Janmashtami

জন্মাষ্টমীতে গোপালের মিষ্টিমুখ হোক মথুরার প্যাঁড়া আর তালের মালপোয়ায়, রইল রেসিপি

ঝটপট জেনে নিন দুটি রেসিপি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৮, ২০২৫, ২০:৩৯

options
link
জন্মাষ্টমীতে গোপালের মিষ্টিমুখ হোক মথুরার প্যাঁড়া আর তালের মালপোয়ায়, রইল রেসিপি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জন্মাষ্টমী মানেই হেঁশেল থেকে ভেসে আসা তালের বড়া কিংবা এলাচ-সহযোগে মিষ্টান্নের গন্ধ। বাড়িময় ম-ম করা মিষ্টির সুবাস। কিন্তু এবার যদি একটু কম মিষ্টিতে মিষ্টি বানাতে চান, তাহলে ঝটপট জেনে নিন দুটি রেসিপি। আর এবার না হয় গোপু সোনাকে তালের বড়ার পরিবর্তে তালের মালপোয়াই নিবেদন করুন। সঙ্গে রইল মথুরা স্পেশাল প্যাঁড়ার রেসিপিও।

Advertisement

তালের মালপোয়া

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

Advertisement

উপকরণ
পরিমাণমতো ময়দা, চিনি, সুজি, এলাচ গুঁড়ো, দুধ, তাল।

প্রণালী
প্রথমেই পরিমাণমতে তালের কাত্থ তৈরি করে নিন। মনে রাখবেন, যেদিনকে বানাবেন, সেদিনকেই তালের কাত্থ তৈরি করুন। এ ব্যাপারে আগে থেকে তালের কাত্থ বানিয়ে রাখবেন না। কারণ, ফ্রিজে থাকলে তালের তাজাভাব নষ্ট হয়ে যাবে। একটি পাত্রে ময়দা, চিনি, সুজি এবং এলাচগুঁড়ো নিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এরপর একটি পাত্রে দুধ ভাল করে ফুটিয়ে নিন। দুধ ফুটে ঘন হয়ে গেলে, ওভেন থেকে দুধ নামিয়ে তাতে ময়দা, চিনি, সুজির মিশ্রণ দিয়ে দিন। এবার বড়চামচ দিয়ে সেই মিশ্রণ ভাল করে নাড়িয়ে নিন। এবার সেই মিশ্রণে তালের কাত্থ দিয়ে আবারও ভাল করে ফেটিয়ে নিন। লক্ষ্য রাখুন যেন তালের কাত্থ ভাল করে মিশে যায়। অন্য আরেকটি কড়াইতে গরম জলের মধ্যে চিনি দিয়ে রস তৈরি করুন। বড়মাপের কড়াইতে তেল দিয়ে গরম করুন। ময়দা, সুজি, চিনি, দুধ আর তালের ঘন করে রাখা মিশ্রণ একটি হাতায় করে মালপোয়ার পরিমাণ মতো তেলের মধ্যে দিতে থাকুন।

মালপোয়া লাল করে ভাজা হয়ে গেলে সেগুলি তুলে অন্য কড়াইতে রাখা চিনির রসের মধ্যে দিয়ে ডুবিয়ে রাখুন। কিছুক্ষণ চিনির রসের মধ্যে ডুবে থাকার পর পরিবেশন করুন তালের মালপোয়া।

মথুরার প্যাঁড়া

মথুরার প্যাঁড়া তৈরি করতে চিনির কোনও প্রয়োজন নেই। কারণ এই মিষ্টি ডায়াবেটিস রোগীদের রসনাতৃপ্তিতেই তৈরি করা হয়। প্যাঁড়া তৈরির জন্য প্রয়োজন ক্ষীরের। কীভাবে বানাবেন? ঝটপট জেনে নিন।

ক্ষীর হাতে নিয়ে ভালো করে ঘষতে থাকুন। তেল ছাড়লে বুঝবেন ক্ষীরের গুণগত মান সত্যিই ভালো। সঙ্গে প্রয়োজন দুধ, ছোট এলাচের গুঁড়ো, প্রয়োজনমতো সুগার ফ্রি, কাজুবাদাম, পেস্তা, কেশর এবং গোলাপ জল। একটি কড়াই নিন। স্টিল, অ্যালুমিনিয়ামের পরিবর্তে তা ননস্টিক হলেই ভালো। এবার তাতে ক্ষীর দিয়ে দিন। হালকা আঁচে তা নাড়াচাড়া করতে থাকুন। ক্ষীরের ভিতর একটু করে দুধ ঢালতে থাকুন। যতক্ষণ না পর্যন্ত ক্ষীর নরম হয়ে যাচ্ছে, ততক্ষণ তা নাড়াচাড়া করতে থাকুন। এবার একটি বাটিতে কেশর নিন। গরম দুধে কেশর নাড়াচাড়া করে নিন। কড়াইতে গরম ক্ষীরের মধ্যে কেশর দিন। সঙ্গে দিন প্রয়োজনমতো সুগার ফ্রি। ভালো করে নাড়তে থাকুন। এবার ওই মিশ্রণে ছোট এলাচের গুঁড়ো দিন। অল্প কাজু বাদাম, পেস্তা দিয়ে নাড়াচাড়া করুন। এবার গ্যাস বন্ধ করে গরম ক্ষীরের মিশ্রণটিকে অন্য পাত্র ঢেলে নিন। ক্ষীর ঠান্ডা হয়ে জমাট বাঁধা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। ঠান্ডা হয়ে যাওয়ার পর একে একে প্যাঁড়ার আকারে তৈরি করে নিন৷ উপরে একটা করে কাজু এবং পেস্তা দিয়ে সাজাতে পারেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.