সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, দুর্গাপুর: বাংলার প্রাচীন প্রবাদ, রথ টানলে দুর্গা আসে। এদিন থেকেই অধিকাংশ বনেদি বাড়ি কিংবা বারোয়ারি পুজোর কাজ শুরু হয়। তবে দুর্গাপুরের এমএএমসি বি টু বাজারে আজ থেকেই শুরু দুর্গাপুজো। দুর্গা দশমী পর্যন্ত প্রতিদিন মায়ের পুজো হবে।
ক্যালেন্ডার বলছে দুর্গাপুজোর বাকি এখনও প্রায় তিন মাস। কিন্তু তাতে কী? দেবীপক্ষের অনেক আগেই দুর্গাপুরে উমা এল বাপের বাড়ি! অক্ষয় তৃতীয়ার দিন থেকে শুরু হয় এখানকার মূর্তি তৈরির কাজ। দুর্গাপুর স্টেশন বাজারে মাটি দিয়ে তৈরি হয় দেবী প্রতিমা। কোনও সজ্জা না করেই শাড়ি পরিয়ে, ফুলের গয়নায় সাজিয়ে তোলা হয় মাকে। সেই মতো শুক্রবার রথযাত্রার দিন নিয়ে আসা হল মন্দিরে। কীভাবে পুজো হয় এখানে?
মূর্তি অনেকটাই আলাদা। দেবীর গায়ে মাটির প্রলেপ পড়লেও হয় না চক্ষুদান। নেই কোনও সজ্জাও। এই অবস্থাতেই আজ থেকে দুর্গা দশমী পর্যন্ত পুজো হবে। একই সঙ্গে চলবে দেবী মূর্তি তৈরি করার বাকি কাজ। ৫৫ বছর ধরে এভাবেই চলে আসছে দুর্গাপুরের সর্বমঙ্গলা দুর্গা মন্দিরে সর্বজনীন দুর্গাপুজো। পুরান মতে পুজো হয়। দুর্গা অষ্টমীর সন্ধিক্ষণে হয় সন্দেশ বলি।

কৌশিক দাশগুপ্ত নামের এলাকার বাসিন্দা বলেন, “৫৫ বছর ধরে এই ভাবেই হয়ে আসছে পুজো। সেই রীতি মেনে আমরাও পুজো পরিচালনা করি। আজ থেকেই নিত্য পুজো হবে। সকাল সন্ধ্যা পুজোয় সামিল হন এলাকার মানুষ। ভক্তি ভরে মাকে ডাকলে মা সবার মনস্কামনা পূরণ করেন।” শুভদীপ সাহা ও অনুমিতা সিকদাররা বলেন, “পুজোর চারদিন তো মজা হয়ই। তবে আজ সন্ধ্যা থেকেই আমাদের পুজো শুরু। প্রতিদিন সকালেও পুজো হয়। সব মিলিয়ে তিন মাস আগে থেকেই আমাদের পুজো শুরু হয়ে গেল।”
সর্বশেষ খবর
-
গলায় মালা, দু’হাত তুলে নাচ! দিঘার জগন্নাথ সংস্কৃতি ক্ষেত্রে শিশির, বললেন ‘পারিবারিক স্টাইল’
-
ইরানের ‘হুমকি’তে আপাতত বন্ধ হামলা, আবারও বৈঠকে তেহরান-ওয়াশিংটন, আদৌ ফিরবে শান্তি?
-
১০৮ কলস জলে স্নান, ৫৬ ভোগের ব্যবস্থা, দিঘার জগন্নাথদেবের স্নানযাত্রার পর গজবেশ
-
‘নিজকে এই ইন্ডাস্ট্রির বাইরের সদস্য মনে হয়নি’, ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’ নিয়ে আড্ডায় জয়া
-
প্রথমবার বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় কানাডা, ‘তোমরাই নায়ক’, ঐতিহাসিক জয়ে উচ্ছ্বসিত কোচ