World's 20 Hottest Cities

বিশ্বের উষ্ণতম ২০ শহরের ১৯টিই ভারতে, পুড়ছে বাংলার কোন কোন জেলা?

বৈশ্বিক উষ্ণায়নের চরম রূপ দেখছে দক্ষিণ এশিয়া। বসন্তের বিদায়বেলাতেই কার্যত আগুনের গোলায় পরিণত হয়েছে ভারতীয় উপমহাদেশ। বিশ্বজুড়ে তাপমাত্রার রেকর্ড ভাঙাগড়ার খেলায় প্রথম সারিতে উঠে এল ভারতের একাধিক শহর। রয়েছে বাংলার বেশ কিছু জেলা। কী কী জানেন?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২১, ২০২৬, ১৯:৩২

options
link
বিশ্বের উষ্ণতম ২০ শহরের ১৯টিই ভারতে, পুড়ছে বাংলার কোন কোন জেলা?
ভারতের ১৯ শহরে বইছে তীব্র তাপপ্রবাহ। ছবি: সংগৃহীত

বৈশ্বিক উষ্ণায়নের চরম রূপ দেখছে দক্ষিণ এশিয়া। বসন্তের বিদায়বেলাতেই কার্যত আগুনের গোলায় পরিণত হয়েছে ভারতীয় উপমহাদেশ। বিশ্বজুড়ে তাপমাত্রার রেকর্ড ভাঙাগড়ার খেলায় প্রথম সারিতে উঠে এল ভারতের একাধিক শহর। সাম্প্রতিক এক পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, বিশ্বের সবথেকে উত্তপ্ত ২০টি শহরের তালিকায় ১৯টিই ভারতের দখলে। বিহার থেকে ওড়িশা কিংবা পশ্চিমবঙ্গ— সর্বত্রই সূর্যের চোখরাঙানি চরমে পৌঁছেছে। এক কথায়, বিশ্ব উষ্ণায়নের ভরকেন্দ্রে এখন আমাদের দেশ।

Advertisement

আবহাওয়াবিদদের মতে, এই পরিস্থিতি কেবল বিচ্ছিন্ন তাপপ্রবাহ নয়। বরং এক বড়সড় বায়ুমণ্ডলীয় পরিবর্তনের সংকেত। ২১ এপ্রিলের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তাপমাত্রার তালিকায় শীর্ষে রয়েছে বিহারের ভাগলপুর, ওড়িশার তালচের এবং পশ্চিমবঙ্গের আসানসোল, দুর্গাপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূম, বাঁকুড়া সহ আরও বেশ কিছু জেলা। প্রতিটি শহরেই পারদ ছুঁয়েছে ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর ঠিক পরেই রয়েছে মোতিহারি, মুঙ্গের এবং সিওয়ানের মতো শহরগুলি। ভারতের বাইরে এই তালিকার একমাত্র নাম নেপালের লুম্বিনি। সাধারণত পারদ ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করলে তাপপ্রবাহ ধরা হয়। তবে বর্তমানে ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে তাপমাত্রা ৪৩ থেকে ৪৪ ডিগ্রির ঘরে ঘোরাফেরা করছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

Warmest Jela

Advertisement

 

অস্বাভাবিক গরমের নেপথ্যে কী?
এই চরম তাপপ্রবাহের পিছনে একাধিক ভৌগোলিক ও জলবায়ুগত কারণ রয়েছে। প্রথমত, আকাশ মেঘমুক্ত থাকায় সরাসরি সূর্যরশ্মি ভূখণ্ডকে তপ্ত করে তুলছে। উত্তর ও মধ্য ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে এই ‘সোলার হিটিং’ অত্যন্ত তীব্র। দ্বিতীয়ত, ইউরেশিয়া এবং হিমালয় অঞ্চলে শীতকালীন তুষারপাতের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। বরফ কম থাকায় সূর্যের আলো মহাকাশে প্রতিফলিত হতে পারছে না। ফলে মাটি দ্রুত গরম হয়ে উঠছে।

একইসঙ্গে সমুদ্রের তাপমাত্রার পরিবর্তন বা এল-নিনো পরিস্থিতির প্রভাবও এড়িয়ে যাওয়া যাচ্ছে না। শুকনো উত্তর-পশ্চিমী বাতাস সমতল ভূখণ্ডের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়ার ফলে মেঘ তৈরির প্রক্রিয়া বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে। ফলে বৃষ্টির দেখা নেই। বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলেই এই ধরনের চরম আবহাওয়া বারবার ফিরে আসছে। ২২ থেকে ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আগামী কয়েক সপ্তাহে স্বস্তির কোনও ইঙ্গিত নেই। বরং তাপপ্রবাহের তীব্রতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে কয়েক গুণ। এভাবেই এপ্রিলের মাঝামাঝিতেই যেন আগাম গ্রীষ্মের লেলিহান শিখায় পুড়ছে ভারত।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.