চোখের ভুল নয়, নবজাতকের মুখে সাতটি দাঁত!

কেমন আছে সদ্যোজাত সন্তান?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৮, ২০১৯, ১৮:০৯

options
link
চোখের ভুল নয়, নবজাতকের মুখে সাতটি দাঁত!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নবজাতকের মুখে দাঁত! না, চোখের ভুল নয় এটাই বাস্তব। তাও এক আধখানা নয়, একেবারে সাত সাতটা! সাতটি দাঁত নিয়ে জন্ম নেওয়া শিশুপুত্রর নাম প্রায়ান। তবে দু’দফার চেষ্টায় অপারেশন করিয়ে শিশুটির ওই অকাল দাঁতগুলি ঝরিয়ে দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

Advertisement

7-TEETH-CHILD-2

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[নতুন মোড়কে ফিরল নব্বইয়ের ‘কলকাতার রসগোল্লা’]

Advertisement

গুজরাটের আহমেদাবাদের বাসিন্দা হরিশ ও নিকিতা শর্মা। প্রায়ান তাঁদের প্রথম সন্তান। জন্মের পরে কয়েক দিন মায়ের থেকে আলাদা ছিল সদ্যোজাত শিশুটি। তার সংক্রমণ হয়েছিল। নিকিতাদেবী যখন সন্তানকে কোলে পান‚ তখন নবজাতকের বয়স ১০ দিন। স্তন্যপান করাতে গিয়ে মা বুঝতে পারেন কিছু একটা সমস্যা হচ্ছে। চক্ষু-কর্ণের বিবাদ মেটাতে ছোট্ট শিশুর কচি মুখে আলতো করে আঙুল ঢুকিয়ে দেন মা। তারপর চমকে যান তিনি। দেখেন ছেলের নীচের চোয়ালে রয়েছে দাঁত! তাও একটা নয়! একসঙ্গে সাত সাতটা! আর সেই কারণেই সমস্যা হচ্ছে স্তন্যপান করাতে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন এধরনের ঘটনা বিরল। প্রতি তিন হাজার শিশুর মধ্যে একজনের এমন দাঁত হতে পারে। ডাক্তারদের ধারণা, মায়ের গর্ভে থাকাকালীন নবজাতকের দাঁতগুলি তৈরি হয়। তবে কোনও সদ্যোজাতর একসঙ্গে সাতটা দাঁতের ঘটনা সচরাচর দেখা যায় না। গর্ভে থাকাকালীন অপুষ্টির কারণে এমন কিছু হতে পারে বলে ডাক্তাররা মনে করছেন।

[আচমকা চাকরি যাওয়ার ভয়! বাঁচতে কোন কোন বিষয়ে খেয়াল রাখবেন?]

তবে অকালে গজিয়ে ওঠা দাঁতগুলি অবশ্য বেশিদিন থাকতে দেননি চিকিৎসকরা। দাঁতগুলি মাড়ির থেকে আলগা হয়ে নড়ছিল। দাঁত কোনওভাবে গলায় ঢুকে গেলে বিপদের আশঙ্কা ছিল। ওই শিশুর দায়িত্বে থাকা চিকৎসক মিত রামাত্রি জানান, দু দফায় শিশুটির অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। প্রথমবার চারটি‚ আর এক দফায় তিনটি দাঁত তোলা হয়। এখন প্রায়ান সুস্থ আছে। স্তন্যপান করতে পারছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.