সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মোক্ষদা একাদশী। দিনই ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে গীতার মাহাত্ম্য বুঝিয়েছিলেন। তাই এদিনের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে। চলতি মাসের ১১ তারিখ মোক্ষদা একাদশী। বছরের ২৪টি একাদশীর অন্যতম এটি। নাম থেকেই পরিষ্কার, এই একাদশীতে ব্রতপালনে মোক্ষপ্রাপ্তি হয়। এটি বছরের শেষ একাদশীও বটে।
বিশ্বাস অনুসারে, এই দিনে একাদশী উপবাস পালনকারী ভক্তরা ভগবান বিষ্ণুর বিশেষ আশীর্বাদ লাভ করেন। পাশাপাশি, তাঁদের পূর্বপুরুষদের আত্মাও শান্তি পায়। দিনটি গীতা জয়ন্তী হিসাবেও পালন করা হয়। আসুন জেনে নেওয়া যাক এবার এই একাদশীর তিথি লগ্ন কী এবং এই দিনে কোন জিনিস বাড়িতে আনা খুবই শুভ বলে মনে করা হয়।
ডিসেম্বর মাসের শুল্কপক্ষের একাদশীকে মোক্ষদা একাদশী বলা হয়। চলতি বছরে ১১ ডিসেম্বর ৩টে ৪২মিনিটে একাদশী তিথির শুরু। যা শেষ হবে ১২ ডিসেম্বর দুপুর ১টা ৯ মিনিটে।
মোক্ষদা একাদশী পুজোর নিয়ম:
১. দিনের শুরুতে স্নান করে প্রথমেই ভগবান বিষ্ণুর ধ্যান করুন। তার পর যে স্থানে মূর্তি বা ছবি স্থাপন করবেন তা ভালো করে পরিষ্কার করে নিন।
২. নারায়ণকে হলুদ ফুল, বস্ত্র, চন্দন অর্পণ করুন।
৩. দেবতার সামনে ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালান।
৪. মোক্ষদা একাদশীর কাহিনি দ্রুত পাঠ করুন এবং আরতি করুন।
৫. আরতি শেষে বিষ্ণুকে অন্ন অর্পণ করুন।
এইদিন কামধেনু গরুর মূর্তি বাড়িতে আনা শুভ বলে মনে করা হয়। কথিত আছে, এই গরুর মূর্তি পুজো করলে ঘরে সুখ-সমৃদ্ধি আসে। সাদা হাতির মূর্তিও বাড়িতে আনা যায়। সাদা হাতি ভগবান বিষ্ণুর প্রিয়। তুলসী গাছ বাড়িতে আনাও শুভ বলে মনে করা হয়। এদিন বাড়িতে মাছের প্রতিমাও আনা যেতে পারে।
সর্বশেষ খবর
-
বদ্রীনাথে অনুদান চুরির তদন্তে চার সদস্যের কমিটি, সাত দিনের মধ্যে রিপোর্ট তলব
-
বাথরুমে লুকিয়ে দাড়ি কাটছেন স্ত্রী! ৩ বছর সংসারের পর এ দৃশ্যে স্তম্ভিত স্বামী, তারপর…
-
বারুইপুরের নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে কথা মমতার, বাড়ির সামনে পুলিশ মোতায়েন নিয়ে ক্ষোভ
-
কেন বাতিল হল অন্নপূর্ণার আবেদন? খতিয়ে দেখতে বাড়ি বাড়ি যাবেন সরকারি কর্মীরা, আশ্বাস মন্ত্রীর
-
হোয়াটসঅ্যাপের নয়া ‘ইউজারনেম’ ফিচারে শঙ্কা, ব্যাখ্যা দিতে তিনদিন অতিরিক্ত সময় পেল মেটা