ছোট আর্থিক সংস্থায় বড় সুযোগের সম্ভবনা নিয়ে কথা বললেন সপ্তর্ষি চ্যাটার্জি, ফান্ড ম্যানেজার, গ্রো মিউচুয়াল ফান্ড। কথোপকথনে নীলাঞ্জন দে
ফিনান্সিয়াল সেক্টর যদি দেখি, সেখানে অনেক ধরনের স্মল ক্যাপ আসছে বোঝা যাচ্ছে। আপনি কী স্ট্র্যাটেজি নিয়েছেন?
দেখুন, ফিনান্সিয়াল সেক্টরের পরিধি আজ কেবল ব্যাঙ্কে আটকে নেই। তাই এই বিষয়টি শুধু ব্যাঙ্কিংয়ের নিরিখে দেখা ঠিক হবে না। এখন এর ভিতরে আছে নানা মাপের NBFC বা নন ব্যাঙ্কিং ফিনান্সিয়াল সংস্থা, হোম লোন, মাইক্রোফিনান্স, ইন্সিওরেন্স ইত্যাদি। বিভিন্ন ক্যাপিটাল মার্কেট সম্পর্কিত কোম্পানির উপস্থিতিও টের পাওয়া যাচ্ছে।
আমার বিশ্বাস যে তুলনায় ছোট সংস্থার কল্যাণে নানা ক্ষেত্রে নতুন ব্যবসা চালু হয়েছে। এই জাতীয় কোম্পানি নিজেদের ‘ট্যাম’ পরীক্ষা করছে, সম্প্রসারণের জন্য তৈরি হচ্ছে। এগুলির একাংশ অবশ্যই প্রফিটের মাত্রা বাড়াতে পারবে।
এমন কিছু সংস্থা আছে যেগুলি নিজেদের ডিস্ট্রিবিউশন চ্যানেলে উন্নতি আনছে। এছাড়া নতুন টেকনোলজির ব্যবহার তো আছেই। এমনই আমাদের দেশের অর্থনীতির ‘ফর্মালাইজেশন’ বেশ দ্রুত গতিতে হয়ে চলেছে, ক্রেডিটের ব্যবহার বাড়ছে। আমাদের সার্বিক কৌশলের অংশ হিসাবে এসবের দিকে নজর রাখছি আমরা।
আমরা জানি স্মল ক্যাপ জাতীয় স্টকের ক্ষেত্রে রিস্ক থাকে…
হ্যাঁ, এখানে রিস্ক আর রিটার্ন, দুইয়েরই সম্ভাবনা আছে। পোর্টফোলিও গঠনের সময় নানাবিধ ফ্যাক্টর দেখি আমরা। সংশ্লিষ্ট ব্যবসাগুলির মান কেমন, যথেষ্ট লাভের সুযোগ আছে কি না, নিজেদের রিস্ক ম্যানেজমেন্টের দিকে নজর রাখছে কি না–এই সবই খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় থাকে।
মাইক্রোফিনান্সই বলুন অথবা ক্যাপিটাল মার্কেট সম্পর্কিত কার্যকলাপ, প্রতিটি ছোট অংশের নিজস্ব নিয়ম আছে। মধ্য বা দীর্ঘমেয়াদী সুযোগ কতখানি আছে, তা প্রত্যেকবার বোঝার চেষ্টা করি আমরা। আমাদের পোর্টফোলিওতে এর প্রতিফলন দেখতে পাবেন। তবে রিস্ক তো থাকবেই। এখানে বলে রাখি, আমরা যে সব সাব-সেগমেন্ট চিহ্নিত করেছি, সেখানে ব্যবসার মডেল খতিয়ে দেখি, ম্যানেজমেন্ট কীভাবে দায়িত্ব পালন করেন, তা-ও বোঝার চেষ্টা চলে।
সাধারণ বিনিয়োগকারী যদি স্মল ক্যাপ ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস কোম্পানি স্টকে দীর্ঘমেয়াদি সম্ভাবনা ধরতে চান, তাহলে কীভাবে তিনি এগোবেন?
গোড়াতে একটি বিষয় পরিষ্কার করে বলতে চাই। প্রত্যেকবার খুব দ্রুত রিটার্নের আশায় এখানে আসবেন না। সাধারণ বিনিয়োগকারী হলে ডাইভারসিফিকেশন তো অবশ্যই দরকার। কেবল কয়েকটি নাম অথবা শুধুমাত্র দু-চারটি কোম্পানি বা সাব-সেগমেন্টের উপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়া ঠিক নয়।
অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ হল ভ্যালুয়েশনের সঙ্গে গ্রোথের গুণমান মিলিয়ে দেওয়া। সাধারণ বুদ্ধিতে বোঝা যায় যে কোয়ালিটি এবং গ্রোথ যেমন দরকার, তেমনই দরকার ‘রিজনেবল ভ্যালুয়েশন’ –এই তিন শর্ত খুব জরুরি।
আর, মনে রাখবেন, মূলত স্মল ক্যাপের এক্সপোজার যদি চান, তাহলে ভোলাটিলিটি সহ্য করার ক্ষমতা থাকা দরকার। এককালীন বিনিয়োগ আর সিপ, দুই-ই ভাল ভাবে কাজে লাগাতে পারেন।
সর্বশেষ খবর
-
সস্তা জনপ্রিয়তার লোভ! মহাত্মা গান্ধীকে নিয়ে ‘আপত্তিকর’ ভিডিও, শ্রীঘরে ইনফ্লুয়েন্সার তরুণী
-
‘বলিউডের দেশাত্মবোধক ছবি নিয়ে উচ্চবাচ্য নেই, অথচ পাকিস্তানি শিল্পীকে তোল্লাই’, দিলজিৎকে খোঁচা মিকার
-
‘হিরো’ মচ্ছরকে কুর্নিশ, ‘বাংলা থেকেও তৈরি হবে রাষ্ট্রবাদী পাইলট’, বললেন শুভেন্দু
-
প্রেমিকার সঙ্গে মোমো ডেট! হাতেনাতে ধরতে সটান স্বামীর গাড়ির বনেটে স্ত্রী, তারপর যা হল…
-
ভারতের সঙ্গে ব্রাজিলের নির্বাচন গুলিয়ে ফেললেন ট্রাম্প! মার্কিন প্রেসিডেন্টের ‘ভীমরতি’তে হাসির রোল