Sanatani Cricket

সংস্কৃতে ধারাভাষ্য, ধুতি-কুর্তা পরে বাইশ গজে! ‘সনাতনী’ ক্রিকেটের বিজয়ীর উপহার গীতা

এই টুর্নামেন্টে ব্যাটকে বলা হয় 'লাগুড়', বলের নাম 'কান্দুক'।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৬, ২০২৬, ২০:১৩

options
link
সংস্কৃতে ধারাভাষ্য, ধুতি-কুর্তা পরে বাইশ গজে! ‘সনাতনী’ ক্রিকেটের বিজয়ীর উপহার গীতা
ছবি এআই দ্বারা নির্মিত

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: খেলার জন্ম বিলেত! ক্রিকেটের সূত্রপাত ইংল্যান্ডে। নিয়মকানুন, পোশাক-আশাকও মোটামুটি ইংরেজদেরই তৈরি। অনেক বদল এলেও যুগের পর যুগ ধরে কিছু জিনিস একই রকম আছে। তা কেন হবে? ভারতে যখন খেলা হবে, তখন তাতে ‘ভারতীয়ত্ব’ থাকবে। সেই উদ্দেশ্যে মধ্যপ্রদেশে চলছে ধুতি পরে ক্রিকেট। ‘সনাতনী ক্রিকেট টুর্নামেন্ট’-এ ধুতি-কুর্তা পরে বাইশ গজে নামল ২৭টা দল। ধারাভাষ্য দেওয়া হল সংস্কৃতিতে।

Advertisement

আগেভাগেই জানিয়ে রাখা দরকার, ক্রিকেটাররা কেউ ব্যাট-বল নিয়ে নামেননি। মানে, নেমেছিলেন ঠিকই তবে তার নাম ব্যাট-বল নয়। ভোপালে পরশুরাম কল্যাণ বোর্ডের আয়োজনে মহাঋষি ক্রিকেট টুর্নামেন্টে সবই ছিল। তবে সেখানে ব্যাটের নাম দেওয়া হয় ‘লাগুড়’, বলের নাম ‘কান্দুক’, ব্যাটারকে বলা হয় ‘বল্লক’, বোলারকে ‘গন্ধক’। এছাড়া আউট হলে বলা হচ্ছে ‘গ্রহিত’, রানের জন্য বরাদ্দ ‘ধাবনাম’। চার হলে বলা হচ্ছে ‘চতুষ্কম’, ছয়কে ‘শতকম’।

Advertisement

এবার এই টুর্নামেন্টের ষষ্ঠ সংস্করণ। পরশুরাম কল্যাণ বোর্ডের চেয়ারম্যান পণ্ডিত বিষ্ণু রাজোরিয়া বলেন, “এই টুর্নামেন্টের মূল উদ্দেশ্য মানুষকে সংস্কৃত ভাষার প্রতি আকৃষ্ট করা। এটা বোঝানো দরকার, ধর্মীয় অনুষ্ঠান ছাড়াও সংস্কৃত ভাষাকে আধুনিক কাজে ব্যবহার করা যায়।” আরেকজন উদ্যোক্তা বলছেন, “ক্রিকেট আধুনিক পোশাকে খেলা হয়। বলা হয় এটা ইংরেজদের খেলা। কিন্তু আমরা দেখাতে চাই যে, নিজস্ব সংস্কৃতির মধ্যে যে কোনও পোশাকে ক্রিকেট খেলা যায়।” ম্যাচগুলি খেলা হচ্ছে ধুতি-কুর্তা পরে। আর ধারাভাষ্য দেওয়া হচ্ছে সংস্কৃত ভাষায়।

Advertisement

এই টুর্নামেন্টের ফাইনাল ৯ জানুয়ারি। চ্যাম্পিয়ন দলকে ভগবদ্গীতা ও রামচরিত মানস। সঙ্গে ২১ হাজার টাকা। ফাইনালে পরাজিত হল পাবে ১১ হাজার টাকা। পুরস্কার দিতে অতিথি হিসেবে থাকবেন বাগেশ্বর ধামের প্রধান ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রী।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.