সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পুজোবাড়ি মানে মিষ্টি থাকতে বাধ্য৷ কিন্তু ডায়াবেটিসের জন্য ডাক্তারের নির্দেশে আপনার মিষ্টি খাওয়া বারণ তাই তো? কিন্তু বাঙালি কি আর মিষ্টি ছাড়া রসনাতৃপ্তির কথা ভাবতে পারেন? তাই তো বারবার মন মিষ্টি মিষ্টিই করে৷ তবে মনখারাপ করবেন না৷ বরং বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন চিনি ছাড়া মিষ্টি৷ আপনার জন্য রইল মথুরার প্যাঁড়ার রেসিপি৷
মথুরার প্যাঁড়া তৈরি করতে চিনির কোনও প্রয়োজনীয়তা নেই৷ কারণ এই মিষ্টি ডায়াবেটিস রোগীদের রসনাতৃপ্তিতেই তৈরি করা হয়৷ প্যাঁড়া তৈরির জন্য প্রয়োজন ক্ষীরের৷ বাজার থেকে কেনার সময় হাতে একটু ক্ষীর নিন৷ তা ভাল করে ঘষতে থাকুন হাতে৷ তৈলাক্ত হয়ে গেলে বুঝবেন ক্ষীরের গুণগত মান সত্যিই ভাল৷ সঙ্গে প্রয়োজন দুধ, ছোট এলাচের গুঁড়ো, প্রয়োজনমতো সুগার ফ্রি, কাজুবাদাম, পেস্তা, কেশর এবং গোলাপ জল৷
একটি কড়াই নিন৷ স্টিল, অ্যালুমিনিয়ামের পরিবর্তে তা নন স্টিক হলেই ভাল৷ এবার তাতে ক্ষীর দিয়ে দিন৷ হালকা আঁচে তা নাড়াচাড়া করতে থাকুন৷ ক্ষীরের ভিতর একটু করে দুধ ঢালতে থাকুন৷ যতক্ষণ না পর্যন্ত ক্ষীর নরম হয়ে যাচ্ছে, ততক্ষণ তা নাড়াচাড়া করতে থাকুন৷
এবার একটি বাটিতে কেশর নিন৷ গরম দুধে কেশর নাড়াচাড়া করে নিন৷ কড়াইতে গরম ক্ষীরের মধ্যে কেশর দিন৷ সঙ্গে দিন প্রয়োজনমতো সুগার ফ্রি৷ ভাল করে নাড়তে থাকুন৷ এবার ওই মিশ্রণে ছোট এলাচের গুঁড়ো দিন৷ অল্প কাজু বাদাম, পেস্তা দিয়ে নাড়াচাড়া করুন৷ গ্যাস বন্ধ করুন৷ গরম ক্ষীরের মিশ্রণটিকে কড়াই থেকে অন্য পাত্র ঢেলে নিন৷
ক্ষীর ঠান্ডা হয়ে জমাট বাঁধা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন৷ ঠান্ডা হয়ে যাওয়ার পর একে একে প্যাঁড়ার আকারে তৈরি করে নিন৷ মিষ্টিগুলিকে আরও লোভনীয় করার জন্য কাজু এবং পেস্তা দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন৷ সুগার ফ্রি দিয়ে তৈরি এই মিষ্টি দেখে আপনার বাড়ির ডায়াবেটিক সদস্যের মুখের হাসি যে আরও চওড়া হবে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না৷
সর্বশেষ খবর
-
আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধেও চুনকাম! ১০৫০ দিন পর সিরিজ হার ভারতের, কেন খেলানো হল না বৈভবকে?
-
‘তোলাবাজি’র অর্থে মেয়ে-স্বামীর নামে সম্পত্তি, নির্বাচনী হলফনামায় তথ্য গোপন! তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ
-
অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে গ্রুপ থেকে বিদায়, বিশ্বকাপে স্বপ্নভঙ্গ ভারতের মেয়েদের
-
জুলাই গণহত্যা মামলায় ঢাকার প্রাক্তন কমিশনার-সহ ৩ পুলিশকর্মীর মৃত্যুদণ্ড
-
৭ মাস পর খুলছে কাঁকিনাড়া জুটমিল, শিল্পের পুনর্জাগরণে খুশি ৩০০০ শ্রমিক