সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সমস্ত ইলেকট্রনিক যন্ত্রের (Electric device) জন্য একই ধরনের চার্জিং পোর্ট নির্মাণ করতে হবে। ভবিষ্যতে সব স্মার্টফোনের (Smartphone) জন্য একই চার্জিং পোর্ট রাখার বিষয়ে একমত হয়েছে স্মার্টফোন সংস্থাগুলি। এমনটাই জানিয়েছে উপভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রক। গত বুধবার এই সংক্রান্ত একটি বৈঠক ছিল। সেই বৈঠকে বিভিন্ন বণিক সংগঠন ও আইআইটি গবেষকরাও যোগ দিয়েছিলেন। বৈঠক শেষে এইকথা জানায় মন্ত্রক।
বৈঠকে নেতৃত্ব দেন উপভোক্তা বিষয়ক সচিব রোহিতকুমার সিং। জানা গিয়েছে, কিছুদিন আগে একই পদক্ষেপ করেছে ইউরোপ। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য ২৭টি দেশের ক্ষেত্রেই একই ধরনের চার্জার ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদেশে কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরে চিন্তাভাবনা করছিল বিষয়টি নিয়ে। তবে এক ধরনের নয়, দুই ধরনের চার্জারের কথা ভাবা হয়েছিল। স্মার্টফোন ও কমদামি ফোনের জন্য আলাদা আলাদা চার্জারের পরিকল্পনা করা হয়েছিল।
[আরও পড়ুন: গুজরাট নিয়ে চাপে বিজেপি! প্রচারে ডাকা হল বঙ্গ বিজেপির নেতাদেরও]
বৈঠক নিয়ে যে বিবৃতি পেশ করা হয়েছে তাতে বলা হয়েছে, সমস্ত স্টোক হোল্ডাররাই একমত হয়েছেন একটিই চার্জিং পোর্ট আনার, যা শিল্পক্ষেত্র কিংবা সাধারণ ক্রেতাদের ব্যবহারের ক্ষেত্রে একই ভাবে ব্যবহার করা যাবে। বৈঠকে সচিবকে বলতে শোনা যায়, ”ক্রেতাদের কল্যাণ তো বটেই, পাশাপাশি ই-বর্জ্যের সংখ্যা কমাতে একটি সাধারণ চার্জি পোর্ট নিয়ে আসা খুব দরকার।”
এরপরই অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ‘টাইপ সি’ চার্জার ব্যবহৃত হয়। এবার থেকে সব ধরনের ইলেকট্রনিক যন্ত্রের ক্ষেত্রেই একই চার্জার পোর্ট ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বৈঠকে। পরিবেশ দূষণের ক্ষেত্রে ই-বর্জ্যের কুপ্রভাব ক্রমেই বাড়ছে। তাই সব স্মার্টফোনের জন্য একই চার্জার তৈরি করা হলে তার কী প্রভাব পরিবেশে পড়বে, তাও পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে বলে ওই বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে।
[আরও পড়ুন:দিল্লি হত্যাকাণ্ড: মৃত্যুর পর শ্রদ্ধার অ্যাকাউন্ট থেকে মোটা টাকা হাতায় আফতাব, বেচে দেয় মোবাইলও]
সর্বশেষ খবর
-
হরমুজ এবার ট্রাম্প প্রণালী! ইরানের সঙ্গে উত্তেজনার মাঝেই গর্জন মার্কিন প্রেসিডেন্টের
-
কখনও জলে ডুবে, কখনও ঠায় শুয়ে, আচমকা কী হল ‘রামলালে’র?
-
বয়স ভাঁড়ানোর অপরাধে ‘বাংলা’র ক্রিকেটারকে দু’বছরের নির্বাসনে পাঠাল বোর্ড
-
পুজোর আগে বেহাল পিচ রাস্তা মেরামত, বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকে কী জানালেন পুর ইঞ্জিনিয়াররা?
-
প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান হিসেবে বিদেশে ত্রিশতরান! দক্ষিণ আফ্রিকায় ইতিহাস হৃদয়ের