এখন মোবাইল ছাড়া এক মুহূর্ত ভাবতে পারেন না কেউ। ফলে ঘুম ভাঙতেই ফোন হাতে নেন সকলে। চোখ বুলিয়ে নেন সোশাল মিডিয়ায়। অধিকাংশই দেখা যায়, বাথরুমেও সর্বদা সঙ্গী করেন ফোনকে। কিন্তু জানেন কি এখানেই লুকিয়ে ভয়ংকর বিপদ! যা ছাড়খার করে দিতে পারে আপনার সুন্দর করে সাজানো-গোছানো জীবন, এমনটাই বলছে জ্যোতিষশাস্ত্র।
আরও পড়ুন:

কিন্তু কেন এমন হয়? শাস্ত্র অনুযায়ী, বাথরুমকে মনে করা হয় অপবিত্র স্থান। কারণ, সেখানে বর্জ্য ত্যাগ করা হয়। তাই মনে করা হয়, বাথরুমে থাকে নেতিবাচক শক্তি। বলা হয়, বাথরুমে মোবাইল ব্যবহার করলে জীবনে রাহুর প্রভাব বাড়ে। যা সাজানো জীবন মুহূর্তে নষ্ট করে দিতে পারে। আসলে বর্তমান সময়ে অফিস থেকে ব্যাঙ্ক, টাকা-পয়সা, সবটাই থাকে মোবাইলে। এখানেই শেষ নয়, মোবাইলে কোনও না কোনওভাবে থাকে দেব-দেবীর ছবি। ফলে ফোন নিয়ে বাথরুমে গেলে পরোক্ষভাবে দেবতাদের নিয়ে যাওয়া হয় বাথরুমে। যা কখনই কাম্য নয়। এতে অসন্তুষ্ট হন মা লক্ষ্ণী। যার প্রভাবে আর্থিকভাবে সমস্যায় পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়।
তবে শুধু আর্থিক ক্ষতি নয়, এতে শারীরিক সমস্যাও দেখা দিতে পারে। নিশ্চয়ই ভাবছেন কীভাবে? বাথরুমে জীবাণু থাকাই স্বাভাবিক। ফোন নিয়ে সেখানে গেলে তা-ও জীবাণুর সংস্পর্ষে আসে। দীর্ঘক্ষণ ফোন নিয়ে বাথরুমে বসে থাকলে হজমে সমস্যা হওয়া খুব স্বাভাবিক বিষয়। অনেকেই মনে করেন বাথরুম আসলে ভাবনাচিন্তার জায়গা। তা কিন্তু নয়, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা হোক বা কোনও ইতিবাচক চিন্তার জায়গাই নয় শৌচাগার। তাই ফোন নিয়ে যাওয়ার অভ্যেস যদি থেকে থাকে, তা বদলে ফেলুন আজই।
সর্বশেষ খবর
-
সদ্যোজাত কোলে একদিনে ৭০টি রিল! জনপ্রিয় ইনফ্লুয়েন্সরের ‘আসক্তি’তে বিতর্কের ঝড়
-
‘কালের যাত্রায় পা মিলিয়ে’ মমতার সঙ্গ ছেড়ে বিধানসভায় চন্দ্রিমা, বৈঠক ঋতব্রত-সন্দীপনদের সঙ্গে
-
রাম মন্দিরের পর এবার বদ্রীনাথেও দানের টাকা চুরি! উচ্চপর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ
-
গাফিলতিতে ঢোকেনি অন্নপূর্ণার টাকা! ধূপগুড়ি পুরসভার ৩২ কর্মীকে শোকজ মহকুমা শাসকের
-
আরেকটু হাত বাড়ানোর কথা বলে ঋতুপর্ণা-অমর্ত্যর ‘নেভার মাইন্ড’, পড়ুন রিভিউ