Travel News

সুদূর উত্তর ভারত নয়, ‘ঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়া’ পাবেন ৩ উষ্ণ প্রস্রবণ

পাহাড় ডিঙিয়ে সুদূর উত্তর ভারতে যাওয়া কঠিন। অবিশ্যি মন খারাপের কারণ নেই। বাঙালির হাতের কাছেই রয়েছে এমন কিছু উষ্ণ প্রস্রবণ, যেখানে নামলে শরীর ও মনের ক্লান্তি ধুয়ে যাবে নিমেষে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৩, ২০২৬, ১৮:৪৫

options
link
সুদূর উত্তর ভারত নয়, ‘ঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়া’ পাবেন ৩ উষ্ণ প্রস্রবণ

সামনের পাহাড় থেকে নেমে আসছে বরফগলা শীতল নদী। অথচ তার পাশেই পাথরের কুণ্ডে ফুটছে জল। কুণ্ড থেকে কুণ্ডলী পাকিয়ে উঠছে ধোঁয়া। হিমাচলের মণিকরণ বা লাদাখের পানামিকের সেই দৃশ্য দেখে অনেকেরই মন উচাটন হয়। কিন্তু হাতে সময় কম থাকলে পাহাড় ডিঙিয়ে সুদূর উত্তর ভারতে যাওয়া কঠিন। অবিশ্যি মন খারাপের কারণ নেই। বাঙালির হাতের কাছেই রয়েছে এমন কিছু উষ্ণ প্রস্রবণ, যেখানে নামলে শরীর ও মনের ক্লান্তি ধুয়ে যাবে নিমেষে। সপ্তাহান্তের ছুটিতে ঘুরে নেওয়ার মতো রইল তিন ঠিকানা।

Advertisement

Birvum

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বীরভূমের বক্রেশ্বর
শান্তিনিকেতন যাঁদের চেনা, তাঁদের কাছে বক্রেশ্বর অতি পরিচিত। তবে শুধু তীর্থক্ষেত্র হিসেবে নয়, পর্যটনের টানেও এখানে ভিড় করেন অনেকে। বীরভূমের এই জনপদে রয়েছে মোট দশটি উষ্ণ প্রস্রবণ। পাপহরা গঙ্গা, বৈতরণী, খরকুণ্ড, ভৈরবকুণ্ড, অগ্নিকুণ্ড— প্রতিটি কুণ্ডের মাহাত্ম্য আলাদা। এখানকার অগ্নিকুণ্ডের জলের তাপমাত্রা প্রায় ৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সালফার বা গন্ধক মিশ্রিত এই জলে স্নান করলে চর্মরোগ সারে বলে বিশ্বাস অনেকের। সিউড়ি থেকে মাত্র ২৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই সতীপীঠ ও শিবধাম শীতকালীন ভ্রমণের আদর্শ জায়গা।

Advertisement

sikimসিকিমের ইয়ুমথাং
পাহাড়ি উপত্যকায় উষ্ণ জলের ওম পেতে চাইলে চলে যান উত্তর সিকিম। লাচুং নদী ঘেঁষে গড়ে ওঠা ইয়ুমথাং উপত্যকায় রয়েছে প্রাকৃতিক উষ্ণ প্রস্রবণ। লাচুং গ্রাম থেকে কিছুটা নীচে নামলেই দেখা মিলবে এই কুণ্ডের। পর্যটকদের সুবিধার্থে এখানে ছোট ছোট কুঠুরি বা ‘স্নানঘর’ তৈরি করা হয়েছে। কনকনে ঠান্ডায় পাহাড়ের কোলে উষ্ণ জলে অবগাহন এক বিরল অভিজ্ঞতা। উপত্যকার চারপাশের হিমশীতল প্রকৃতি আর উষ্ণ জলের এই মেলবন্ধন পর্যটকদের মুগ্ধ করে।

Odisa

ওড়িশার তপ্তপানি
বাংলা থেকে খুব সহজেই পৌঁছে যাওয়া যায় প্রতিবেশী রাজ্য ওড়িশায়। গঞ্জম জেলার তপ্তপানি ঠিক এমনই এক জায়গা। পাহাড়ের ঢালে ঘন সবুজের মাঝে এই উষ্ণ প্রস্রবণ অবস্থিত। ব্রহ্মপুর রেল স্টেশন থেকে এর দূরত্ব মাত্র ৫০ কিলোমিটার। তপ্তপানির কাছেই রয়েছে তিব্বতি জনপদ চন্দ্রগিরি। ফলে একই সঙ্গে ওড়িশার পাহাড় এবং তিব্বতি সংস্কৃতির ছোঁয়া পাওয়া যায় এখানে। এখানকার সরকারি পান্থনিবাসের ঘরেও সরাসরি উষ্ণ প্রস্রবণের জল পাওয়ার সুবিধা রয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.