অনেকেরই ধারণা ‘টেনিস এলবো’ রোগটি কেবল টেনিস খেলোয়াড়দের হয়। কিন্তু সাধারণ মানুষের মধ্যেও এই সমস্যা ব্যাপক হারে দেখা দিচ্ছে। মূলত হাতের অতিরিক্ত এবং বারবার একই ধরণের ব্যবহারের ফলে কনুইয়ের বাইরের দিকে যে তীব্র ব্যথা হয়, চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় তাকেই বলে টেনিস এলবো। রোগের কারণ ও নিরাময় নিয়ে আলোচনা করলেন ডাঃ দীপ চক্রবর্তী।
টেনিস এলবো কেন হয়?
আমাদের কনুই থেকে কবজি পর্যন্ত বিস্তৃত পেশিগুলোর অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে টেনডন বা কণ্ডরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বারবার হাত দিয়ে ভারী কিছু তোলা, মোচড়ানো বা টাইপ করার মতো কাজ করলে এই সমস্যা বাড়ে। খেলোয়াড় ছাড়াও গৃহিণী, রাজমিস্ত্রি, প্লাম্বার বা আইটি কর্মীদের মধ্যে এই রোগের প্রকোপ বেশি দেখা যায়।

প্রধান লক্ষণগুলো কী কী?
১) কনুইয়ের বাইরের দিকের হাড়ে তীব্র ব্যথা।
২) হাতের মুঠো শক্ত করতে বা কোনও জিনিস ধরতে গেলে কষ্ট হওয়া।
৩) চায়ের কাপ তোলা বা দরজার হাতল ঘোরানোর সময় যন্ত্রণা বেড়ে যাওয়া।
৪) হাতের শক্তি কমে যাওয়া এবং মাঝে মাঝে কবজি পর্যন্ত ব্যথা ছড়িয়ে পড়া।
চিকিৎসা ও প্রতিকার
সঠিক সময়ে চিকিৎসা শুরু করলে এই রোগ পুরোপুরি সেরে যায়। এই ধরনের সমস্যায় বিশ্রাম প্রয়োজন। যন্ত্রণাদায়ক হাতের কাজ কয়েকদিনের জন্য বন্ধ রাখা জরুরি। দিনে ৩-৪ বার ব্যথার জায়গায় বরফ দিলে প্রদাহ কমে। এছাড়া ফিজিওথেরাপি দরকার। নির্দিষ্ট কিছু ব্যায়াম পেশিকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। টেনিস এলবো ব্যান্ড বা ব্রেস ব্যবহার করলে টেনডনের ওপর চাপ কম পড়ে।
অত্যধিক যন্ত্রণার ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যথানাশক ওষুধ বা ইনজেকশন দেওয়া হয়। নিয়মিত শরীরচর্চা এবং কাজের মাঝে বিরতি নিলে এই রোগ থেকে দূরে থাকা সম্ভব।
সর্বশেষ খবর
-
হড়পা বানে মৃত্যুমিছিল, নেপালে একতা চাইছেন ‘ভারতবিদ্বেষী’ বলেন্দ্র! নয়াদিল্লির পাঠানো ত্রাণ নেবেন?
-
যজ্ঞেই শয়তান তাড়ানোর কথা বলে ‘শ্লীলতাহানি’, গয়না নিয়ে উধাও সঙ্গিনী-সহ তান্ত্রিক
-
হড়পা বানে আটকে কৈলাসযাত্রী শিষ্যরা, বিধ্বস্ত নেপালে উদ্ধারকাজে নামতে চান সদগুরু!
-
রাজ্যে উড়ল প্যালেস্তাইনের পতাকা! ‘জাতীয় মর্যাদার সঙ্গে আপস নয়’, কড়া বার্তা শুভেন্দুর
-
হাতে হাত, রংমিলান্তি পোশাক, ফের একফ্রেমে রাজ-শুভশ্রীকে দেখে শান্তি ভক্তদের