সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মৃত্যু চিরকালই এক অমীমাংসিত রহস্য। কিন্তু মৃত্যুর ঠিক আগে শরীর কি কোনও সংকেত দেয়? এক ঘণ্টা আগে থেকেই কি মানুষ বুঝতে পারে যে শেষ সময় উপস্থিত? দাবি করা হচ্ছে, মানুষের এক আশ্চর্য ‘ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়’ রয়েছে, যা মৃত্যুর খবর আগেভাগেই জানিয়ে দেয়। চিকিৎসাবিজ্ঞান অবশ্য এই বিষয়টিকে সমর্থন করে না।
চিকিৎসকদের মতে, মৃত্যু কোনও হঠাৎ ঘটে যাওয়া ঘটনা নয়। এটি একটি ধীর প্রক্রিয়া। মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা বা কয়েক দিন আগে থেকেই শরীরের হৃদস্পন্দন, শ্বাসপ্রশ্বাসের ধরন এবং অক্সিজেনের মাত্রায় পরিবর্তন আসতে শুরু করে। রক্ত সঞ্চালনেও বদল আসে। এর ফলে অবচেতন মনে বা ইন্দ্রিয়ের অভিজ্ঞতায় এক ধরণের পরিবর্তন ধরা পড়ে। চিকিৎসকরা একে ‘ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়’ না বলে বরং শরীরের শেষ মুহূর্তের সংকেত হিসেবেই দেখেন।
মৃত্যুর ঠিক আগে মস্তিষ্কে বিদ্যুতের ঝিলিকের মতো এক ধরণের তীব্র তরঙ্গ তৈরি হয়। মাথার মধ্যে রাসায়নিক বদল লক্ষ্য করা যায়। অক্সিজেনের অভাব এবং প্রচণ্ড উত্তেজনার বিরুদ্ধে মস্তিষ্কের এটি একটি জৈবিক প্রতিক্রিয়া মাত্র। অনেক সময় মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা ব্যক্তিরা উজ্জ্বল আলো বা ফেলে আসা স্মৃতি চোখের সামনে ভেসে ওঠার কথা বলেন। বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ‘ফিলিং অফ নোয়িং’।
অলৌকিক না কি বিজ্ঞান?
এক ঘণ্টা আগে সচেতনভাবে কেউ নিজের মৃত্যু অনুভব করতে পারেন—এমন কোনও অকাট্য প্রমাণ গবেষকদের কাছে নেই। তবে শরীর ও মস্তিষ্কের এই জটিল পরিবর্তনগুলি মিলে একটি তীব্র অনুভূতির সৃষ্টি করে, যা সাধারণ মানুষের কাছে অলৌকিক মনে হতে পারে। আদতে এটি পুরোটাই শারীরবৃত্তীয় এবং স্নায়বিক কার্যকলাপ। বিজ্ঞান বলছে, ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় নয়, বরং মস্তিষ্কের শেষ লড়াই-ই আমাদেরকে এই অনুভূতির পথে নিয়ে যায়।
সর্বশেষ খবর
-
‘দাদাগিরি সঞ্চালনার থেকে অনেক কঠিন’, কোন বিষয়ে দেবের সঙ্গে রসিকতা ভক্তের?
-
স্টিলের থালার দাম ১৫০০ টাকা! মার্কিন সুন্দরীর ‘স্ক্রোম প্লেটে’র ভিডিও দেখে হতবাক ভারতীয়রা
-
তৃণমূলের নেতার ভাই পাকিস্তানি গুপ্তচর! ইসলামপুর থেকে এসটিএফের জালে ফজলে রাব্বি
-
লক্ষ্য চিকেনস নেকের সুরক্ষা, উত্তরবঙ্গে পৌঁছেই জনপ্রতিনিধিদের বৈঠকে ডাকলেন শাহ
-
প্রতিবাদের নামে ‘উচ্ছৃঙ্খলতা’র অভিযোগ, সেনার কাছে ক্ষমা চাইলেন সেই জেন জি তরুণী