El Nino

তীব্র গরমে পুড়বে ভারত, এল নিনোর প্রভাবে ঘাটতি বর্ষাতেও! ভয়ংকর পূর্বাভাস আবহাওয়াবিদদের

আগামী তিন দিন জম্মু ও কাশ্মীর ও হিমাচল প্রদেশের মতো শীত প্রধান অঞ্চলে দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ৫-৭ ডিগ্রি বেশি থাকবে। অন্যদিকে দিল্লি, গুজরাট-সহ উত্তর-পশ্চিম ভারতে সমতল এলাকায় তাপমাত্রা ৪-৬ ডিগ্রি বেশি থাকবে বলে পূর্বাভাস।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১১, ২০২৬, ১৫:৩২

options
link
তীব্র গরমে পুড়বে ভারত, এল নিনোর প্রভাবে ঘাটতি বর্ষাতেও! ভয়ংকর পূর্বাভাস আবহাওয়াবিদদের
ছবি: সংগৃহীত

গরমের মরশুম পুরোপুরি শুরু হয়েছে এখনই বলা যায় না। তবে মার্চ মাস থেকেই খেলা দেখাতে শুরু করেছে গরম। আরও খারাপ খবর দিল, বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা। তাদের পূর্বাভাস, চলতি বছরে এল নিনোর প্রভাবে আগামী কয়েকমাস ব্যাপক গরম পড়তে পারে। প্রভাব পড়বে বর্ষায়। তবে অনেক বিজ্ঞানীদের মত,এত তাড়াতাড়ি পূর্বাভাস দেওয়া উচিত নয়। তবে ভারতে গরম বাড়বে সে বিষয়ে একমত অধিকাংশ আবহাওয়াবিদ।

Advertisement

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার আপডেটে বলা হয়েছে, জলবায়ুগত পরিবর্তনের কারণে মার্চ ও মে মাসে ভূমি পৃষ্টের তাপমাত্রা গড়ের চেয়ে বেশি হয়ে গিয়েছে। যা ইতিমধ্যেই প্রভাব ফেলছে ভারতে। অনেক জায়গায় তীব্র তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মৌসম ভবন এখনই এল নিনোর প্রভাবের কথা মেনে না নিলেও, মঙ্গলবার পূর্বাভাস দিয়েছে, আগামী তিন দিন জম্মু ও কাশ্মীর ও হিমাচল প্রদেশের মতো শীত প্রধান অঞ্চলে দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ৫-৭ ডিগ্রি বেশি থাকবে। অন্যদিকে দিল্লি, গুজরাট-সহ উত্তর-পশ্চিম ভারতে সমতল এলাকায় তাপমাত্রা ৪-৬ ডিগ্রি বেশি থাকবে বলে পূর্বাভাস।

Advertisement

ভূ-বিজ্ঞান মন্ত্রকের প্রাক্তন সচিব মাধবন রাজীবন বলেন, “মরশুমে দ্বিতীয়ার্ধে এল নিনোর প্রভাব পড়তে পারে। এই মুহূর্তে মাঝারি প্রভাব পড়তে পারে। তবে এই মুহূর্তে ভবিষৎবাণী করা ঠিক হবে না। জুন মাসে এল নিনোর প্রভাব আরও বেশি করে বোঝা যাবে।”

কী এই এল নিনো? প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে পেরুর পাশে ভূপৃষ্ঠের উত্তপ্ত হওয়াকেই এল নিনো বলে। এল নিনোর ধাক্কায় সমুদ্রের তাপমাত্রা ও আবহাওয়ামণ্ডলে পরিবর্তন আসে। সমুদ্রের তাপমাত্রা ৪-৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসও বেড়ে যেতে পারে। মোটামুটি ২ থেকে ৭ বছর অন্তর এল নিনোর প্রভাবে সারা বিশ্বের আবহাওয়াই প্রভাবিত হয়। যদি এবারের বর্ষায় এল নিনোর প্রভাব বজায় থাকে তাহলে বৃষ্টির ঘনত্ব কমবে। ফলে সমস্যায় পড়বেন কৃষকরা। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.