সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঘুম আসে, কিন্তু টানা থাকে না। মাঝ রাতে হঠাৎ করে ঘুম ভেঙে যায়। কোনও কারণ ছাড়াই। আর কিছুতেই আসতে চায় না। একটা নির্দিষ্ট সময়েই যেন ঘুমটা এমন বিশ্রীভাবে ভেঙে যায়। এটা কি স্বাভাবিক? না এর নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ আছে! আপনার শরীর কিংবা মনের ভিতরে কোনও রোগ বাসা বাঁধেনি তো?
[যে সাতটি কথা স্ত্রীর মুখ থেকে শুনতে চান পুরুষরা…]
রাত এগারোটা থেকে একটা- এই সময়ের মধ্যে যদি স্বাভাবিকভাবে আপনার ঘুম ভেঙে যায় তাহলে তা গলব্লাডারের ক্ষতি হতে পারে। সাধারণত মানসিকভাবে হতাশ হলে এভাবে ঘুম ভেঙে যায়। এই সময়ের ঘুম ফিরে পেতে হলে ক্ষমা করতে শিখুন। আর অবশ্যই নিজেকে ভালবাসতে জানুন।

রাত একটা থেকে ভোররাত তিনটে- এই সময়ের মধ্যে ঘুম ভাঙা মানে লিভারের অসুখে ভোগা। সাধারণত যাঁরা অল্পেতে রেগে যান এবং নিজেদের রাগের উপর যাঁদের কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই তাঁদের এই সময়ে ঘুম ভেঙে যায়। ঘুমোতে যাওয়ার আগে ঠান্ডা জল খাবেন। আর পারলে নিজের আবেগের উপর একটু নিয়ন্ত্রণ করতে শিখুন।

ভোররাত তিনটে থেকে পাঁচটা- এই সময়টাকে ব্রহ্ম মুহূর্ত বলে। অনেকেই এই সময়ের মধ্যে ওঠার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তবে আচমকা ঘুম ভেঙে গেলে তা ক্ষতিকর। ফুসফুসের পক্ষে খারাপ হতে পারে। আবার এমন সময় মনে অবসাদ আসার প্রবণতা বেশি থাকে। তাই এই সময়ে উঠলে সবার আগে দীর্ঘ নিঃশ্বাস নিন। ধ্যানের মাধ্যমে মনে আত্মবিশ্বাস আনুন। ভবিষ্যত নিয়ে আশাবাদী হতে শিখুন।

সকাল পাঁচটা থেকে সাতটা- সকালের এই সময়ের ঘুম ভাঙার অর্থ আপনার মনে অনেক দ্বিধা রয়েছে। গতে বাঁধা জীবন। সেই জীবনেই অভ্যস্ত আপনি। ঘুম ভাঙার পর একটি শরীরচর্চা করুন। প্রয়োজনে ভাল করে প্রাতরাশ সারুন। এতে প্রাতঃকৃত্য ভাল হবে। আর সারা দিন শরীর ও মন দুইই ভাল থাকবে।

[বাড়িতেই বানাবেন রসগোল্লা? থাকল সহজ নিয়ম]
সর্বশেষ খবর
-
ব্যাঙ্কের বাইরে এবার নিয়মিত টহল দেবে পুলিশ! নয়া নির্দেশিকা জারি লালবাজারের
-
যাত্রী সেজে গাড়িতে, ক্যাব চালকের মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে ফিল্মি কায়দায় ডাকাতি খাস কলকাতায়!
-
ইকবালের মতোই জলে ডুবে থাকে তার দিদি-বোনেরাও! ‘বাপমরা মেয়েগুলো’র চিন্তায় চোখে জল মায়ের
-
একজনের নামে ক’টা সিম কার্ড? আগস্টেই চালু হচ্ছে নয়া নিয়ম
-
রাতবিরেতে আচমকা পূর্ব বর্ধমানের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হানা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর! ঘেঁটে দেখলেন ওষুধের স্টক