সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সোমবার ভারত-পাক দু’দেশেরে সেনাবাহিনীর DGMO-রা ‘হটলাইনে’ বৈঠকে করেন। এর আগে ১০ মে পাকিস্তানের DGMO-র ভারতের DGMO-কে ‘হটলাইনে’ই সংঘর্ষবিরতির আবেদন করেন। এরপরই সংঘর্ষবিরতি বাস্তবায়িত হয়। প্রশ্ন হল, কী এই হটলাইন? কখন ব্যবহার হয় এটি?
হটলাইন হল খুবই সুরক্ষিত একটি মাধ্যম। এটি বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যম। ফলে দু’দেশের DGMO-রা আপনার আমার মতো ফোন ব্যবহার করবেন না এটাই স্বাভাবিক। তাঁরা কথা বলবেন ‘হটলাইনে’ই।
হটলাইন ও সাধারণ ফোনের মধ্যে আদৌ কোনও পার্থক্য রয়েছে? নাকি এই দু’টি একই ধরনের মাধ্যম। সাধারণ ফোন ও হটলাইনের মধ্যে বিস্তর পার্থক্য রয়েছে। সাধারণ ফোনের ক্ষেত্রে নম্বর ডায়াল করতে হয়। তবে হটলাইনের ক্ষেত্রে সেটার প্রয়োজন পড়ে না। রিসিভার তুললেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্ধারিত ব্যক্তির সঙ্গে কলটি যুক্ত হয়ে যায়। কখন ব্যবহার করা হয় হট লাইন?
যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি, দুর্যোগ অথবা জরুরি অবস্থায় এই হটলাইন ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এক দেশের শীর্ষ আধিকারিকরা অন্য দেশের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে হটলাইনেই কথা বলে থাকেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ইংল্যান্ড এবং আমেরিকার মধ্যে প্রথম হটলাইন ব্যবহার হয়েছিল। এরপর ১৯৬৩ সালে রাশিয়া ও আমেরিকার মধ্যে হটলাইন স্থাপন করা হয়। ভারতে প্রথম হটলাইন পরিষেবা চালু হয় ১৯৬৩ সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যেই। ভারত-পাক যুদ্ধের আবহে ফের চর্চায় সেই হটলাইন।
সর্বশেষ খবর
-
‘পাতাল থেকে খুঁজে আনব’, বাগনানে দলীয় কর্মী খুনে কড়া শুভেন্দু
-
‘অন্ধজনে দেহো আলো…’, দৃষ্টিহীন ছেলেকে রোনাল্ডোর গোল ‘দেখালেন’ বাবা
-
ধর্মতলাতেই ‘শহিদ দিবস’ করতে চায় কালীঘাট তৃণমূল, চিঠি গেল কলকাতা পুলিশে
-
২০২১-এ শুভেন্দুর গাড়িতে হামলা! বারবনির ‘ত্রাস’ তৃণমূল নেতাকে কোমরে দড়ি পুলিশের, জুতো জনতার
-
জেনেভায় বিশ্বের বৃহত্তম পদার্থবিজ্ঞান গবেষণাগারের সামনে নটরাজ শিব, ধর্ম নয়, নেপথ্যে বিজ্ঞান!