সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এদেশে আকছাড় মোবাইল ফোন (Mobile Phone) চুরি হয়। এইসঙ্গে মোবাইল হারিয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটে থাকে। তা রুখতে এবার উদ্যোগী হল কেন্দ্র। এর জন্য একটি ‘লস্ট ফোন ট্র্যাকিং’ এবং ‘ব্লকিং সিস্টেম’ আনা হচ্ছে সরকারের তরফে। আগামী ১৭ মে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশেষ প্রযুক্তি লঞ্চ করা হবে গোটা দেশে। কেন্দ্রের দাবি, এই ট্র্যাকিং সিস্টেম চুরি যাওয়া এবং হারিয়ে যাওয়া ফোন খুঁজতে সাহায্য করবে।
এই ফোন ট্র্যাকিং এবং ব্লকিং পদ্ধতির পোশাকি ডাকনাম সিইআইআর (CEIR)। যা তৈরি করেছে ডিপার্টমেন্ট অফ টেলিম্যাটিকস। ইতিমধ্যে ফোন খুঁজতে দিল্লি, মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক এবং উত্তর পূর্ব ভারতে পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে সিইআইআর পদ্ধতি। এবার প্যান ইন্ডিয়ার জন্যও যা তৈরি বলে জানা গিটয়েছে। সেই কারণে আগামী ১৭ মে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশেষ প্রযুক্তি লঞ্চ করা হবে গোটা দেশে।
[আরও পড়ুন: চড়া রোদে ৭ কিলোমিটার হেঁটে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাতায়াত, সানস্ট্রোকে মৃত্যু অন্তঃসত্ত্বার]
ডিপার্টমেন্ট অফ টেলিম্যাটিকসের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, CEIR পদ্ধতি পুলিশকে হারানো বা চুরি হওয়া ফোন খুঁজে পেতে সাহায্য করবে। তাঁরা দাবি করেছেন, এই প্রযুক্তি ক্লোনড বা নকল মোবাইল শনাক্ত করতেও সিদ্ধহস্ত। ফলে কমবে ফোন সংক্রান্ত প্রতারণা। ফোনটি নকল এবং ক্লোন হলে সেই তথ্য গ্রাহককে জানাবে সিইআইআর পদ্ধতি। এর জন্য প্রত্যেকটি মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থাকে সরকারের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তাদের হ্যান্ডসেটগুলিতে ১৫ সংখ্যার ইউনিক নিউমেরিক আইডেন্টিফায়ার বা ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিটি (IMEI) নম্বর প্রকাশ করতে হবে। তা জানাতে হবে ফোন বিক্রি হওয়ার আগেই। যাতে ফোন চুরি গেল আইএমইআই নম্বক ব্যবহার করে সিইআইআর পদ্ধতিতে ফোনটিকে ট্র্যাক করা সম্ভব হয়।
[আরও পড়ুন: গুরুদ্বার চত্বরে বসেই মদ্যপানের ‘শাস্তি’! তরুণীকে গুলিতে ঝাঁঝরা করলেন ভক্ত]
সর্বশেষ খবর
-
রোগীর পরিজনদের ‘সাহায্য’ করার নামে প্রতারণা! এসএসকেএম থেকে পুলিশের জালে মহিলা দালাল
-
সীমান্তে সন্ত্রাসবাদীদের ডেরা, চলছে জাল আইডি তৈরি চক্র! শমীকের হুঙ্কার, ‘যে কোনও মূল্যে বন্ধ করবই’
-
মহিলা যাত্রী তুলতে অনীহা-হেনস্তা! অভিযোগ শুনতে চালু হেল্পলাইন, আর কী নির্দেশ অর্জুনের?
-
যেন মেয়েদের শচীন! এক ইনিংসেই জোড়া সর্বকালীন রেকর্ড স্মৃতির, এশিয়া কাপের সেমিতে ভারত
-
‘নো এন্ট্রি’ অথচ শহরে ঢুকছে বেআইনি ট্রাক! পুলিশের জালে সিন্ডিকেটের পান্ডা, নেপথ্যে কারা?