Mokshada Ekadashi

বিষ্ণুর আরধনায় মোক্ষলাভ! কবে মোক্ষদা একাদশী? এই নিয়মগুলি অবশ্যই মেনে চলুন

এটি বছরের শেষ একাদশীও বটে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৪, ২০২৪, ১৮:৪৯

options
link
বিষ্ণুর আরধনায় মোক্ষলাভ! কবে মোক্ষদা একাদশী? এই নিয়মগুলি অবশ্যই মেনে চলুন
ছবি: সংগৃহীত।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মোক্ষদা একাদশী। দিনই ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে গীতার মাহাত্ম্য বুঝিয়েছিলেন। তাই এদিনের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে। চলতি মাসের ১১ তারিখ মোক্ষদা একাদশী। বছরের ২৪টি একাদশীর অন্যতম এটি। নাম থেকেই পরিষ্কার, এই একাদশীতে ব্রতপালনে মোক্ষপ্রাপ্তি হয়। এটি বছরের শেষ একাদশীও বটে।

Advertisement

বিশ্বাস অনুসারে, এই দিনে একাদশী উপবাস পালনকারী ভক্তরা ভগবান বিষ্ণুর বিশেষ আশীর্বাদ লাভ করেন। পাশাপাশি, তাঁদের পূর্বপুরুষদের আত্মাও শান্তি পায়। দিনটি গীতা জয়ন্তী হিসাবেও পালন করা হয়। আসুন জেনে নেওয়া যাক এবার এই একাদশীর তিথি লগ্ন কী এবং এই দিনে কোন জিনিস বাড়িতে আনা খুবই শুভ বলে মনে করা হয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ডিসেম্বর মাসের শুল্কপক্ষের একাদশীকে মোক্ষদা একাদশী বলা হয়। চলতি বছরে ১১ ডিসেম্বর ৩টে ৪২মিনিটে একাদশী তিথির শুরু। যা শেষ হবে ১২ ডিসেম্বর দুপুর ১টা ৯ মিনিটে।

Advertisement

মোক্ষদা একাদশী পুজোর নিয়ম:

১. দিনের শুরুতে স্নান করে প্রথমেই ভগবান বিষ্ণুর ধ্যান করুন। তার পর যে স্থানে মূর্তি বা ছবি স্থাপন করবেন তা ভালো করে পরিষ্কার করে নিন।
২. নারায়ণকে হলুদ ফুল, বস্ত্র, চন্দন অর্পণ করুন।
৩. দেবতার সামনে ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালান।
৪. মোক্ষদা একাদশীর কাহিনি দ্রুত পাঠ করুন এবং আরতি করুন।
৫. আরতি শেষে বিষ্ণুকে অন্ন অর্পণ করুন।

এইদিন কামধেনু গরুর মূর্তি বাড়িতে আনা শুভ বলে মনে করা হয়। কথিত আছে, এই গরুর মূর্তি পুজো করলে ঘরে সুখ-সমৃদ্ধি আসে। সাদা হাতির মূর্তিও বাড়িতে আনা যায়। সাদা হাতি ভগবান বিষ্ণুর প্রিয়। তুলসী গাছ বাড়িতে আনাও শুভ বলে মনে করা হয়। এদিন বাড়িতে মাছের প্রতিমাও আনা যেতে পারে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.