Monsoon Travel Guide

বৃষ্টির ছিটেফোঁটা নেই! জুলাই মাসে নিশ্চিন্তে ঘুরে আসুন দেশের এই ৬ অপরূপ স্থানে

বর্ষার মেঘমুক্ত নীল আকাশ। আর পাহাড়ের রুক্ষ সৌন্দর্য। এ যেন আকাশ-কুসুম কল্পনা। বাদলের একটানা বৃষ্টিতে মানুষ যখন অতীষ্ঠ, তখন ভারতের কিছু প্রান্তে মেঘের দেখা মেলাই ভার! বিশ্বাস না হলে নিজেই বরং ঘুরে আসুন। রইল ৬ ঠিকানা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৮, ২০২৬, ১৭:৩২

options
link
বৃষ্টির ছিটেফোঁটা নেই! জুলাই মাসে নিশ্চিন্তে ঘুরে আসুন দেশের এই ৬ অপরূপ স্থানে
বর্ষার দেখা মেলে না দেশের এই ৬ জায়গায়, যবেন নাকি? ছবি: সংগৃহীত

বর্ষার মেঘমুক্ত নীল আকাশ। আর পাহাড়ের রুক্ষ সৌন্দর্য। এ যেন আকাশ-কুসুম কল্পনা। বাদলের একটানা বৃষ্টিতে মানুষ যখন অতীষ্ঠ, তখন ভারতের কিছু প্রান্তে মেঘের দেখা মেলাই ভার! বৃষ্টির দাপট এড়িয়ে প্রকৃতির কোলে শান্তি খুঁজতে চাইলে এরাই আপনার পরম আশ্রয়। জুলাইয়ের স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়াকে বিদায় জানিয়ে ঘুরে আসতে পারেন দেশের এমন ৬ ঠিকানায়, যেখানে কোনও বৃষ্টিই নেই।

Advertisement
Travel-1
ছবি: সংগৃহীত

(১) লেহ-লাদাখ (লাদাখ) 
বৃষ্টির ছায়া অঞ্চলের অন্তর্গত হওয়ায় লাদাখে বর্ষার প্রকোপ প্রায় নেই বললেই চলে। এই সময়ে এখানকার আকাশ থাকে কাচের মতো পরিষ্কার।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কীভাবে যাবেন: বিমানে সরাসরি লেহ বিমানবন্দরে পৌঁছানো যায়। সড়কপথে মানালি বা শ্রীনগর হয়ে রোমাঞ্চকর সফরে যাওয়া সম্ভব।

Advertisement

কোথায় থাকবেন: লেহ শহরে আধুনিক হোটেল, স্থানীয় হোমস্টে ও গাইড ক্যাম্পের সুব্যবস্থা রয়েছে।

দর্শনীয় স্থান: নীল জলের প্যাংগং হ্রদ, অপরূপ নুব্রা ভ্যালি, রহস্যময় ম্যাগনেটিক হিল এবং প্রাচীন বৌদ্ধ মনাস্ট্রি।

(২) স্পিতি ভ্যালি (হিমাচল প্রদেশ) 
হিমাচলের এই শীতল মরুভূমি জুলাইতেও থাকে খটখটে শুকনো। চারপাশের রুক্ষ পাহাড় আর শান্ত তিব্বতি সংস্কৃতির ছোঁয়া মন ভরিয়ে দেয়।

কীভাবে যাবেন: শিমলা বা মানালি থেকে গাড়ি ভাড়া করে দুর্গম পথ পেরিয়ে কাজা অভিমুখে যাওয়া যায়।

কোথায় থাকবেন: কাজা এবং কিবার গ্রামে সুন্দর কালচারাল হোমস্টে ও গেস্টহাউস পাওয়া যায়।

দর্শনীয় স্থান: পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত ঐতিহাসিক কী মনাস্ট্রি, ছবির মতো সুন্দর লাংজা গ্রাম ও ধনকর।

Travel-2
ছবি: সংগৃহীত

(৩) তাওয়াং (অরুণাচল প্রদেশ) 
উত্তর-পূর্ব ভারতের এই শৈলশহর জুলাই মাসের কয়েক সপ্তাহ প্রায় বৃষ্টিহীন থাকে। এখানকার সবুজ প্রকৃতি এই সময়ে এক মায়াবী রূপ ধারণ করে।

কীভাবে যাবেন: গুয়াহাটি বা তেজপুর থেকে গাড়ি নিয়ে মেঘে ঢাকা সেলা পাস হয়ে তাওয়াং পৌঁছানো যায়।

কোথায় থাকবেন: তাওয়াং শহরের মঠের কাছাকাছি বহু সরকারি কটেজ ও বেসরকারি লজ রয়েছে।

দর্শনীয় স্থান: ভারতের বৃহত্তম তাওয়াং মনাস্ট্রি, অপরূপ মাধুরী লেক এবং স্থানীয় আদিবাসী সংস্কৃতি।

(৪) লাহাউল ভ্যালি (হিমাচল প্রদেশ)
অটল টানেল পার হলেই দেখা মেলে এই অনন্য উপত্যকার। বর্ষার দিনেও এখানকার আবহাওয়া থাকে মনোরম ও শুষ্ক।

কীভাবে যাবেন: মানালি থেকে রোটাং বা অটল টানেল হয়ে মাত্র কয়েক ঘণ্টার গাড়ি দূরত্বে এই উপত্যকা।

কোথায় থাকবেন: কিয়লং বা জিসপায় নদীপাড়ের কটেজ বা ক্যাম্পিং রিসর্ট অন্যতম সেরা ঠিকানা।

দর্শনীয় স্থান: পাহাড়ি কিয়লং শহর, সিসু জলপ্রপাত এবং মনমুগ্ধকর পার্বত্য উপত্যকা।

(৫) কিন্নর (হিমাচল প্রদেশ)
আপেল বাগান আর ঐতিহ্যবাহী কাঠের বাড়িতে ঘেরা কিন্নর বর্ষার হাত থেকে বাঁচার আদর্শ জায়গা। জুলাইয়ে এখানকার পাহাড়গুলো শুকনো হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে।

কীভাবে যাবেন: শিমলা থেকে জাতীয় সড়ক ধরে পাহাড়ি পথ পেরিয়ে সহজেই কিন্নরের কাল্পা পৌঁছানো যায়।

কোথায় থাকবেন: কাল্পা এবং সাংলা ভ্যালিতে বরফাবৃত শৃঙ্গের ভিউ দেখা যায়, এমন বহু হোটেল রয়েছে।

দর্শনীয় স্থান: শান্ত কাল্পা গ্রাম, সাংলা ভ্যালি এবং ভারতের শেষ সীমান্ত গ্রাম ছিটকুল।

Travel-3
ছবি: সংগৃহীত

(৬) মাউন্ট আবু (রাজস্থান) 
মরুরাজ্যের একমাত্র পাহাড়ি শহর। জুলাই মাসে এখানে হালকা মনোরম আবহাওয়া থাকে, যা সমভূমির তীব্র গরম থেকে চটজলদি মুক্তি দেবে আপনাকে।

কীভাবে যাবেন: নিকটবর্তী রেল স্টেশন আবু রোড। সেখান থেকে বাসে বা ট্যাক্সি চড়ে পাহাড়ে ওঠা যায়।

কোথায় থাকবেন: নাকি লেকের আশেপাশে সব ধরনের বাজেটের লজ ও রাজকীয় হেরিটেজ রিসর্ট রয়েছে।

দর্শনীয় স্থান: প্রাচীন দিলওয়ারা জৈন মন্দির, নাকি লেক এবং পাহাড়ের সানসেট পয়েন্ট।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.