সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কাজ করেন আসবাবপত্রের দোকানে। মাইনে যৎসামান্যই। প্রতিদিনের খরচ সামলে, শহরের কোথাও ঘর ভাড়া নিয়ে থাকার সামর্থ্য তাঁর নেই। শহরে কোনও পরিচিত-আত্মীয়ও নেই তাঁর। বসের সঙ্গে কথা বলে দোকানের বাথরুমের ৬ ছয় স্কোয়ার মিটারের জায়গায় দিন কাটাছেন ১৮ বছরের তরুণী। তিনি সেই দিনযাপনের ভিডিও ছবি পোস্ট করেন সোশাল মিডিয়ায়। যা রীতিমতো ভাইরাল।
ঘটনাটি চিনের ঝুঝু শহরের। তরুণী সামাজিক মাধ্যমে মিস ইয়াং নামে পরিচিত। গ্রামের এক দরিদ্র পরিবারে তাঁর জন্ম। সেখান থেকে উঠে এসে ঝুঝুতে কাজ করেন। মাসিক মাইনা ভারতীয় টাকা অনুসারে ৩১,৭৭৬ টাকা। যদিও শহরে থাকার জন্য গড় আয় ৮৮ হাজার, ২৬৬ টাকা। শহরে বাড়িভাড়া নিয়ে থাকতে গেলে মাসিক খরচ গুনতে হয় ৯ হাজার ৪১৫ টাকা থেকে ২১ হাজার ১৮৪। কিন্তু এই খরচ বহন করা তরুণীর পক্ষে সম্ভব নয়। তাই বসের সঙ্গে কথা বলে বাথরুমেই থাকার বন্দোবস্ত করেছেন তরুণী। প্রতিদিন কাজের শেষে সেখানেই থাকেন তিনি। যার জন্য মাসে তিনি দেন ৫৮৮ টাকা। দোকান খোলা থাকার সময় কাস্টমারদের যাতে তাঁর জামা-কাপড় ও অন্যান সামগ্রীর জন্য অসুবিধা নয় সেই ব্যবস্থাও তিনি করে রাখেন।
মিস ইয়াংয়ের পোস্ট সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই তাঁর কঠোর পরিশ্রম ও জীবনযুদ্ধের সংগ্রামকে কুর্নিশ জানিয়েছে নেট নাগরিকেরা। নেটপাড়ার এক বাসিন্দা লেখেন, ‘এই পোস্ট দেখার পর আমি খুব দুঃখ পেয়েছি। পৃথিবীতে যাঁরা কঠোর পরিশ্রম করে তাঁদের আরও বেশি সুবিধা পাওয়ার ব্যবস্থা থাকা উচিত।” আরেক জন লেখেন, ‘এই তরুণীর জন্য অনেক শুভ কামনা রইল।’ এই সব দেখে তরুণী জানাচ্ছেন, আপাতত বাথরুমে থাকা নিয়ে তিনি খুশি। একদিন নিজের জন্য বাড়ি বানাতে পারবেনই আশাবাদী তিনি।
সর্বশেষ খবর
-
হড়পা বানে মৃত্যুমিছিল, নেপালে একতা চাইছেন ‘ভারতবিদ্বেষী’ বলেন্দ্র! নয়াদিল্লির পাঠানো ত্রাণ নেবেন?
-
যজ্ঞেই শয়তান তাড়ানোর কথা বলে ‘শ্লীলতাহানি’, গয়না নিয়ে উধাও সঙ্গিনী-সহ তান্ত্রিক
-
হড়পা বানে আটকে কৈলাসযাত্রী শিষ্যরা, বিধ্বস্ত নেপালে উদ্ধারকাজে নামতে চান সদগুরু!
-
রাজ্যে উড়ল প্যালেস্তাইনের পতাকা! ‘জাতীয় মর্যাদার সঙ্গে আপস নয়’, কড়া বার্তা শুভেন্দুর
-
হাতে হাত, রংমিলান্তি পোশাক, ফের একফ্রেমে রাজ-শুভশ্রীকে দেখে শান্তি ভক্তদের