নিজস্ব সংবাদদদাতা, বনগাঁ: পাহাড় নাকি সমুদ্র? বেড়াতে যাওয়ার কথা উঠলে এই প্রশ্নই সবার মনে ঘুরপাক খায়৷ কিন্তু পরিবারের বয়জ্যেষ্ঠ সদস্যরা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি ধর্মীয় স্থানে বেড়াতে যেতেই বেশি পছন্দ করেন৷ তাই তাঁদের কথা মাথায় রেখেই রইল কলকাতার অদূরে এক ঠিকানার খোঁজ৷
[উইকএন্ডে পাখি-হরিণের ভিড়ে হারিয়ে যান পারমাদনের জঙ্গলে]
ইছামতী নদী, সবুজ গাছগাছালির সম্ভার৷ ওই নদী লাগোয়া বনগাঁর সাতভাই কালীতলা৷ প্রায় তিনশো বছর পেরিয়ে আজও সমান সমাদৃত ও জাগ্রত এই মন্দির৷ কথিত আছে, এই মন্দিরে অধিষ্ঠিত মা কালীর কাছে মানত করলে নাকি মনোবাসনা পূর্ণ হবেই৷ ইতিহাস বলছে, রাজবাড়িতে ডাকাতি করে কালীচরণ, কালীপ্রসাদ, কালীকিংকর, কালীপ্রসন্ন-সহ মোট সাত ভাই ইছামতী নদী পেরিয়ে ফিরছিল এপার বাংলায়৷ সেই সময় নাকি মা কালীর দেখা পায় তারা৷ দেবীর নির্দেশ মতোই শ্মশানের পাশে ইছামতীর পাড়ে বটগাছের তলায় কালী মূর্তি প্রতিষ্ঠা করে৷ সেও ছিল এক পৌষ মাসের রাত৷ সেই অনুযায়ী আজও প্রতি বছর পৌষ মাসের শনি ও মঙ্গলবার সাতভাই কালীতলায় জাঁকজমক করে পুজো হয়৷ ইতিহাসের স্মৃতি আঁকড়ে মায়ের মন্দিরে বংশ পরম্পরায় পূজার্চনা করে আসছেন পুরোহিতরা৷
[শীতের মিঠে রোদে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে পাড়ি জমান গৌরাঙ্গঘাটে]
এই সময় দূরদূরান্তের বহু মানুষ ভিড় জমান সাতভাই কালীতলায়৷ ইছামতী নদী পেরিয়ে নৌকা করেই মায়ের কাছে আসেন বহু ভক্ত৷ বট গাছে লাল-নীল সুতোয় ঢেলা বেঁধে মানত করেন ভক্তেরা৷ মনোবাসনা পূর্ণ হলেই পুজো দিয়ে ওই গিঁট খুলে দিয়ে যান তাঁরা৷ পৌষ মাসে ভক্ত সমাগমকে কেন্দ্র করে একেবারে উৎসব শুরু হয় মন্দির লাগোয়া এলাকায়৷ বসে মেলাও৷ তাই আর দেরি না করে একদিনের ছুটিতে আপনিও বেড়িয়ে পড়তেই পারেন সাতভাই কালীতলার উদ্দেশে৷

সর্বশেষ খবর
-
এবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি, তোলাবাজির অভিযোগ, পুলিশের দ্বারস্থ বধূ
-
‘খুব বাঁচা বেঁচেছি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ’, রচনার সুরবদলের পরই কেন একথা বললেন মনোরঞ্জন?
-
আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধেও চুনকাম! ১০৫০ দিন পর সিরিজ হার ভারতের, কেন খেলানো হল না বৈভবকে?
-
‘তোলাবাজি’র অর্থে মেয়ে-স্বামীর নামে সম্পত্তি, নির্বাচনী হলফনামায় তথ্য গোপন! তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ
-
অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে গ্রুপ থেকে বিদায়, বিশ্বকাপে স্বপ্নভঙ্গ ভারতের মেয়েদের