সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের রক্তচোষা ভ্যাম্পায়ার মাছের (Vampire fish) দেখা মিলল আমেরিকায়! মৎস্যজীবী ও পর্যটকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে ল্যাম্প্রে মাছের পুনরাবির্ভাব ঘিরে। করোনার আগে ওই মাছের সংখ্যা অনেকটাই কমে গিয়েছিল। নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছিল নির্দিষ্ট পরিকল্পনা করে। কিন্তু অতিমারীর সময় তা সম্ভব না হওয়ায় দ্রুত বেড়ে গিয়েছে ওই মাছের সংখ্যা। এখন যা আতঙ্ক ছড়াচ্ছে।
ঠিক কেমন এই ল্যাম্প্রে মাছ? ইলের মতোই পরজীবী এই মাছ মোটামুটি ৬ থেকে ১২ ইঞ্চির মতো লম্বা হয়। বলা হয়, ডাইনোসরের আগে থেকেই পৃথিবীতে এরা রয়েছে। কিন্তু শিল্প দূষণের কারণে এদের সংখ্যা কমতে শুরু করেছিল। বহু নদী থেকেই এরা বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল। এদের দু’ধরনের দাঁত হয়। একধরনের দাঁত দিয়ে অন্য মাছকে আঁকড়ে ধরে। অন্য ধরনের দাঁত লাগে রক্ত চোষার কাজে।
[আরও পড়ুন: ‘এক লাখে জিতিয়েছিলেন, দু’লাখে হারান’, মেদিনীপুরে দাঁড়িয়ে দিলীপকে তোপ অভিষেকের]
এদের বিপন্ন প্রাণী হলেই ধরা হত। কিন্তু নতুন করে এই মাছের সংখ্যাবৃদ্ধিতে উদ্বেগ বাড়ছে। সুপিরিয়র হ্রদ, মিচিগান হ্রদ, হুরন হ্রদ, ইরি হ্রদ ও অন্টারিও হ্রদের মতো বহু জলাশয়ে ওই মাছের প্রকোপ নিয়ন্ত্রণ করতে ইতিমধ্যেই পদক্ষেপ করা হয়েছে। যেনতেন প্রকারেণ ল্যাম্প্রে মাছের দৌরাত্ম্য রুখতে মরিয়া পরিবেশবিদরা।
[আরও পড়ুন: ‘ভিক্ষের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার এখন ভগবানের অন্ন’, মেদিনীপুর থেকে বিজেপিকে তীব্র কটাক্ষ অভিষেকের]
সর্বশেষ খবর
-
অবসর বা অনির্দিষ্টকালের ছুটি নয়, পিতৃশোক কাটাতে মাঠেই ফিরলেন মেসি, চোখের জলে স্বাগত মায়ামির
-
ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আরও নজরদারি! প্রতিটি ডিভিশনে ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরো করছে লালবাজার
-
১৯৫৫ সালে রাজনৈতিক জীবন শুরু! ৯৩ বছরেও রোজ পঞ্চায়েতে যান অনিলকুমার
-
জেন জির হঠকারী যৌন জীবন! বঙ্গে বাড়ছে এডস
-
দেড় দশকের রুগ্ন পুরুলিয়ার লাক্ষা শিল্পে জোয়ার, জিআই স্বীকৃতির পরই খুলছে আন্তর্জাতিক বাজার