Elon Musk

মানুষের মস্তিষ্কে চিপ বসাবে মাস্কের সংস্থা! অনুমতি দিল মার্কিন প্রশাসন

বাঁদরের মস্তিষ্কে চিপ বসানোর পরীক্ষা আগেই হয়ে গিয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৬, ২০২৩, ১৭:২৬

options
link
মানুষের মস্তিষ্কে চিপ বসাবে মাস্কের সংস্থা! অনুমতি দিল মার্কিন প্রশাসন

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গত বছরই তিনি দাবি করেছিলেন ৬ মাসের মধ্যেই নতুন চমক দিতে চলেছেন তিনি। টুইটার কর্তা এলন মাস্কের (Elon Musk) দাবি ছিল, তাঁর সংস্থা নিউরোলিঙ্ক মানুষের মস্তিষ্কে কয়েনের আকারের চিপ প্রতিস্থাপন করে দেবে। মূলত অসুস্থ রোগীদের মস্তিষ্কেই এই প্রতিস্থাপন করা হবে। এর মাধ্যমে মানব মস্তিষ্ককে কম্পিউটারের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া যাবে। মাস্কের এমন দাবি ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। এবার নিউরোলিঙ্কের তরফে দাবি করা হল, মার্কিন প্রশাসনের অনুমতি পেয়ে গিয়েছে তারা।

Advertisement

নিউরোলিঙ্ক জানিয়েছে, মার্কিন খাদ্য ও ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা তথা FDA’র কাছ থেকে এই অনুমতি পাওয়াটা প্রযুক্তির পথে ‘এক গুরুত্বপূর্ণ প্রথম পদক্ষেপ’। স্বাভাবিক ভাবেই এই পরিস্থিতিতে উচ্ছ্বসিত ওই সংস্থা। তবে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের পথ এখনও খোলা যায়নি বলেই জানিয়েছে নিউরোলিঙ্ক। তবে প্রথমবার মানব মস্তিষ্কে চিপটি বসানোর ক্ষেত্রে তারা কঠোর পরিশ্রম করছে এবং শিগগিরি এই সংক্রান্ত পরীক্ষায় সাফল্য পাবে বলে বিশ্বাস মাস্কের সংস্থার।

Advertisement

[আরও পড়ুন: নীতি আয়োগের বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন না মমতা, মোদি সরকারের সঙ্গে সংঘাত আরও তীব্র!]

এর আগে ২০২১ সালে নিউরোলিঙ্ক জানিয়েছিল, তারা দুটি বাঁদরের মস্তিষ্কে এই চিপ প্রতিস্থাপন করে পরীক্ষা চালিয়েছে। এমনকী এই সংক্রান্ত একটি ভিডিও-ও শেয়ার করা হয়। মাস্ক জানিয়ে দেন, এই চিপ লাগানোর পিছনে প্রাথমিক লক্ষ্যই হল, দৃষ্টিহীন ও পক্ষাঘাতগ্রস্তদের চিকিৎসা করা। জন্মান্ধদেরও এর সাহায্যে দৃষ্টি ফিরিয়ে দেওয়া যাবে বলে দাবি তাঁর।

Advertisement

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে স্থাপিত ‘নিউরোলিঙ্ক’ নামের সংস্থাটি মানুষের মস্তিষ্কে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (Artificial Intelligence) প্রয়োগ নিয়ে কাজ করছে। প্রাথমিক ভাবে বাঁদরের মস্তিষ্ক নিয়ে গবেষণা শুরু করে তারা।

[আরও পড়ুন: বৃহস্পতিবার এগরার খাদিকুলে যাচ্ছেন মমতা! দেখা করতে পারেন নিহতদের পরিবারের সঙ্গে]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.