ISRO

ফের নয়া মিশন ISRO’র, জাপানের সঙ্গে হাত মিলিয়ে চন্দ্রাভিযানে ভারতীয় মহাকাশ সংস্থা

চাঁদের অন্ধকারাচ্ছন্ন দিকে আলো ফেলতেই এই মিশন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৭, ২০২২, ১৫:৩৫

options
link
ফের নয়া মিশন ISRO’র, জাপানের সঙ্গে হাত মিলিয়ে চন্দ্রাভিযানে ভারতীয় মহাকাশ সংস্থা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের নতুন মিশনে নামছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো (ISRO)। এবার জাপানের সঙ্গে হাত মিলিয়ে চন্দ্রাভিযানে (Moon Mission)নামছেন বিজ্ঞানীরা। মঙ্গল থেকে ফিরেই নতুন অভিযানের প্রস্তুতি শুরু হবে বলে ইসরো সূত্রে খবর। পরিকল্পনা রয়েছে আরও। মঙ্গলের পর শুক্র গ্রহ নিয়ে গবেষণা করার কথা ভারতীয় মহাকাশ সংস্থার। আর তারপরই জাপানের (Japan) সঙ্গে যৌথভাবে চাঁদের অন্ধকার দিকে নামবে ইসরোর পাঠানো যান।

Advertisement

আহমেদাবাদের (Ahmedabad) ফিজিক্যাল রিসার্ট ল্যাবরেটরি সম্প্রতি ইসরোর ভবিষ্যৎ মিশন সম্পর্কে বক্তব্য জানাতে গিয়ে ডিরেক্টর অনিল ভরদ্বাজ জানিয়েছেন, জাপানের এরোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সির (JAXA) সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। এবার তাদের সঙ্গে যৌথভাবে চাঁদে রোভার পাঠানো হবে। উপগ্রহের অন্ধকার দিক সম্পর্কে তথ্য পেতে এই মিশনে নামছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। বিজ্ঞানের পরিভাষায় যাকে বলা হচ্ছে PSR জোন। চাঁদের দক্ষিণ মেরুর (South Pole) একটি অংশ, সবসময়ে তা বরফাবৃত ও অন্ধকারাচ্ছান্ন হয়ে থাকে। আর সেই অন্ধকারেই আলো খুঁজতে জাপান ও ভারতের যৌথ প্রয়াস।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: আর্থিকভাবে অনগ্রসরদের জন্য সংরক্ষণ বৈধ, ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের]

অনিল ভরদ্বাজ জানিয়েছেন, আগামী বছরের প্রথমার্ধ্বের মধ্যে চন্দ্রযান-৩ উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা আছে। তারপর শুক্র। এই দুই মিশন যত দ্রুত সম্ভব শেষ করতে চায় ইসরো। তারপর জাপানের সঙ্গে নতুন অভিযান। জানা যাচ্ছে, প্রয়োজনে চন্দ্রযান-৩’এর রোভারটি আবার ব্যবহার করা হতে পারে। এই লক্ষ্যে ৪০০ কেজির একটি স্যাটেলাইট তৈরি করা হচ্ছে। তা পৃথিবী থেকে ১৫ লক্ষ কিলোমিটার দূরের কক্ষপথে স্থাপন করে কাজ চালানোর লক্ষ্য রয়েছে বিজ্ঞানীদের। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: সুপ্রিম কোর্টে বড় স্বস্তি হেমন্ত সোরেনের, হাই কোর্টের তদন্তের নির্দেশিকায় স্থগিতাদেশ]

জাপানের পরিকল্পনা অনুযায়ী, দক্ষিণ মেরুর কাছাকাছি কোনও এক জায়গায় রকেটের মাধ্যমে রোভার  (Rover) অবতরণ করানো হবে। এরপর সেটি ছায়াঘেরা অঞ্চলে ঘুরে বেড়িয়ে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করবে। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন