‘সরি’ বলুন এভাবে, সঙ্গীর মানভঞ্জন হবেই হবে!

পাঁচ নম্বর উপায়টি জেনে রাখতেই হবে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১১, ২০১৮, ১৫:৪৮

options
link
‘সরি’ বলুন এভাবে, সঙ্গীর মানভঞ্জন হবেই হবে!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাধিকার মানভঞ্জনের জন্য অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছিল শ্রীকৃষ্ণকে। আধুনিক যুগের রাধিকারাও কিছু কম যান না। ছোটোখাটো ব্যাপারেই মুখ হাঁড়ি। আর তখন হালে পানি পেতে কালঘাম ছুটে যায় ছেলেদের। কিন্তু জানেন কি? কিছু সহজ উপায়ের প্রেমিকাকে বলা যায় ‘সরি’? তবে কখনও কখনও শুধু কথায় চিড়ে ভেজে না। তখন চাই অন্য উপায়।

Advertisement

আগে অনুভব করুন, পরে বলুন ‘সরি’:  শুধু মুখে বুলি ছোটালেই হবে না, আপনাকে মন থেকে ক্ষমাপ্রার্থী হতে হবে। তবেই মিলবে ক্ষমা। আর যদি শুধু কথার কথা হিসেবে ‘সরি’ বলেন, তাহলে কিন্তু মুশকিল। পার্টনার বুঝে যাবে আপনি লোক দেখানো দুঃখ প্রকাশ করছেন। তখন কিন্তু জলঘোলা হবে আরও।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[ আচমকা মাথায় ব্যথা শুরু হয়ে যায়? আপনার এই রোগটি নেই তো! ]

Advertisement

১) প্রথমে মাথা নোয়ান আপনিই: ইগো বড় বিষম বস্তু। সবসময় একে ঘাড়ে চাপতে দিলেই মুশকিল। জায়গা বিশেষে একে দূরে সরিয়ে রাখতে হয়। আর ক্ষমা চাওয়ার সময় তো বটেই। “কেন আমি আগে সরি বলব? কে আগে ঝগড়া শুরু করেছে?” এমন প্রশ্ন মনেও আনবেন না। কারণ করতালি কখনও একহাতে বাজে না। সে যেমন দোষী, আপনিও কিন্তু সমান পরিমাণে দোষী। সরি বলা মানে আপনি ছোট হয়ে যাবেন, এমন নয়। এর মানে, আপনি সবকিছু ভুলে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত।

২) কখনও ইমেল বা মেসেজে কখনও সরি বলবেন না: ক্ষমা চাওয়া সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত একটি বিষয়। ফলে ইমেল বা মেসেজে এসব করা একেবারেই ঠিক নয়। আপনার কথা ও উপস্থিতি এক্ষেত্রে বোনাস পয়েন্ট হিসেবে কাজ করে। আপনার কি মনে হয়? আপনি সামনাসামনি সরি বললে বরফ যতটা গলবে, ইমেল বা মেসেজে বললে ততটাই গলবে?

[ ডেস্কে বসে কাজ করেন? এই পাঁচ সহজ উপায়ে অফিসেই ঝরান অতিরিক্ত মেদ ]

৩) কথার থেকেও উপকারী কাজ: শুধু মৌখিকভাবে নয়। আপনি যে ক্ষমাপ্রার্থী, তা কাজেও করে দেখান। কারণ কাজ, কথার থেকেও বেশি প্রভাব ফেলে। যদি আপনি সত্যিই দুঃখিত হয়ে থাকেন, তবে এমন কিছু করুন যাতে সঙ্গীর মন তাড়াতাড়ি গলে। আর সুযোগ যদি পান, তাহলে আগুপিছু না ভেবে তার সদ্ব্যবহার করুন।

৪) ‘যদি’ ও ‘কিন্তু’ এড়িয়ে চলুন: কথা বলুন পরিষ্কারভাবে। ক্ষমা চাইলে, সেটিও পরিষ্কারভাবেই চান। ‘যদি’ ও ‘কিন্তু’র মতো শব্দ যেন আপনার কথার মধ্যে না আসে। এতে মনে হবে, আপনি ক্ষমাপ্রার্থী ঠিকই। তবে কোথাও সঙ্গীর দিকে আঙুল তুলছেন। এমন কখনই কাম্য নয়।

৫) সবচেয়ে ভাল ওষুধ চুমু: এর মতো ভাল ওষুধ দ্বিতীয়টি নেই। যে কোনও অভিমান গলে যায় এই ওষুধে। হাজার কথা বলুন, কিন্তু একটা চুমু যা ফল দেবে এক ঘণ্টা ধরে সরি বললেও সেই ফল মিলবে না। তাই সরি বলুন অবশ্যই। কিন্তু সেই সঙ্গে কপালে ছোট্ট একটা চুমু। এরপর রাধিকার মান ভাঙতে বাধ্য। আর ঠোঁটে হলে তো কথাই নেই।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.