Prescription Plus

চিকিৎসা জগতে ফের বিপ্লব, এবার ট্যাবলেটেই কুপোকাত হবে থ্যালাসেমিয়া!

জানুয়ারি ২০২৬ থেকেই আমেরিকায় মিলছে থল্যাসেমিয়ার এই নয়া ওষুধ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২, ২০২৬, ১৪:৫১

options
link
চিকিৎসা জগতে ফের বিপ্লব, এবার ট্যাবলেটেই কুপোকাত হবে থ্যালাসেমিয়া!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বছরের শুরুতেই চিকিৎসা জগতে নয়া চমক! এতকাল থল্যাসেমিয়ার প্রধান চিকিৎসা ছিল শরীরে রক্ত নেওয়া। কিন্তু এবার সেই কষ্ট থেকে মুক্তির পথ দেখাচ্ছে একটি ছোট্ট ট্যাবলেট। আমেরিকার ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (FDA) সম্প্রতি ‘মিটাপিভাট’ নামের একটি ওষুধের অনুমোদন দিয়েছে। এটিই বিশ্বে থল্যাসেমিয়ার রক্তাল্পতা বা অ্যানিমিয়া কমানোর প্রথম কোনও খাওয়ার ওষুধ।

Advertisement

US FDA Approves Thalassemia Pill: A Game-Changer for India’s Patients

Advertisement

কীভাবে কাজ করে এই ওষুধ?
থল্যাসেমিয়া একটি বংশগত রোগ। এতে শরীরে পর্যাপ্ত হিমোগ্লোবিন তৈরি হয় না। ফলে লোহিত রক্তকণিকা দ্রুত ভেঙে যায়। মিটাপিভাট হল একটি এনজাইম অ্যাক্টিভেটর। এটি লোহিত রক্তকণিকার শক্তি বাড়িয়ে দেয়। ফলে রক্তকণিকাগুলো রক্তে অনেক বেশি সময় ধরে বেঁচে থাকে। এতে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ে এবং ক্লান্তি কমে।

Advertisement

নয়া ওষুধে কী কী সুবিধা মিলবে?
১. এটি আলফা ও বিটা—উভয় ধরনের থল্যাসেমিয়াতেই কার্যকর।
২. রক্ত নিতে হয় এমন রোগী এবং যাঁদের রক্ত নিতে হয় না, সবাই এটি সেবন করতে পারবেন।
৩. পরীক্ষার ফল বলছে, এই ওষুধ খাওয়ার পর অনেক রোগীর রক্তের প্রয়োজনীয়তা কমেছে বা বন্ধ হয়েছে।
৪. বারবার রক্ত নিলে শরীরে যে অতিরিক্ত আয়রন জমে অঙ্গের ক্ষতি করে, তা থেকে রোগীরা মুক্তি পাবেন।US FDA Approves Thalassemia Pill: A Game-Changer for India’s Patientsভারতের জন্য এর গুরুত্ব
ভারতে থল্যাসেমিয়া আক্রান্তের সংখ্যা বিশাল। বিশিষ্ট হেমাটোলজিস্ট ডক্টর রাহুল ভার্গভ জানিয়েছেন, ভারতের মতো দেশে এই ওষুধ আশীর্বাদ হয়ে দেখা দেবে। এটি রক্ত নেওয়ার দীর্ঘ প্রতীক্ষা এবং শারীরিক জটিলতা কমিয়ে রোগীর জীবনযাত্রার মান বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে।

সতর্কতা কী?
ওষুধটি লিভারের ওপর কিছুটা প্রভাব ফেলতে পারে। তাই ব্যবহারের প্রথম ছ’মাস নিয়মিত লিভার পরীক্ষা করতে হবে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকেই ওষুধটি আমেরিকাতে পাওয়া যাচ্ছে। ভারতে এটি চালু করতে গেলে সরকারি ছাড়পত্র বা ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া (DCGI)-এর অনুমতির প্রয়োজন। ভারত সরকার উদ্যোগী হলে দেশের লক্ষ লক্ষ রোগী নতুন জীবনের আলো দেখতে পাবেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.