সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ষাঁড় কী খায়? ভাবছেন তো এ আবার কেমন প্রশ্ন? তৃণভোজী প্রাণী ঘাসপাতা খেয়েই যে বাঁচে, তা আর নতুন করে বলারই বা কী আছে? কিন্তু হরিয়ানার সিরসার কালানাওয়ালির ঘটনা শুনলে আপনার চোখ কপালে উঠবে। কারণ, এখানে ষাঁড় ঘাসপাতার পাশাপাশি খেয়ে ফেলেছে প্রায় ৪০ গ্রাম ওজনের সোনার গয়না। আর তাতেই রাতের ঘুম উড়েছে সোনার গয়নার মালিকের। কখন উদরস্থ সোনার গয়না গোবরের সঙ্গে বেরোবে, তার অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন গৃহস্থ।
কখন তার প্রকৃতির ডাক আসবে! আর কখন ‘তারা’ পটাং করে বেরিয়ে আসবে! ষাঁড়ের মলত্যাগের অপেক্ষায় ঘুম ছুটেছে জনকরাজের। কারণ পাড়ার এই ষাঁড় গিলে নিয়েছে তাঁর পরিবারের গয়না। যার ওজন অন্তত ৪০ গ্রাম। হরিয়ানার সিরসার কালানাওয়ালি এলাকায় জনকরাজের স্ত্রী ও পুত্রবধূর গয়না খেয়ে ফেলা ষাঁড়কে দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন অনেকেই। জনকরাজের কথায়, তাঁর স্ত্রী ও পুত্রবধূ একটি পাত্রে নিজেদের কিছু গয়না খুলে রেখে আনাজ কাটছিলেন। সবজির খোসার নিচে চাপা পড়ে যায় গয়নাগুলি। পরে পাত্রটি ধরে ওই ষাঁড়কে খেতে দেওয়া হয়। তখনই খোসার সঙ্গে সব গয়না খেয়ে নেয় সে। পরে হুঁশ হতেই ষাঁড়টিকে নিজেদের উঠোনে বেঁধে রাখেন।
[আরও পড়ুন: মৃত বাবাকে নিয়মিত মেসেজ, ৪ বছর পর এল উত্তর!]
পশু চিকিৎসককে ঘটনার কথা জানানো হয়। এরপর তাঁর নির্দেশ অনুযায়ী ষাঁড়ের পেটের এক্স-রে করানো হয়। রিপোর্টে পেটের ভিতরে গয়নার উপস্থিতি ধরাও পড়ে। ষাঁড়টিকে খাবার দেওয়া হচ্ছে ভুড়ি ভুড়ি। দিব্যি খাচ্ছেও সে। মলত্যাগও করছে ষাঁড়টি। তবে কেন যে সোনার গয়না মিলছে না, তা বুঝতেই পারছেন না জনকরাজ। বুধবার সকালেও গোবরের সঙ্গে কোনও গয়না না বেরনোয় হতাশ ওই ব্যক্তি। আপাতত ষাঁড়ের দিকে হাঁ করে তাকিয়ে বসে রয়েছেন প্রত্যেকেই। কখন যে গোবরের সঙ্গে উদরস্থ করা সোনার গয়না মিলবে, সেই প্রতীক্ষায় দিন কাটাচ্ছেন জনকরাজ-সহ তাঁর পরিবারের সকলেই।
সর্বশেষ খবর
-
ভিক্টোরিয়ার কাছে মাটি কেটে বেরল দুর্গার ‘বোন’ দিব্যা, কলকাতা মেট্রোর পাতালপথে নয়া ইতিহাস
-
বন্ধুর বোনের সঙ্গে লুকিয়ে প্রেম করছেন ইয়ামাল? এক্সে ভাইরাল ভিডিওতে ফাঁস করলেন প্রেমিকা!
-
‘সত্য যেন এক নগ্ন শরীর’, বিচ্ছেদচর্চার মাঝে রণজয়ের নিশানায় শ্যামৌপ্তি? চর্চা তুঙ্গে
-
অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ মামলায় স্বস্তি পেল না কালীঘাট তৃণমূল, আসল-নকল দ্বন্দ্বের মাঝে হাই কোর্টের রায়ই বহাল সুপ্রিম কোর্টে
-
সোনু নিগমের মতোই বারবার ফিরে আসছে আঙুলের সমস্যা? নেপথ্যে সন্ধির অসুখ!