Kasar Devi

দেবীমাহাত্ম্যে এই পথে শরীর পায় প্রশান্তির আশীর্বাদ!

প্রকৃতির মধ্যে লুকিয়ে থাকা তেজোকণারা এই মন্দির এলাকার চৌম্বকীয় ক্ষেত্রে বাঁধা পড়ে আটকে থাকে। যার প্রতিক্রিয়ায় এই চত্বরে পা রাখলেই শরীর, মন শান্ত হয়ে যায়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৭, ২০১৯, ১৭:৩০

options
link
দেবীমাহাত্ম্যে এই পথে শরীর পায় প্রশান্তির আশীর্বাদ!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাইন আর দেওদারের ছায়ায় ঢাকা প্রকৃতি। তার মধ্যে দিয়ে পথের ঢাল চলে গিয়েছে দেবীর পাদপদ্মের কাছে। যেখানে রয়েছে সাক্ষাৎ শান্তি আর মুক্তি! এই দুইয়ের টানেই দ্বিতীয় শতক থেকে ভ্রমণার্থী আর ভক্ত- দুই দলকেই ডেকে আনে উত্তরাখণ্ডের কসার দেবী গ্রাম।

Advertisement

kasardevi1_web
আলমোড়ার কাছেই ছোট এক পাহাড়ি গ্রাম। গ্রামদেবী কসারের নামেই যার খ্যাতি। চারধারে তার বিশাল বরফঢাকা পাহাড়ের বিস্তৃতি। আর সবুজের পর্দা। এই দুইয়ের মাঝে যদি মন শান্তি না পায়, তবে কোথায় পাবে?
কিন্তু, কসার দেবীতে পা রাখা মাত্রই শরীর যে আপনা থেকে জুড়িয়ে যায়, তার কারণটি অন্য। সে শুধুই নিরালা প্রাকৃতিক শোভার কারণে নয়। মন যে শান্ত হয়ে আসে, তার কারণও হিমালয়ের উদারতা নয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

kasardevi2_web
তাহলে?
সাক্ষাৎ দেবীমাহাত্ম্য! লোকবিশ্বাস বলছে, শক্তিস্বরূপিণী কসার দেবী রীতিমতো জাগ্রতা! তিনি নিয়ন্ত্রণ করেন মানুষের মনটিকে। তাই মন্দির-সংলগ্ন এলাকায় পা রাখা মাত্রই যত দুশ্চিন্তাই থাক, শরীর শীতল হয়ে আসে! আর মন পায় শান্তির আশীর্বাদ। মন্দির এলাকার বাইরে কিন্তু এই অলৌকিক প্রত্যক্ষ করা যায় না।

Advertisement

kasardevi5_web
স্বয়ং স্বামী বিবেকানন্দর লেখাতেও এর প্রমাণ মেলে। একরাশ দুশ্চিন্তা থেকে তিনি মুক্তি পেয়েছিলেন এখানেই। তাঁর বিক্ষিপ্ত চিত্ত শান্ত হয়েছিল এখানেই ধ্যানের পরে। সে ১৮৯০ সালের কথা। তার আগেও কসার দেবীর মাহাত্ম্য ছিল অটুট; এখনও তার ব্যত্যয় হয়নি।
সেই দেবীমাহাত্ম্যের রহস্যভেদে বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানও কিছু কম হয়নি। অনেক বছর ধরে নাসা গবেষণা চালিয়েছে এই কসার দেবী মন্দির এলাকা নিয়ে। এবং জানতে পেরেছে, প্রকৃতির মধ্যে লুকিয়ে থাকা তেজোকণারা এই মন্দির এলাকার চৌম্বকীয় ক্ষেত্রে বাঁধা পড়ে আটকে থাকে। যার প্রতিক্রিয়ায় এই চত্বরে পা রাখলেই শরীর, মন শান্ত হয়ে যায়।

kasardevi3_web
এবারের পুজোয় আপনার গন্তব্য তাই হতেই পারে কসার দেবী। দেবীপক্ষে জগজ্জনীর আশীর্বাদে শরীর, মনকে কলুষমুক্ত করার এমন সুযোগ হাতছাড়া করা উচিত হবে না। তার সঙ্গে উত্তরাখণ্ড, আলমোড়ার দ্রষ্টব্য তো রয়েছেই!
কী ভাবে যাবেন: কসার দেবী পৌঁছতে হয় আলমোড়া হয়ে। বিমানে এলে নামতে হবে পন্থনগরে। রেল স্টেশন কাঠগোদাম। সেখান থেকে বাসে বা ভাড়ার গাড়িতে চলে আসুন আলমোড়া। আলমোড়াকে কেন্দ্র করে ঘুরে নিন কসার দেবী।

kasardevi4_web
কোথায় থাকবেন: আলমোড়াতেই বেছে নিন পকেটসই ঘর।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.