Cosmic Brain

জেমস ওয়েব খুঁজে পেল মহাজাগতিক ‘মস্তিষ্ক’! পাঁচ হাজার আলোকবর্ষ দূরে লুকিয়ে কোন রহস্য?

জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা একে ডাকছেন 'নেবুলা পিএমআর ১' বলে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১২, ২০২৬, ১৬:৫০

options
link
জেমস ওয়েব খুঁজে পেল মহাজাগতিক ‘মস্তিষ্ক’! পাঁচ হাজার আলোকবর্ষ দূরে লুকিয়ে কোন রহস্য?
জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা একে ডাকছেন 'নেবুলা পিএমআর ১' বলে।

বলা হয়, এই ব্রহ্মাণ্ডের রসবোধ সাংঘাতিক! পাঁচ হাজার আলোকবর্ষ দূরে ভেলা নক্ষত্রপুঞ্জে দেখা মিলল তারার মৃত্যুর। আর সেই সময়ই এমন এক দৃশ্য দেখা গেল, যা মানুষের চোখে ধরা পড়ে অবিকল মানব মস্তিষ্কের মতো! যাকে ঘিরে জাগছে বিস্ময়। ভাইরাল হয়ে গিয়েছে সেই ছবি।

Advertisement

জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা একে ডাকছেন ‘নেবুলা পিএমআর ১’ বলে। কিন্তু সেটা ‘ভালো’ নাম। ‘ডাকনাম’ হল উন্মুক্ত করোটি। সদ্য জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের লেন্সে ধরা পড়েছে সেই দৃশ্য। এখানে বলে রাখা ভালো ধূলিকণা, হাইড্রোজেন, হিলিয়াম ও অন্যান্য আয়নিত গ্যাসের মিশ্রণে গঠিত হয় একটি নেবুলা। এটা আসলে নতুন তারার জন্মস্থল। এবং একই সঙ্গে মৃত্যুর মুখে পড়া নক্ষত্রদেরও কবর বটে! যাকে ডাকা হয় সুপারনোভা বলে। আলোচিত নেবুলার নাম ক্রেনিয়াম নেবুলা। এটি একটি প্ল্যানেটারি নেবুলা। তবে এই নাম সত্ত্বেও এটা মোটেই কোনও গ্রহ নয়। এবং এটা ক্রমশ প্রসারিত হচ্ছে।

Advertisement

কোনও তারা যখন তার শেষ দশায় পৌঁছায় তখন সেটি তার ‘পেটে’র সব জ্বালানি খুইয়ে ফেলে। এই সময় তার বাইরের স্তরের গ্যাস ও ধুলোকে ত্যাগ করতে থাকে সেই তারাটি। ফলে তার বাইরে একটি খোলস তৈরি হয়। ছবিতে সেই অবস্থাই দেখা যাচ্ছে। যা দেখে যেন মনে হচ্ছে সেটির শরীর থেকে মাংস খসে পড়ছে। এবং বাইরের স্তরগুলি শূন্যের দিকে মিলিয়ে যাচ্ছে। এমন আশ্চর্য দৃশ্য দেখে মুগ্ধ মহাকাশপ্রেমীরা।

Advertisement

২০২১ সালের ডিসেম্বরেই মহাকাশে পাড়ি দিয়েছিল উচ্চপ্রযুক্তি সম্পন্ন জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ। দীর্ঘ দু’ সপ্তাহ পরে তা কর্মক্ষম হয়ে ওঠে। হাবল স্পেস টেলিস্কোপের উত্তরসূরি তারপর থেকেই মহাজাগতিক আশ্চর্য সব ছবি পাঠিয়ে চলেছে। হাবলের তুলনায় তার ছবিগুলি আরও নিখুঁত, আরও স্পষ্ট। এবার সেই টেলিস্কোপেই ধরা পড়ল তারার অন্তিম দশা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.