টালিগঞ্জকে উড়িয়ে দিয়ে লিগ জয়ের লড়াইয়ে ফিরল মোহনবাগান

ভূরি ভূরি সুযোগ নষ্ট চিন্তায় রাখবে মোহনবাগানকে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২০, ২০১৮, ১৪:২২

options
link
টালিগঞ্জকে উড়িয়ে দিয়ে লিগ জয়ের লড়াইয়ে ফিরল মোহনবাগান

মোহনবাগান – ৩ (ডিকা, আজহারউদ্দিন, উইলিয়াম)

Advertisement

টালিগঞ্জ অগ্রগামী – ০

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভূরি ভূরি সুযোগ নষ্ট, গোলমুখে ব্যর্থতা, পেনাল্টি মিস। এসব সত্ত্বেও রবিবাসরীয় সন্ধেয় হাসিমুখেই মাঠ ছাড়ল মোহনবাগান। ময়দানের জায়ান্ট কিলার টালিগঞ্জ অগ্রগামীকে কার্যত উড়িয়ে দিয়েই লিগ লড়াইয়ে কামব্যাক করল সবুজ মেরুন। ৩-০ গোলে জিতলেও এদিন মোহনবাগানের মতোই খেলেছে মোহনবাগান। জয়ের ফলে পাঁচ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে লিগ তালিকার শীর্ষেই থাকল শংকরলাল চক্রবর্তীর ছেলেরা।

Advertisement

[কেরলের পাশে ইস্টবেঙ্গল, সমর্থকদের থেকে চাঁদা তুললেন জাস্টিনরা]

এদিন ম্যাচ শুরুর আগে তিনটে চিন্তা কুরে কুরে খাচ্ছিল মোহনবাগান টিম ম্যানেজমেন্টকে। প্রথমত প্রথমার্ধে গোলের খরা, দ্বিতীয় চিন্তা ছিল গোল এলেও তা আসছিল দেরিতে আর মূলত দুই বিদেশি স্ট্রাইকারের উপরেও ভর করে থাকতে হচ্ছিল বাগানের আক্রমণভাগকে। আর তৃতীয় চিন্তা আগের ম্যাচে শেষ মুহূর্তে গোল খেয়ে মনস্তাত্ত্বিক চাপ। কিন্তু টালিগঞ্জের বিরুদ্ধে দলের পারফরম্যান্স অনেকাংশেই নিশ্চিন্ত করবে কোচ শংকরলাল চক্রবর্তীকে। ম্যাচের শুরুটা অবশ্য খুব একটা ভাল করেনি সবুজ মেরুন শিবির। বিপক্ষের বক্সের সামনে গিয়েও বারবার খেই হারিয়ে ফেলছিল মোহনবাগানের আক্রমণ। এমনকি পেনাল্টি পেয়েও তা নষ্ট করেন বাগানের অন্যতম ভরসা ডিপান্ডা ডিকা। কিন্তু এরপর ঘুরে দাঁড়ায় গঙ্গাপাড়ের ক্লাবটি। মূর্হুমূর্হু আক্রমণ শুরু করে শংকরলালের ছেলেরা। ফল মেলে ম্যাচের ৩০ মিনিটে। ডানদিক থেকে আসা ক্রস থেকে হেডারে বল টালিগঞ্জের জালে জড়িয়ে দেন সেই ডিকা। মিনিট পাঁচেক পরেই ফের বল জড়ায় টালিগঞ্জের জালে। এবারে কর্নার কিক থেকে গোল করেন আজহারউদ্দিন।

[ফের চমক, এবার নাইজেরিয়ার তারকা স্ট্রাইকারকে সই করাচ্ছে ইস্টবেঙ্গল]

দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণের ঝাঁজ কমায়নি মোহনবাগান। আজহার, পিন্টু মাহাতা, ডিকারা একের পর এক আক্রমণ শানিয়েছেন টালিগঞ্জ দুর্গে। ম্যাচের শেষদিকে আরও একটি দুর্দান্ত মুভ থেকে গোল করে দলের জয় নিশ্চিত করেন উইলিয়াম। ৩টে গোল পেলেও গোলমুখে ব্যর্থতা চিন্তায় রাখবে কোচ শংকরলালকে।এদিন অন্তত গোটা চারেক নিশ্চিত গোলের সুযোগ মিস করেছেন ডিকা। আজাহারও মিস করেছেন গোটা তিনেক সহজ সুযোগ। অনেকে বলছেন সহজ সুযোগগুলি নষ্ট না করলে আজ অন্তত হাফ ডজন গোল করে মাঠ ছাড়তে পারত সবুজ-মেরুন। জয়ের দিনেও সুযোগ নষ্টের এই প্রবণতা চিন্তায় রাখবে কোচ শংকরলালকে।  

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন