ডার্বির আগে কড়া হুঁশিয়ারির মুখে ইস্টবেঙ্গল, চিন্তায় ক্লাবকর্তারা

কী হুঁশিয়ারি দিল ফেডারেশন?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৫, ২০১৮, ১৯:৩১

options
link
ডার্বির আগে কড়া হুঁশিয়ারির মুখে ইস্টবেঙ্গল, চিন্তায় ক্লাবকর্তারা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জুনিয়র ডার্বিতে উত্তপ্ত হয়েছিল ময়দান। মুষ্টিমেয় লাল-হলুদ সমর্থকদের কাণ্ডে কলঙ্কের দাগ লেগেছিল ঐতিহ্যবাহী ইস্টবেঙ্গলের গায়ে। আর সেই কারণেই ডার্বির আগে কড়া হুঁশিয়ারির মুখে পড়তে হল ক্লাবকে। শনিবার এআইএফএফ-এর তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হল, এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটলে কড়া শাস্তির মুখে পড়তে হবে ইস্টবেঙ্গলকে।

Advertisement

[ডার্বির আগে মোহনবাগান আক্রমণকে সমীহ আলেজান্দ্রোর]

গত মাসে অনূর্ধ্ব ১৮-র আই লিগের ফিরতি ডার্বি ছিল ইস্টবেঙ্গলের ঘরের মাঠে। ম্যাচ দেখতে গ্যালারিতে ভিড় জমিয়েছিলেন দুই দলের সমর্থকরাই। খেলা চলাকালীন একটি ফাউলকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিবেশ। গ্যালারিতে উপস্থিত কয়েকজন লাল-হলুদ সমর্থক অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। তাঁদের সতর্ক করার চেষ্টা করেন অন্যান্য সিনিয়র সমর্থক ও সদস্যরা। কিন্তু তাঁদের কথা উপেক্ষা করেই অভব্য আচরণ চালিয়ে যান তরুণ সমর্থকরা। আর সেখান থেকেই শুরু হয় উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়। এই ঘটনার ছবি তুলতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছিলেন বাংলা সংবাদমাধ্যমের এক সাংবাদিক। তাঁকে বাঁচাতে এসে উত্তেজিত সমর্থকদের হাতে জখম হতে হয় আরও কয়েকজন সাংবাদিককে। যাঁদের মধ্যে ছিলেন এক মহিলাও। পুলিশ, ম্যাচ কমিশনার এবং বেশ কিছু সমর্থক এসে শেষমেশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। খেলার মাঠে এমন ঘটনা কখনওই কাম্য নয়। এর পুনরাবৃত্তি চান না কোনও দলের সমর্থকরাও। তাই সোশ্যাল মিডিয়ায় ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান, দুদলের সমর্থকরাই আরজি জানিয়েছেন শান্তিপূর্ণ ডার্বির। তবে এরই মধ্যে ডার্বিতে মাঠে বল গড়ানোর ২৪ ঘণ্টা আগে এআইএফএফ-এর কড়া হুঁশিয়ারির মুখে পড়ল ইস্টবেঙ্গল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[ডার্বির আগে বড় ধাক্কা মোহনবাগানের, চোটের জন্য ছিটকে গেলেন সোনি]

শনিবার এআইএফএফ-এর শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির বৈঠক ছিল। সেই বৈঠকের পরই ইস্টবেঙ্গল ক্লাবকর্তাদের জানিয়ে দেওয়া হয়, রবিবার আই লিগে মরশুমের প্রথম ডার্বিতে কোনওরকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি যাতে তৈরি না হয়, সেদিকে যেন বিশেষ নজর থাকে ক্লাবের। জুনিয়র ডার্বির মতো ফের পরিবেশ উত্তপ্ত হলে পরবর্তীকালে ঘরের মাঠে সমস্ত ম্যাচ দর্শকশূন্যভাবে খেলতে হবে লাল-হলুদকে। সেই সঙ্গে সংবাদমাধ্য়মের নিরাপত্তার দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। এমন নির্দেশের পর সতর্ক ইস্টবেঙ্গল। রবিবার আয়োজকের ভূমিকায় রয়েছে তারাই। তাই বড় ম্যাচে শান্তির পরিবেশ বজায় রাখতে সবরকম বন্দোবস্তই করছেন কর্তারা।

Advertisement

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.