শহিদ পরিবারের জন্য অনুদানে উপচে পড়ল ‘ভারত কে বীর’ ওয়েবসাইট

ধন্যবাদজ্ঞাপন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০১৯, ১৯:৩৩

options
link
শহিদ পরিবারের জন্য অনুদানে উপচে পড়ল ‘ভারত কে বীর’ ওয়েবসাইট

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলার পরে শহিদদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানোর ঢেউ উঠেছে দেশজুড়ে। তাঁদের পরিবারের সদস্যদের যাতে অর্থনৈতিকভাবে কোন অসুবিধা না হয় তার জন্য দেশের বড় বড় শিল্পপতিদের পাশাপাশি এগিয়ে এসেছেন প্রচুর সাধারণ মানুষও। এর ফলে থমকে যেতে বসেছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের ওয়েবসাইট “ভারত কে বীর”-এর কাজকর্ম।

Advertisement

তার জন্য তাদের পক্ষ থেকে সবাইকে ধন্যবাদ জানানোর সঙ্গে সঙ্গে সর্তকবার্তাও দেওয়া হয়েছে আজ। বলা হয়েছে, দেশের মানুষের সমবেদনার মনোভাবকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে কিছু অসৎ মানুষ। সরকারি ওয়েবসাইটের পাশাপাশি আরও কিছু ওয়েবসাইট খুলে অনুদান সংগ্রহ করছে তারা। যা কোনওভাবেই সরকারের দ্বারা অনুমোদিত নয়। তাই কেউ যদি শহিদের পরিবারগুলিকে আর্থিক সাহায্য দিতে চান তাঁকে শুধুমাত্র সরকারি ওয়েবসাইট bharatkeveer.gov.in-তেই তা দেবেন। প্রদেয় অনুদান আয়করমুক্ত হবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[বাবার ইউনিফর্ম পরেই শহিদ জওয়ানকে শেষ স্যালুট ২ বছরের ছেলের]

Advertisement

আরও জানানো হয়েছে, গত কয়েকদিন ধরে সরকারি ওয়েবসাইট ও অ্যাপের মাধ্যমে যেভাবে সাধারণ মানুষ শহিদদের পরিবারগুলিকে সাহায্যের জন্য এগিয়ে এসেছেন তা অভূতপূর্ব। এর জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক কৃতজ্ঞ। দেশের সহনাগরিকদের এই মনোভাবের ফলে কিছু কিছু সময়ে ওয়েবসাইটের কাজকর্ম ধীরগতিতে চলছে। আবার অনেক সময়ে তা খুলছেও না।

[সন্ত্রাস রুখতে একসুরে কথা বলবে দেশ, সিদ্ধান্ত সর্বদলীয় বৈঠকে]

বিএসএফ, সিআরপিএফ, সিআইএসএফ, আইটিবিপি, এনডিআরএফ, এনএসজি, এসএসবি ও অসম রাইফেলসের মতো সামরিক ও আধাসামরিক বাহিনীর যে জওয়ানরা দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে শহিদ হয়েছেন। তাঁদের পরিবারের জন্য আর্থিক সাহায্য সংগ্রহ করতে ভারত কে বীর নামে একটি ট্রাস্ট গঠন করেছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। যার দেখাশোনার ভার দেওয়া হয়েছে সিএপিএফগুলির ডিরেক্টরদের নিয়ে গঠিত একটি কমিটিকে।

গত বৃহস্পতিবার পুলওয়ামা জেলার অবন্তিপোরা দিয়ে যাওয়ার সময় সিআরপিএফ-র ৭৮টি গাড়ির কনভয় থাকা একটি বাসে বিস্ফোরক ভর্তি গাড়ি নিয়ে হামলা চালায় পাকিস্তানের মদতপুষ্ট জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গিরা। এই হামলার ফলে শহিদ হন ৪৯ জন জওয়ান। তারপর থেকেই শহিদদের প্রতি সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি তাঁদের পরিবারের সদস্যদের পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে এসেছেন সর্বস্তরের মানুষ। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়ে দেশজুড়ে বিক্ষোভ দেখানোর পাশাপাশি মোমবাতি মিছিলও বের করা হয় বিভিন্ন জায়গায়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন