Reproduction

মহাশূন্যে মানব প্রজনন! মহাকাশে কৃত্রিম ভ্রূণ মডেল পাঠিয়ে গবেষণা শুরু চিনের

বিশেষ করে মহাশূন্যে 'মাইক্রোগ্র্যাভিটি' এবং 'কসমিক রেডিয়েশন'-এর প্রভাব মানব প্রজননের একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ের উপর ঠিক কীভাবে পড়ে বা আদৌ পড়ে কি না-তারই হদিশ পেতে এবার তৎপর হয়েছেন চিনের মহাকাশ বিজ্ঞানীরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩০, ২০২৬, ১৫:১৮

options
link
মহাশূন্যে মানব প্রজনন! মহাকাশে কৃত্রিম ভ্রূণ মডেল পাঠিয়ে গবেষণা শুরু চিনের
প্রতীকী ছবি।

মহাশূন্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষার আওতায় এবার মানবজাতির বংশবিস্তারও। হ্যাঁ, প্রজনন সংক্রান্ত গবেষণার ফল মহাশূন্যে ঠিক কেমন হয়, তা জানতেই এবার বড় পদক্ষেপ করল চিন। বিশেষ করে মহাশূন্যে ‘মাইক্রোগ্র্যাভিটি’ এবং ‘কসমিক রেডিয়েশন’-এর প্রভাব মানব প্রজননের একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ের উপর ঠিক কীভাবে পড়ে বা আদৌ পড়ে কি না-তারই হদিশ পেতে এবার তৎপর হয়েছেন চিনের মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। আর সেই কারণেই তারা শুরু করেছেন বিশ্বের প্রথম মহাকাশ গবেষণা, যেখানে কৃত্রিম মানব এমব্রায়ো তথা ভ্রুণ মডেল এবং স্টেম সেল থেকে পাওয়া কাঠামো ব্যবহার করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ব্যবহার্য সামগ্রী পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে তিয়াংগং স্পেস স্টেশনে। তিয়াংঝৌ কার্গো স্পেসক্র্যাফটে করে তা পৌঁছেছে গন্তব্যে। তা-ও আবার চলতি মাসের একেবারে গোড়ার দিকে। চাইনিজ অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্সেস’ ইনস্টিটিউট অফ জুওলজি-র গবেষকরা এই গবেষণা চালাচ্ছেন বলেই খবর।

Advertisement

গবেষণা সংক্রান্ত যে তথ্য এখনও পর্যন্ত হাতে এসেছে, তা অনুযায়ী-যে কৃত্রিম ‘এমব্রায়ো’ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে তা কখনও, কোনওদিনই ‘ফোটাস’-এ পরিণত হবে না। সে কারণেই গবেষকরা এগুলিকে ‘আর্টিফিসিয়াল এমব্রায়ো মডেল’ বলে অভিহিত করেছেন, যা তৈরি করা হয়েছে মানব স্টেম সেল থেকে। ‘ফার্টিলাইজেশন’ তথা নিষিক্তকরণ-এর ১৪-২১ দিন পর আসল এমব্রায়োর যে পরিস্থিতি হয়, তারই প্রতিরূপ নিয়ে চলছে মহাশূন্যে গবেষণা। এদের বিশেষত্ব হল, এগুলি নিজে থেকে বিভাজিত হতে পারে। কিন্তু শেষপর্যন্ত কোনওভাবেই এর থেকে প্রাণের সঞ্চার হতে পারে না।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

চাইনিজ অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্সেস’ ইনস্টিটিউট অফ জুওলজি-র তরফে এই প্রোজেক্টের প্রধান ইউ লেকিয়ান বলেন, “আমরা আশা করি, মহাশূন্যের পরিবেশে মানব এমব্রায়োনিক গ্রোথের ক্ষেত্রে কী কী চ্যালেঞ্জ আসতে পারে, তা খতিয়ে দেখে জানাতে সক্ষম হওয়ার। তবে আমরা আসল ভ্রুণ নিয়ে পরীক্ষা করছি না। আমরা এক ধরনের মডেল নিয়ে পরীক্ষা করছি।” লেকিয়ানের দাবি, তাঁরা একটি অত্যন্ত যুক্তিগত প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন। আর তা হল, “মানবজাতি কি মহাশূন্যে অস্তিত্ব রক্ষায় সক্ষম? মহাশূন্যে মানব প্রজনন কি সম্ভব?”

Advertisement
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন