণ রয়েছে অনেকখানি।

গাজরের হালুয়া দেখলে কিছুতেই থামিয়ে রাখতে পারেন না নিজেকে, আবার শরীরের চিন্তায় ভ্রুতে ভাঁজও পড়ে! কী করা যায় এমন পরিস্থিতিতে? শরীর বাঁচিয়ে কি কোনওভাবেই মুখে চালান করা যায় না সবচাইতে প্রিয় ডেজার্টটি ?

Advertisement

ডায়েটেশিয়ানরা অবশ্য জানাচ্ছেন, চাইলে গাজরের হালুয়াকেও বানানো যাবে স্বাস্থ্যকর উপায়ে (Healthy Gajar Halwa Recipe)। তাতে মনও ভরবে শরীরের ক্ষতি না করেই। আহামরি কিছু তফাৎ হবে না স্বাদে, সামান্য কয়েকটি বদল করতে পারলেই সুস্বাদু গাজরের হালুয়া রেডি!

Advertisement

Healthy homemade Gajar Halwa

Advertisement

কীভাবে বানাবেন? জেনে নিন সহজ পদ্ধতি

উপকরণ
• ৫০০ গ্রাম টাটকা গাজর
• ২ কাপ দুধ (স্বাস্থ্যকর রেসিপি মানতে চাইলে স্কিম মিল্ক বা লো-ফ্যাট মিল্ক কিনতে হবে)
• ২-৩ টেবিলচামচ খেজুরের গুড় (স্বাস্থ্যকর রেসিপিতে চিনি বাদ দিতে হবে পুরোপুরিভাবে)
• ১ চা-চামচ ঘি (যতটুকু না হলে নয়, ততটুকুই ব্যবহার করতে হয় এক্ষেত্রে)
• ২ টেবিলচামচ কুচনো বাদাম ও কাজু
• ১ টেবিলচামচ কিশমিশ
• অর্ধেক চা-চামচ এলাচ গুঁড়ো

প্রণালী
প্রথমে গাজরগুলো ভালো করে ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে কুরিয়ে নিন। একটি পাত্রে সামান্য ঘি গরম করে কুরানো গাজর দিয়ে কয়েক মিনিট নাড়াচাড়া করুন। এরপর দুধ ঢেলে মাঝারি আঁচে ফুটতে দিন। গাজর নরম হয়ে, দুধ বেশ খানিকটা শুকিয়ে এলে খেজুরের গুড় দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। আরও কয়েক মিনিট ফুটুক। শেষে এলাচ গুঁড়ো, কুচোনো বাদাম, কাজু ও কিশমিশ দিয়ে নামিয়ে নিন। ব্যাস, গাজরের হালুয়া তৈরি! খাবারের শেষ পাতে পরিবেশন করুন। অথবা এমনি এমনিই বাটি ভর্তি গাজরের হালুয়ার ট্রিট দিন নিজেকে।

Delicious and nutritious Gajar Halwa

ডায়েট-ফ্রেন্ডলি হালুয়া তৈরিতে কোন কোন বিষয়গুলি মাথায় রাখতে হবে?

১. রিফাইন্ড সুগারের বদলে কেবলমাত্র খেজুরের গুড় ব্যবহার করুন। তবে তাতেও মিষ্টি রয়েছে, তাই যত সম্ভব কমেই কাজ চালাতে হবে।

২. স্বাদ ও গন্ধের জন্য এক চা-চামচ ঘিই যথেষ্ট। বেশি ঘি ব্যবহার করলে হালুয়ার ক্যালোরি কাউন্ট অনেকটাই বেড়ে যায়।

৩. লো-ফ্যাট দুধ ব্যবহার করলে একই সঙ্গে দুধের প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম পাওয়া যায় আবার ফ্যাটের পরিমাণ এড়িয়েও চলা যাবে।

স্বাস্থ্যকরভাবে বানালেও গাজরের হালুয়া আদতে ডেজার্ট। তাই ততটুকুই খাওয়া ভালো যতটুকুতে সুগার ক্রেভিং মেটে। পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে স্বাস্থ্য রক্ষা করা যাবে না কোনওভাবেই।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.