Offbeat News

অমলিন ভালোবাসা! টিফিনে ‘দিদিমণি’কে বাক্সভর্তি ফল খাওয়ায় ছাত্ররা, ভাইরাল মিষ্টি ভিডিও

নিজের ইনস্টাগ্রামে এই ভিডিও পোস্ট করেছেন বেঙ্গালুরুর শিক্ষিকা, খুদে ছাত্রদের প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন নেটিজেনরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬, ১৭:৫৬

options
link
অমলিন ভালোবাসা! টিফিনে ‘দিদিমণি’কে বাক্সভর্তি ফল খাওয়ায় ছাত্ররা, ভাইরাল মিষ্টি ভিডিও

‘মেঘবালিকা’র কটাক্ষ শুনে কবি বলেছিলেন, ‘তোমার জন্য লিখতে পারি এক পৃথিবী।’ কবি জয় গোস্বামীর শক্তিশালী লেখনিতে এভাবেই উঠে এসেছিল ‘মেঘবালিকার জন্য রূপকথা’। কবির জগৎ যে কতখানি সমর্পণের, তা স্পষ্ট হয়েছিল পাঠকের চোখে। এমন নিঃস্বার্থ সমর্পণ হয়তো দেখাও যায় না আজকের দিনে। সত্যি কি তাই? তাও বলা যায় না। এসব ফুরিয়ে গেলে সদ্য ইনস্টাগ্রামে শিক্ষিকা আর ছাত্রদের মিষ্টি ভিডিওটি এভাবে হু হু করে ছড়িয়ে পড়ত না। কী এমন আছে ওই ভিডিওতে যা দেখে নেটিজেনরা এত ধন্য ধন্য করছেন? এমন কোনও গল্প নয়। যা আছে তা হল খাঁটি ভালোবাসা, যার রঙে রঙিন ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওটি।

Advertisement

বেঙ্গালুরুর এক প্রত্যন্ত এলাকায় ছোটদের স্কুলে পড়ান দীপালি দাহিকাম্বলে। ছাত্রদের ইংরাজি দিদিমণি তিনি। একদিন ইংরাজির ক্লাস নিতে নিতে বলে ফেলেছিলেন, তিনি ফল খেতে খুব ভালোবাসেন। ব্যস, তারপর থেকেই প্রতিদিন চমক দিচ্ছে ছাত্ররা। কী চমক? প্রতিদিন টিফিনবাক্স ভর্তি ফল তারা নিয়ে আসে প্রিয় ‘দিদিমণি’র জন্য।

Advertisement

দীপালি জানান, রোজ ক্লাস করার পর যখন বিরতিতে বেশ ক্ষুধার্ত হয়ে পড়েন, ঠিক সেসময় বাচ্চারা ফলভর্তি বাক্স এনে হাজির করে তার সামনে। তা দেখেই খুশিতে উজ্জ্বল হয়ে ওঠেন তাদের ইংরাজি শিক্ষিকা। সেসব ফেরান না তিনি, খেয়েও নেন। তাতেই খুশি হয় খুদে ছাত্ররা। ওদের মুখে ফুটে ওঠে অম্লান হাসি। রোজ এভাবেই স্কুলের কড়া রুটিনের মাঝে একটুকরো নির্মল আনন্দ উপভোগ করেন দীপালি ম্যাডাম।

Advertisement
 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by Deepali (@deepali.dahikamble)

সেই আনন্দেরই ভিডিও তিনি শেয়ার করেছেন ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে। কোনও অতিরিক্ত সংলাপ নেই, নেই কোনও বাড়তি অভিনয় কিংবা জোর করে কিছু প্রকাশ করার চেষ্টা। সংক্ষিপ্ত ভিডিওটিতে শুধুই রয়েছে ম্যাডামের প্রতি খুদে পড়ুয়াদের অফুরান ভালোবাসা। ভিডিও শেয়ার করে দীপালি নিজেই লিখেছেন, ”ওরা কোনও প্রত্যাশা থেকে রোজ ফল আনে না। আসলে ফলের প্রতি আমার ভালোবাসার কথা জেনে ওরা কর্তব্যবশত অথবা নিজেরা মন থেকে চায় বলে ফল নিয়ে আসে।” অনেকেই বলেন, আজকালকার দিনে শিক্ষক-পড়ুয়ার পারস্পরিক সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। তার জন্য দু’পক্ষকেই দায়ী করা হয়। তবে দীপালির ইনস্টাগ্রামের এই ভিডিও দেখে একথা আর বলা যায় না।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.