Sub-Junior Football

সাব জুনিয়র ফুটবলের ফাইনালে হ্যাটট্রিক সাগ্নিকের, দশ বছর পর ভারতসেরা বাংলা

ভারতসেরা হওয়ার জন্য বাংলা দলকে শুভেচ্ছা জানান রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৭, ২০২৫, ১১:২৯

options
link
সাব জুনিয়র ফুটবলের ফাইনালে হ্যাটট্রিক সাগ্নিকের, দশ বছর পর ভারতসেরা বাংলা
অমৃতসরে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর টিম বাংলা।

বাংলা: ৩ (সাগ্নিক-৩)
দিল্লি: ০

Advertisement

স্টাফ রিপোর্টার: সাব জুনিয়র জাতীয় ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন বাংলা। সেমিফাইনালে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে মণিপুরকে হারানোর পর বৃহস্পতিবার ফাইনালে দিল্লিকে ৩-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হল গৌতম ঘোষের ছেলেরা। অমৃতসরে হওয়া ফাইনালে হ্যাটট্রিক করেন বাংলার সাগ্নিক কুণ্ডু। দশ বছর পর সাব জুনিয়র জাতীয় ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন হল বাংলার ছেলেরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বাংলা স্কোয়াডে মোহনবাগানের বয়সভিত্তিক দলের ছয় জন ও রাজ্য সরকারের বেঙ্গল ফুটবল অ্যাকাডেমির পাঁচ জন ফুটবলার রয়েছে। বিএফএ-র ফুটবলাররা হল সুমন গুঁই, অতনু মুর্মু, সৌম্যদীপ বারুই, সবুজ মণ্ডল ও উর্চিন সাহা। মোহনবাগানের থেকে বাংলা দলে রয়েছে ফাইনালের হ্যাটট্রিককারী সাগ্নিক কুণ্ডু। এই প্রতিযোগিতায় সাগ্নিকের গোল সংখ্যা ৯। মোহনবাগান থেকে আসা আরেক ফুটবলার সিধু সোরেন বাংলা হয়ে এই প্রতিযোগিতায় তিন গোল করেছে।

Advertisement

ভারতসেরা হওয়ার জন্য বাংলা দলকে শুভেচ্ছা জানান রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। তিনি বলেন, “সাব জুনিয়র ন্যাশনালের ফাইনালে দিল্লিকে ৩-০ গোলে হারিয়ে দীর্ঘ দশ বছর পর আবার ভারতসেরা হয়েছে বাংলা। বাংলার এই দলে প্রথম একাদশে মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের বেঙ্গল ফুটবল অ্যাকাডেমি থেকে নিয়মিত পাঁচ ফুটবলার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ভারতসেরা হওয়ার জন্য বাংলার ফুটবলার, কোচ, সাপোর্টিং স্টাফ ও কর্মকর্তাদের জানাই আন্তরিক অভিনন্দন। একই সঙ্গে শুভেচ্ছা রইল অনূর্ধ্ব-১৪ ফুটবলারদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য। জয় ভারত, জয় বাংলা।”

এদিন ভারতসেরা হওয়ার জন্য কোচ, ফুটবলারদের শুভেচ্ছা জানান আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্ত। একই সঙ্গে তিনি কোচ গৌতম ঘোষেরও প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “এই দলটাকে সুন্দরভাবে পরিচালনা করেছেন কোচ গৌতম ঘোষ। একই সঙ্গে আমরা এই দলে যে সব ফুটবলারদের ক্লাব আছে, তারা ছাড়া বাকি ফুটবলারদের একত্র করে সারা বছর একটা কোচিং শিডিউলের মধ্যে রাখব। যাতে পরবর্তী সময়ে এই ফুটবলারদের থেকে আরও ভালো পারফরম্যান্স পাওয়া যায়।”

বাংলার কোচ গৌতম ঘোষ বলেন, “আমি জানতাম মণিপুর ম্যাচের পর দিল্লি ম্যাচটা নিয়ে এতটুকু হালকা নেওয়া যাবে না। যাতে ছেলেদের মধ্যে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস না এসে যায়, যাতে পচা শামুক পা না কাটে, সেদিকে নজর দিয়েছিলাম। ওরাও সেটা বুঝেছিল। ছেলেরাও খুব বাধ্যভাবে আমার কথা শুনেছে। চ্যাম্পিয়ন একটা ফলাফল মাত্র। আমি এই দলটা হাতে নিয়ে প্রথম চেষ্টা করেছিলাম ওদের মধ্যে নিয়মানুবর্তিতা তৈরি করার। ভালো লাগছে চ্যাম্পিয়ন হতে পেরে।”

ফাইনালে হ্যাটট্রিক করে উচ্ছ্বসিত সাগ্নিক কুণ্ডু। এই চুঁচুড়ার এই খুদে ফুটবলারটি মোহনবাগানের বয়সভিত্তিক দলে খেলার সুবাদে এর আগে আইএসএল শিল্ড ফাইনালের দিন জেসন কামিংস, দিমিত্রি পেত্রাতোসদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পেয়েছিল। এবার তার ইচ্ছে কলকাতায় মেসির সফরের সময় তাঁর সঙ্গে হাত মেলানো। এদিন ফাইনালের শেষে সাগ্নিক জানায়, “আমি মেসি আর সুনীল ছেত্রীর ভক্ত। কলকাতায় মেসি এলে যদি সুযোগ পাই ওঁর সঙ্গে হাত মেলানোর ইচ্ছে রয়েছে।” এই মুহূর্তে ডন বসকো স্কুলে অষ্টম শ্রেণির ছাত্র সাগ্নিক।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.